1 Answers
ইসহাক সাহেবের উক্তিতে ইবাদতের অপরিহার্যতার বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে। দৈনন্দিন জীবনে মানুষ মহান আল্লাহর আদেশ যেমন- সালাত, জাকাত, হল, সাওম পালন করা এবং নিষেধ যেমন- সুদ, ঘুষ, হিংসা, ফিতনা-ফাসাদ, বেপদী, বেহায়াপনা ইত্যাদি পরিহার করে চলাকে ইবাদত বলে। আল্লাহর আদেশ ও নিষেধ মেনে চলা প্রত্যেকের জন্য অপরিহার্য কর্তব্য। ইহসাক সাহেবের উত্তিতে এ বিষয়টি ফুটে ওঠেছে।
উদ্দীপকের ইসহাক সাহেব ইবাদতের গুরুত্বারোপ করে আল্লাহ ও রাসুলের আনুগত্যের পরামর্শ দেন। মানুষের জীবন ধারায় ইবাদতকে উপেক্ষা বা অস্বীকার করা যায় না। ইবাদত ছাড়া বান্দা মুমিন বা মুসলিম থাকতে পারে না। ইমানের অপরিহার্য অঙ্গ হচ্ছে সৎকর্ম করা, ইবাদত বন্দেগী করা। অপরদিকে ইবাদতের পূর্বশর্ত হলো আল্লাহ ও রাসুলের আনুগত্য। এ ব্যাপারে আল্লাহর নির্দেশ, 'হে মুহাম্মদ (স) বলুন, তোমরা আল্লাহর আনুগত্য করো ও রাসুলের অনুগত হও। আর যদি তোমরা এ আনুগত্য থেকে বিমুখ হও, তাহলে জেনে রেখো আল্লাহ কাফিরদের ভালোবাসেন না' (সুরা আলে ইমরান: ৩২)। এ আয়াতের মর্মার্থ হলো আল্লাহ ও তার রাসুল (স) এর নির্দেশিত পথ অনুসরণই ইবাদতের মূল কথা। সেজন্য আনুষ্ঠানিক ইবাদত যেমন-সালাত, সাওম, হজ, জাকাত প্রভৃতি সম্পাদনের পর যে ব্যক্তি যে পর্যায়ের দায়িত্বশীল, যিনি যেক্ষেত্রে নিয়োজিত, আল্লাহ ও তার রাসুল (স) এর নির্দেশিত পথ অবলম্বন করা তার জন্য সেক্ষেত্রে ইবাদত। আর আল্লাহ তায়ালা ও তার রাসুলের নির্দেশিত পথের বিপরীত পথ অবলম্বন করা বা এর পরিপন্থি জীবনযাপন করা স্পষ্টত আল্লাহ ও রাসুলের (স) আনুগত্য থেকে বিমুখ হওয়া।
সুতরাং আমাদের উচিত জীবনের সকল ক্ষেত্রে আল্লাহর ইবাদত বন্দেগীর মধ্যে নিয়োজিত থাকা।