1 Answers
বেলে মাটিকে দোঁআশ মাটিতে রূপান্তরের ক্ষেত্রে উদ্দীপকে উল্লিখিত অণুজীব সারের ভূমিকা রয়েছে।
অণুজীব সার প্রয়োগ করে বেলে মাটিকে দোআঁশ মাটিতে পরিবর্তন করা যায়। বেলে মাটির কণাগুলো একে অপরের থেকে বিচ্ছিন্ন থাকার কারণে আন্তঃরন্দ্রগুলো এত প্রশস্ত হয় যে তা পানি ধারণ করতে সক্ষম হয় না। ফলে এই ধরনের মাটিতে ফসলের অধিক উৎপাদন হয় না।
অণুজীব সারে হিউমাস, নাইট্রোজেন, ফসফেট ও পটাশিয়ামের পরিমাণ অনেক বেশি। ফলে এই সার প্রয়োগে মৃত্তিকায় জৈব- রাসায়নিক বিক্রিয়া বেড়ে যায়। হিউমাস, Ca, Mg এর আধিক্যের ফলে মাটির সংযুক্তির উন্নয়ন ঘটে। অণুজীবের কার্যক্রম বৃদ্ধি পায়। বহুৎ মৃত্তিকা কণার বহিরাবরণে অণুজীবের কলোনি গড়ে উঠে। এক পর্যায়ে বৃহৎ কণার ভাঙন শুরু হয়। এর আঠালো ভাবের প্রভাবে মাটির কণাগুলো একত্রে সংঘবদ্ধ হয়। ফলে আন্তঃরন্দ্রগুলো সূক্ষ্ম হয়ে মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় এবং তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত অবস্থায় চলে আসে। এতে বেলে মাটির স্থল ও সূক্ষ্ম রন্ধ্র পরিসরের পরিমাণ সমান (১: ১) হয়। ফলে মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা ও বায়ু চলাচল স্বাভাবিক হয়। এভাবে বেলে মাটি দোঁআশ গুণাবলি সম্পন্ন হয়।
অতএব, উপরোক্তভাবে বেলে মাটিকে দোআঁশ মাটিতে রূপান্তরের ক্ষেত্রে অণুজীব সার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে আমি মনে করি।