1 Answers

বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে প্রয়োজনে আত্মীয়তা বা জ্ঞাতিসম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

উদ্দীপকের মোঃ আশরাফ আলী ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান নির্বাচন করলে তার ভাগ্নে ও ভাগ্নের দোস্ত তাকে নির্বাচিত করার জন্য কঠোর পরিশ্রম করে। এর মাধ্যমে মূলত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জ্ঞাতিসম্পর্কের ভূমিকার প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। আমাদের দেশের গ্রামীণ রাজনীতির প্রকৃতি পর্যবেক্ষণ করলে আমরা দেখি, ব্যক্তি কিংবা গোষ্ঠী যাই হোক না কেন জ্ঞাতিদের সাহায্য ও সহযোগিতা ছাড়া গ্রামীণ রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠা লাভ করা কষ্টসাধ্য। কেননা গ্রামীণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড প্রধানত গোষ্ঠীসমূহের মধ্যকার ঐক্য এবং অনৈক্যের ফলশ্রুতি। গ্রামের প্রত্যেকটি গোষ্ঠী বিশেষ করে বড় গোষ্ঠীগুলো চায় ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, সংসদ সদস্য ইত্যাদি তাদের কর্তৃত্বাধীনে থাক। এসব প্রতিষ্ঠান তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকলে সুনাম ও মর্যাদা বৃদ্ধির পাশাপাশি ক্ষমতাও অনেকগুণ বেড়ে যায়। এজন্য তারা নিজ গোষ্ঠীর লোক বা আত্মীয়স্বজনদের ক্ষমতাসীন করার লক্ষ্যে জোরালোভাবে কাজ করে। যেমনটা আমরা উদ্দীপকে দেখি।

উপরের আলোচনার পরিসমাপ্তিতে বলা যায়, বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সামাজিক, অর্থনৈতিক, ধর্মীয় ইত্যাদি ক্ষেত্রেও আত্মীয়তা বা জ্ঞাতিসম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

5 views

Related Questions