1 Answers
উক্ত নেতা হলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নেতার অর্থাৎ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ আমাদের জাতীয় জীবনে এক স্মরণীয় ঘটনা। ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ তারিখে বাংলাদেশকে স্বাধীন করার জন্য বঙ্গবন্ধু মুক্তি সংগ্রামের উদাত্ত আহ্বান জানান। এই যুদ্ধে বঙ্গবন্ধু সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ না করলেও তার দিক নির্দেশনা ও আহ্বানে সমগ্র বাঙালি জাতি এ | যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ২৫ মার্চ মাঝরাতে অর্থাৎ ২৬ মার্চের শুরুতে গ্রেফতার হওয়ার আগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। তিনি ওয়ারলেসের মাধ্যমে দলের নেতৃবৃন্দকে জানিয়ে দেন যাতে স্বাধীনতার এই ঘোষণাপত্র প্রচার করা হয়। বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা ২৬ মার্চ দুপুরে চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা এম এ হান্নান চট্টগ্রামের বেতার কেন্দ্র থেকে প্রথমবার এবং সন্ধ্যায় কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে দ্বিতীয়বার প্রচার করেন। পরবর্তীতে মেজর জিয়াউর রহমান উক্ত বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন। স্বাধীনতার ঘোষণা শোনার সাথে সাথে বাংলাদেশের সামরিক ও বেসামরিক জনতা মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। এ যুদ্ধে বাঙালি জাতি সফল হয় এবং বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কর্মময় জীবন কেটেছে বাংলা ও বাঙালি জাতির মুক্তির জন্য। ফলে তার কর্মকাণ্ড বাঙালিদের পরাধীনতার শৃঙ্খল হতে মুক্ত হতে উজ্জীবিত করেছে এবং মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশকে স্বাধীন করতে ঐক্যবদ্ধ করেছে। কাজেই উপরোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে উক্ত নেতা তথা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।