1 Answers

কুরআনের উল্লিখিত আয়াতের আলোকে বলা যায় হুযায়ফা সাহেব ফিকহচর্চার ক্ষেত্রে আল্লাহর নির্দেশ যথাযথভাবে অনুসরণ করেছেন।

ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। ইসলামের বিধি-বিধান অত্যন্ত যুক্তিসঙ্গত এবং কার্যকর উপযোগিতাসম্পন্ন। যেমন- ইসলামের সৎ কাজের আদেশ করতে বলা হয়েছে এবং অসৎ কাজে নিষেধ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর ফিকহশাস্ত্রে অভিজ্ঞ ব্যক্তি এ কাজটি সুচারুরূপে সম্পন্ন করে থাকেন। যা হুযায়ফা সাহেবের কর্মকাণ্ডেও পরিলক্ষিত হয়।

হুযায়ফা সাহেব একজন ধর্মীয় আলেম। এ কারণে তিনি ইসলামের বিধিবিধান সম্পর্কে সূক্ষ্ম জ্ঞানের অধিকারী। আর তিনি কুরআন মাজিদে তার মতো মানুষের করণীয় সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালার নির্দেশ সম্পর্কেও অবগত। এ কারণেই তিনি সমাজের মানুষকে বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষা দেন। ফিকহশাস্ত্রে অভিজ্ঞ হিসেবে এটি তার দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে। উদ্দীপকে তিনি যে আয়াতটি তেলাওয়াত করেছেন সেখানেই তার কর্মকাণ্ডের যৌক্তিকতা প্রমাণিত হয়। আয়াতটিতে আল্লাহ দীন অর্থাৎ ইসলামি শরিয়ত সম্পর্কে সূক্ষ্ম জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি তা অপরকে জানানোর জন্য আল্লাহ তায়ালা স্বয়ং নির্দেশ প্রদান করেছে। আর আল্লাহ তায়ালার এই নির্দেশরই অনুসরণ করে হুযায়ফা সাহেব অন্যদেরকে ইসলামের বিধিবিধান সম্পর্কে অবগত করার চেষ্টা করেন। এজন্য তিনি উত্তম প্রতিদান পাবেন। হাদিসে এসেছে, 'একজন ফিকহশাস্ত্রবিদ এক হাজার আবিদের চেয়েও শয়তানের ওপর অধিক শক্তিশালী।' ন এ কথাটি হুযায়ফা সাহেবের জন্যও প্রযোজ্য।

পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপকে হুযায়ফা সাহেবের কর্মকাণ্ড অত্যন্ত প্রশংসনীয় এবং শরিয়তসম্মত।

6 views

Related Questions