1 Answers

সুরা আল বাকারার দশ নম্বর আয়াতে মুনাফিকদের যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির কথা বলা হয়েছে, যা জিয়াউল হকের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। মুনাফিকরা ইসলামের শত্রু। তারা মুখে ইমানের দাবি করে, কিন্তু অন্তরে কুফরি লালন করে; এ কারণে তারা মুশরিকদের চেয়েও ক্ষতিকর। ইমানের কথা বলে তারা আল্লাহ তায়ালা ও মুমিনদের প্রতারিত করতে চায়। ফলস্বরূপ তাদের জন্য কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে।

উদ্দীপকের জিয়াউল হকের কর্মকাণ্ডে মুনাফিকের তিনটি বৈশিষ্ট্যই প্রতিফলিত হয়েছে। সুরা আল-বাকারার আলোচ্য আয়াত অনুসারে তার জন্যও যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি অপেক্ষা করছে। তার মতো মুনাফিকদের পরিণাম নির্দেশ করতেই আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, 'তাদের অন্তরসমূহের মধ্যে রয়েছে ব্যাধি। তারপর আল্লাহ তাদের ব্যাধিকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছেন। আর তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। কেননা তারা ছিল মিথ্যাবাদী (সুরা আল-বাকারা: ১০)।' সুতরাং দেখা যাচ্ছে মুনাফিকদের অন্তর কপটতা, মিথ্যাবাদিতা, কুফর, নিফাক ও শিরকের ব্যাধিতে আক্রান্ত। তারা একদিকে যেমন ইমানের মিথ্যা দাবি করে, তেমনি কাফিরদের সাথেও তাদের সম্পৃক্ততার মিথ্যা ঘোষণা দেয়। এজন্য তাদের পরকালীন প্রতিদান হলো লাঞ্ছনাপ্রদ কঠিন শাস্তি।

পরিশেষে বলা যায়, জিয়াউল হকের মত মুনাফিকদের জন্য পরকালে যন্ত্রনাদায়ক শাস্তি রয়েছে-এ মন্তব্যটি যথার্থ ও যৌক্তিক।

5 views

Related Questions