1 Answers
ذَلِكَ الْكِتُبُ لَا رَيْبَ فِيهِ আয়াতাংশে বর্ণিত কুরআন মাজিদের সত্যতার বিষয় এবং ড. আহমদ আমীনের উল্লেখিত বিষয়গুলো সামঞ্জস্যপূর্ণ।
পবিত্র কুরআন আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে হযরত মুহাম্মদ (স) এর ওপর অবতীর্ণ হয়েছে। এ মহাগ্রন্থ সব রকমের বিতর্ক ও প্রশ্নের ঊর্ধ্বে। এর বিষয়বস্তু, উপস্থাপনা, শব্দচয়ন ও রচনাশৈলি অভিনব। এ আসমানি গ্রন্থের বক্তব্য সন্দেহাতীত ও সংশয়হীন। তবে একদল অবিশ্বাসী এর সত্যতা ও যথার্থতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। যা ড. আহমদ আমীনের উদ্ধৃত আয়াতে লক্ষণীয়।
উদ্দীপকের ড. আহমদ আমীন বলেন, পবিত্র কুরআন সন্দেহাতীতভাবে আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত গ্রন্থ। সুরা বাকারার দ্বিতীয় আয়াতেই আল্লাহ তায়ালা এর সত্যতা ঘোষণা করেছেন। কাফিররা মনে করে এ কিতাব আল্লাহর পক্ষ থেকে নাজিল হয়নি বরং মুহাম্মদ (স) নিজেই এ কিতাব রচনা করেছেন। তারা আরও বলেছিল, কুরআনের সুরার মতো সুরা তারা নিজেরাও রচনা করতে পারে। অথচ আজ পর্যন্ত কেউ কুরআনের একটি আয়াত পর্যন্ত রচনা করতে পারেনি; পারবেও না। আল্লাহ তায়ালা এ মর্মে বলেন, 'তোমরা যদি কুরআনের অনুরূপ কোনো সুরা আনতে না পার এবং কখনোই পারবে না; তাহলে তোমরা সে আগুনকে ভয় করো যার ইন্ধন হবে মানুষ ও পাথর। যা কাফিরদের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। উপরের আলোচনার আলোকে আমরা এ কথা বলতে পারি যে, আল্লাহর বাণী শাশ্বত ও চিরন্তন। ড. আহমদ আমীনের বক্তব্য থেকে তা-ই প্রতীয়মান হয়।