1 Answers
আ. মতিন সত্যের সাথে মিথ্যার সংমিশ্রণ করে কুরআনের ব্যাখ্যাকে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করেছে, যা উদ্দীপকে বর্ণিত আয়াতের মাধ্যমে মিথ্যা প্রমাণিত হয়। তার এ ধরনের কর্মকান্ডের পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ।
উদ্দীপকে বর্ণিত প্রথম আয়াতে বলা হয়েছে- 'তোমরা সত্যের সাথে মিথ্যার সংমিশ্রণ করো না এবং জেনেশুনে সত্য গোপন করো না' (সুরা বাকারা-৪২)। আয়াতটি তৎকালীন ইহুদি- খ্রিষ্টানদের অপতৎপরতার প্রেক্ষিতে নাজিল হয়েছে। তারা প্রকৃত সত্য সম্পর্কে অবহিত থাকা সত্ত্বেও ধর্মকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহারের জন্য মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছিল। তাদের এ কাজের পরিণতি ছিল মারাত্মক। উদ্দীপকে আ. মতিনও এ ধরনের জঘন্য ভণ্ডামির আশ্রয় নিয়েছে।
আ. মতিন মক্তবে পড়ে পবিত্র কুরআনের দু' একটি সুরা মুখস্ত করে সত্য সম্পর্কে অবহিত হয়। তা সত্ত্বেও সে একে জীবিকা অর্জনের উপায় হিসেবে অসৎকাজে লাগায়। মাজার তৈরি করে নামাজ আদায় সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। এ ধরনের বৈশিষ্ট্যই তৎকালীন ইহুদি-খ্রিষ্টানদের মধ্যে বিদ্যমান ছিল। তারা বৈষয়িক লাভের জন্য সত্যকে ভিন্নভাবে পরিবেশন করত। সাধারণ লোকজনের কাছে রাসুল (স) এর পরিচয় ও অবস্থান সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করত। তাদের এ অন্যায় ও অপকর্মের প্রেক্ষিতে আল্লাহ তায়ালা উল্লিখিত আয়াত নাজিল করে সত্যের সাথে মিথ্যার সংমিশ্রণ করাকে হারাম ঘোষণা করেছেন।
একজন মুমিন ব্যক্তি আলোচ্য আয়াত থেকে শিক্ষা নিয়ে সত্যকে মিথ্যা থেকে আলাদা রাখবে। ইচ্ছাকৃতভাবে সত্য গোপন করা থেকে বিরত থাকবে।