1 Answers
হ্যাঁ, উক্ত ঘটনার অর্থাৎ বনি ইসরাইল জাতির শনিবারে মাছ ধরার ঘটনার ফলাফল এবং উদ্দীপকের ঘটনার ফলাফল একই ধারায় প্রবাহিত হয়েছিল।
ইসরাইল জাতির ওপর মহান আল্লাহ তায়ালা প্রত্যক্ষভাবে যে পরিমাণ নিয়ামত দান করেছিলেন অন্য কোনো জাতির প্রতি তা করেননি। তাদেরকে সমকালীন বিশ্বে শ্রেষ্ঠতম জাতির মর্যাদা দান করেছিলেন। কিন্তু তারা সে সময় আল্লাহর অবাধ্য হয়ে নানা দুষ্কর্মে লিপ্ত হয়। ইসরাইল জাতি কর্তৃক একটি নিষিদ্ধ কাজ করার জন্য তাদের শাস্তিস্বরূপ বানরে পরিণত করা হয়। উদ্দীপকেও এ ধরনের ফলাফলের প্রতিফলন ঘটেছে।
উদ্দীপকেও দেখা যায় মাছিমপুর গ্রামে জুমুআর দিন মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকলেও কিছু লোক জুমুআর সালাত আদায় না করে ঐ সময় মাছ ধরে। ফলশ্রুতিতে ঐসব লোকদের হঠাৎ করে ডায়রিয়া শুরু হয়।
হযরত দাউদ (আ)-এর সময় বনি ইসরাইলদের জন্য শনিবারে মৎস্য শিকার করা নিষিদ্ধ ছিল। কারণ ঐদিন তাদের জুমুআর দিন ছিল। ঐ দিন যাবুর কিতাব পাঠ করা হতো, তা শোনার জন্য মাছেরা তীরে আসত। কিন্তু বনি ইসরাইল জাতির একদল লোক সে নিষেধ অমান্য করে মাছ শিকার করেছিল। এতে আল্লাহ তায়ালা তাদের ওপর ক্রুদ্ধ হন। তারা আল্লাহর আজাবে পতিত হয়। তাদের কৃত দুষ্কর্মের ফলস্বরূপ তারা নিকৃষ্ট বানরে পরিণত হয়। তাই বলা যায়, প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও এই দুটি ঘটনার ফলাফল একই ধারায় প্রবাহিত হয়েছে।
পরিশেষে বলা যায়, ইসরাইল জাতিকে শাস্তিস্বরূপ তাদেরকে বানরে পরিণত করা হয়। একইভাবে মাছিমপুর গ্রামের অবাধ্য লোকদেরও শাস্তিস্বরূপ ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হতে হয়।