1 Answers

উদ্দীপকে উল্লিখিত আত্মহত্যাগুলো হলো আত্মকেন্দ্রিক আত্মহত্যা, পরার্থমূলক আত্মহত্যা, নৈরাজ্যমূলক আত্মহত্যা। এ সকল আত্মহত্যা সামাজিক বিভিন্ন ঘটনার প্রেক্ষিতেই হয়ে থাকে।

ডুর্খেইমের মতে, আত্মকেন্দ্রিক আত্মহত্যা সংঘটিত হয় সামাজিক অবচিতির ফলে। সাধারণত সমাজ বা গোষ্ঠীর সাথে ব্যক্তির সংহতির অভাব দেখা দিলে এ ধরনের আত্মহত্যা ঘটে থাকে। অন্যদিকে আত্মকেন্দ্রিক আত্মহত্যার ঠিক বিপরীত ধরন হলো পরার্থমূলক আত্মহত্যা। এ আত্মহত্যা সংঘটিত হয় সমষ্টির ইচ্ছায়, সমাজের স্বার্থে। অতএব এক্ষেত্রে সমাজের যা অভিপ্রায় তা চরিতার্থ করা ব্যক্তি বিশেষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ ব্যক্তি যখন গোষ্ঠী বা সমাজকে চরম ভালোবাসে এবং এর প্রতিদানস্বরূপ নিজের জীবন দিতেও কুণ্ঠাবোধ করে না তখনই এ ধরনের আত্মহত্যার জন্ম হয়। সাধারণত যুদ্ধ বিগ্রহকালে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে মানুষ এ ধরনের আত্মহত্যা সংঘটিত করে। আবার সমাজে যখন কোনো প্রকার বিপর্যয় দেখা দেয়, তখন মানুষের মনে বিতৃষ্ণার সৃষ্টি হয়। এ বিতৃষ্ণা দূর করার জন্যই ব্যক্তি যে আত্মহত্যা করে তাকে ডুর্খেইম নৈরাজ্যমূলক আত্মহত্যা বলে অভিহিত করেছেন।

উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, আত্মকেন্দ্রিক, পরার্থমূলক এবং নৈরাজ্যমূলক এ সকল আত্মহত্যার পিছনে সামাজিক বিভিন্ন ঘটনা দায়ী।

5 views

Related Questions