1 Answers
হাশেম মিয়ার ঘটনার আলোকে আমি মনে করি যে, শব্দ দূষণ সমস্যাটি জনস্বাস্থ্যের ওপর ব্যাপকভাবে প্রভাব ফেলে। যেমন-
১. শ্রবণ ইন্দ্রিয়ের ওপর প্রভাব: অনেক দিন ১০০ ডেসিবেল শব্দের মধ্যে কাটালে বধিরতা দেখা দেয়। আর ১৬০ ডেসিবেল মাত্রার বিকট শব্দে কানের পর্দা ছিড়ে যায় এবং এর ফলে মানুষ স্থায়ীভাবে শ্রবণ ক্ষমতা হারায়।
২. শ্বসনের ওপর প্রভাব: শব্দ দূষণের জন্য শ্বাস-প্রশ্বাসের হার পরিবর্তন হয়। উঁচু তীব্র শব্দের প্রভাবে শ্বসন গভীরতা বেড়ে যায় এবং দ্রুত শ্বাস ত্যাগ করে।
৩. স্নায়ুতন্ত্রের ওপর প্রভাব: শব্দ দূষণের ফলে স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্রের বৃদ্ধি স্নায়ুর ক্রিয়ার হ্রাস ঘটায়।
৪. পরিবেশের ওপর প্রভাব: বোমা, পটকা, আতশবাজি ও সুপারসনিকের বিকট শব্দে পুরোনো বাড়িতে ফাটল ধরে এবং অনেক সময় জানালা ও দরজার কাচ ভেঙে যায়।
অতএব বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত শব্দ দূষণের সমস্যাটি জনস্বাস্থ্যের ওপর ব্যাপকভাবে প্রভাব ফেলে।