1 Answers

হ্যাঁ, আমি মনে করি, জনাব বাসেদ এবং ইমাম আবু হানিফা (র) এর জীবনের পরিণতি আমাদের একই আদর্শ অর্থাৎ উন্নত নৈতিক শিক্ষায় বলীয়ান করে তোলে।

ইমাম আবু হানিফা (র) মৃত্যুঝুঁকি নিয়েও কাজির পদ প্রত্যাখ্যান করে বলেছিলেন, একমাত্র আল্লাহই সার্বভৌমত্বের মালিক। খলিফা হিসেবে রসুল (স) এর অনুসরণ অপরিহার্য। আল কুরআনকে চিরন্তন ও চূড়ান্ত বিধান হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। জনগণের স্বাধীন সম্মতিতে খলিফা নির্বাচিত হতে হবে। জবরদস্তি করে সম্মতি আদায় করলে চলবে না। স্বৈরাচারী শাসনের অধীনে বাগদাদের কাজির পদ গ্রহণে তিনি অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন। এজন্য খলিফা আল মনসুর তাকে কারাগারে নিক্ষেপ করেছিলেন। সেখানে ১৫০ হিজরি সনে তার মৃত্যু হয়। তার জীবন আমাদের জন্য এক অনুসরণীয় উৎস।

জনাব আব্দুল বাসেদও একইভাবে আমাদের অনুপ্রাণিত করেছেন। সরকার তাকে গুরুত্বপূর্ণ বিচারিক পদ গ্রহণের প্রস্তাব দিলে নীতিগত কারণে তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন। এ কারণে তার ওপর নেমে আসে নির্মম অত্যাচার। অবশেষে তিনি বন্দি হন এবং কারাগারে মৃত্যুবরণ করেন।

পরিশেষে বলা যায়, জনাব আব্দুল বাসেদ, ও ইমাম আবু হানিফা (র) উভয়ের জীবনের ঘটনা আমাদেরকে উন্নত নৈতিক চরিত্র গঠনে উদ্বুদ্ধ করে। তাদের উভয়ের আদর্শ আমাদেরকে অন্যায়ের সামনে মাথানত না করার শিক্ষা দেয়। সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় প্রয়োজনে জীবনও উৎসর্গ করতে হয় এমন দৃষ্টান্ত উল্লিখিত দুটি চরিত্রেরই মহান শিক্ষা।

5 views

Related Questions