1 Answers
উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয় তথা সমাজবিজ্ঞান অধ্যয়নের মাধ্যমে সমাজ সম্পর্কিত সব ধরনের জ্ঞান পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে অর্জন করা সম্ভব হবে বলে আমি মনে করি।
সমাজবিজ্ঞান পাঠের মাধ্যমে সমাজকাঠামো তথা ব্যক্তি, গোষ্ঠী এবং বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের পারস্পরিক সম্পর্ক, ভূমিকা, কার্যাবলি সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা সম্ভব। সমাজে বিদ্যমান বিভিন্ন শ্রেণি, তাদের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ক, উৎপাদন প্রক্রিয়ার সাথে তাদের সম্পর্ক, ভূমিকা ও অবদান সম্পর্কে জ্ঞানও সমাজবিজ্ঞান পাঠের মাধ্যমে লাভ করা যাবে। সমাজবিজ্ঞান সামাজিক দায়িত্ব- কর্তব্য সম্পর্কে প্রত্যক্ষ দিক নির্দেশনা প্রদান করে থাকে। এছাড়াও সামাজিক সমস্যা দূরীকরণের উপায়, অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে বিদ্যমান অন্তরায় ও তা সমাধানের উপায় প্রভৃতি সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা সম্ভব সমাজবিজ্ঞান পাঠের মাধ্যমে। এর পাশাপাশি সমাজজীবনে শিল্পায়ন ও নগরায়ণের প্রভাব এবং বিভিন্ন ধরনের উন্নয়ন পরিকল্পনা কীভাবে, কতটা ফলপ্রসূ করা যাবে সমাজবিজ্ঞান পাঠ করে সে সম্পর্কেও জ্ঞান লাভ করা যায়। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের কৃষির বৈশিষ্ট্য, কৃষি কাঠামো ইত্যাদি বিষয়ে জ্ঞান লাভের মাধ্যমে কৃষির উন্নয়নে বিদ্যমান সমস্যা দূরীকরণের সঠিক পথ নির্দেশনাও সমাজবিজ্ঞান পাঠ করে জানা যায়।
উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে নিশ্চিতরূপে বলা যায় যে, সমাজবিজ্ঞান বিষয়টি অধ্যয়নের মাধ্যমে সমাজ সম্পর্কিত সব ধরনের জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে সমাজসচেতন মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠা সম্ভব।