1 Answers
উদ্দীপকের ভিন্নমত পোষণকারীরা আলিমগণের সিদ্ধান্ত তথা ইজমা মেনে নিলে তাদেরকে কাফির বলা যাবে না। ইজমা ইসলামি শরিয়তের তৃতীয় উৎস। সঠিক নিয়মে ইজমা সম্পন্ন হলে তা শরিয়া আইনে পরিণত হবে। ইজমার সিদ্ধান্ত মান্যকারীকে কাফির বলা যাবে না। উদ্দীপকে ভিন্নমত পোষণকারীরা ইজমার সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে সঠিক পথ অনুসরণের পরিচয় দিয়েছে।
উদ্দীপকে মাইক ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়ে মুসল্লিদের মধ্যে মতবিরোধ তৈরি হয়েছে। তারা মাইক ব্যবহার নিয়ে বিভ্রান্তিতে পড়েছে। আধুনিক যুগে নবোদ্ভাবনের ফলে এ ধরনের বিভ্রান্তি স্বাভাবিক। উদ্দীপকে বর্ণিত ভিন্নমত পোষণকারীরা তাদের মত পোষণ করেছে মাত্র, কোনো গুনাহের কাজ করেনি। তাদের মত প্রকাশ ইজমার শর্তের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। পরবর্তীতে যখন তারা মাইক ব্যবহারে আলিমগণের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছে তখন ইজমার হুকুম পালনকারী হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে। এভাবে ইজমার শর্ত ও হুকুম পালনকারীরা পাপী হবে না বরং তাদের পরিপূর্ণ ইমান থাকবে।
ওপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, সময়ের প্রেক্ষাপটে মানুষের মনে শরিয়তের হুকুম পালনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে। কিন্তু পরবর্তীতে ইসলামের মূলনীতি অনুসারে ইজমার ভিত্তিতে আমল করলে তাকে কাফির বলা যাবে না। এজন্য উদ্দীপকে বর্ণিত ভিন্নমত পোষণকারীরাও কাফির হবে না।