1 Answers

উদ্দীপকে আলিমগণের ঐকমত্যের সাথে সাহাবিদের যুগের ইজমাভিত্তিক কর্মকাণ্ডের মিল রয়েছে। রাসুলের ইন্তেকালের পর নবোদ্ভাবিত কোনো সমস্যা দেখা দিলে সাহাবিরা কুরআন ও হাদিসের আলোকে ঐকমত্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত দিতেন। এটিই হলো সাহাবিদের ইজমা। জামাতের সাথে তারাবির নামাজ আদায়, খলিফা নির্বাচন প্রভৃতি ছিল ইজমাভিত্তিক সিদ্ধান্ত। পরবর্তী যুগে মুসলমানগণ এসব সিদ্ধান্তকে শরিয়া আইন হিসেবে মেনে নিয়েছে। সাহাবিদের এ ধরনের ইজমা অনুসরণ করে বর্তমান যুগের আলিমগণও বিভ্রান্তিমূলক সমস্যার সমাধান করতে পারে। উদ্দীপকের ঘটনাটিতেও এ বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে।

উদ্দীপকে আলিমগণের মধ্যে আজান দেওয়ার নবোদ্ভাবিত মাধ্যম নিয়ে মতপার্থক্য দেখা দেয়। তাদের মনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয় যে, রাসুল (স)-এর যুগে ব্যবহৃত হয়নি এমন একটি মাধ্যম আজান দেওয়ায় ব্যবহার করা যাবে কি না? কিন্তু যখন দেখা গেল, এ ধরনের সমস্যা সমাধানের দৃষ্টান্ত সাহাবিদের যুগেও রয়েছে এবং বর্তমান যুগের আলিমগণের সিদ্ধান্ত সেক্ষেত্রে কার্যকর হবে তখন ইজমার ভিত্তিতে মাইকে আজান প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তারাবিহের নামাজ জামাতের সাথে পড়ার সিদ্ধান্ত যেমন ঐকমত্যের ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছিল তেমনি উদ্দীপকে আলিমগণের ঐকমত্যের ভিত্তিতে আজানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে দেখা যায়, দুটি ঘটনা ভিন্ন হলেও সিদ্ধান্ত গ্রহণের নিয়ম বা পদ্ধতি একই। সুতরাং উদ্দীপকে আলিমগণের সিদ্ধান্তের সাথে সাহাবিদের যুগের ইজমাভিত্তিক কর্মকাণ্ডের মিল রয়েছে।

5 views

Related Questions