1 Answers
আলিমগণের সিদ্ধান্ত অমান্যকারী সম্প্রদায় গুনাহগার হবে বলে আমি মনে করি। নবোদ্ভাবিত যেসব সমস্যার সমাধান কুরআন ও হাদিসে সরাসরি বিস্তারিত ব্যাখ্যার মাধ্যমে দেওয়া নেই, কুরআন ও হাদিস অনুসারে ইজমার মাধ্যমে তার সমাধান দেওয়া হয়। সমাধান দেওয়ার পর বিষয়টি শরিয়া আইনে পরিণত হয়। এ ধরনের আইন অমান্যকারী শাস্তির সম্মুখীন হবে। উদ্দীপকে আলিমগণের সিদ্ধান্ত অমান্যকারীদের ক্ষেত্রেও এ বিধান প্রযোজ্য হবে।
উদ্দীপকে শাওয়ালের চাঁদ দেখতে না পাওয়ায় আলিমগণকে আধুনিক মাধ্যমের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হয়েছে। তারা কুরআন ও হাদিসের আলোকে ইজমাভিত্তিক সিদ্ধান্ত নিলে দেশের প্রায় সব সম্প্রদায় এ সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছে। কেননা আলিমগণের সিদ্ধান্তের পর এটি শরিয়তের বিধানে পরিণত হয়েছে। একটি বিশেষ সম্প্রদায় এ সিদ্ধান্ত অমান্য করে মূলত ইসলামি জীবনবিধানকেই অমান্য করেছে। এজন্য তারা গুনাহগার হবে। আল্লাহ ও রাসুল (স)-এর নির্দেশনা না মানলে যেমন শাস্তি পেতে হয় এক্ষেত্রেও তাদের তেমনিই শাস্তি তাদের পেতে হবে। উদ্দীপকে নির্ধারিত তারিখে ঈদ উদযাপনে বিরত থাকা সম্প্রদায় মুসলমানদের ঐক্য বিনষ্ট করেছেন, যা ইসলামের তৃতীয় উৎস ইজমা অমান্য করার দৃষ্টান্ত। ইজমার গুরুত্ব ও কুরআন-হাদিসের ভাষ্য অনুসারে এ ধরনের সম্প্রদায় কঠিন শাস্তির মুখোমুখি হবে। ওপরের আলোচনা অনুসারে বলা যায়, আলিমগণের সিদ্ধান্ত অমান্যকারী সম্প্রদায় ইসলামি আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান অমান্য করেছে, যা তাদের গুনাহগার হিসেবে সাব্যস্ত করে।