1 Answers

কিয়াস কুরআন ও হাদিসের আলোকে প্রবর্তিত হওয়ায় উদ্দীপকে ইমাম সাহেবের সমাধানকে সঠিক বলা যায়। ইসলামি আইনের চতুর্থ উৎস হলো কিয়াস। কুরআন ও সুন্নাহর আইন বা নীতির সাদৃশ্যের ভিত্তিতে বিচার বুদ্ধি প্রয়োগ করে উদ্ভূত সমস্যার সমাধান দেওয়াকে কিয়াস বলে। ইমাম সাহেব এ মূলনীতির আলোকেই সমাধান দিয়েছেন।

উদ্দীপকে দেখা যায়, ইমাম সাহেব গবেষণা ও নিজস্ব চিন্তা থেকে সমাধান দিয়েছেন যে, চিকিৎসার জন্য বিক্রয় কেন্দ্র থেকে রক্ত সংগ্রহ করা ইসলামি শরিয়ত অনুসারে বৈধ। তিনি এ সমাধানের জন্য কিয়াসকে অনুসরণ করেন। আর কিয়াসের বিধান কুরআন- হাদিস দ্বারা স্বীকৃত। ইসলামি আইনের উৎস হিসেবে কিয়াস কোনো নতুন সংযোজন নয়। রাসুল (স)-এর যুগেই কুরআন- হাদিসের পাশাপাশি আইনের উৎস হিসেবে কিয়াসের যাত্রা শুরু হয়। রাসুল (স) নিজেও কিয়াস করতেন। তাঁর সাহাবিদেরও তিনি এ বিষয়ে বিশেষ উৎসাহ প্রদান করতেন। কিয়াসের নির্দেশ দিয়ে আল্লাহ তায়ালা বলেন, 'হে দৃষ্টি শক্তিসম্পন্ন মানুষেরা! তোমরা চিন্তা-গবেষণা করো' (সূরা হাশর: ২)। রাসুল (স) নিজেও কিয়াসকে পছন্দ করতেন। ইয়েমেন প্রেরণের পূর্বে রাসুল (স) মুয়াব (রা) কে জিজ্ঞেস করেন, লোকদের মধ্যে কীভাবে ফয়সালা করবে? উত্তরে তিনি কুরআন-হাদিসের পর নিজস্ব গবেষণার মাধ্যমে ফয়সালা করার কথা বললে রাসুল (স) অত্যন্ত খুশি হন।

উপরিউক্ত আলোচনা থেকে দেখা যায়, কিয়াসের বিধান কুরআন ও হাদিস দ্বারা প্রবর্তিত। ইমাম সাহেব সমাধানের প্রক্রিয়া হিসেবে কিয়াসকে অনুসরণ করায় তার সিদ্ধান্তটি সম্পূর্ণ যৌক্তিক

5 views

Related Questions