1 Answers

একটি সমাজ ও রাষ্ট্রের স্থায়িত্ব নির্ভর করে শাসকদের কর্তব্যপরায়ণতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ওপর। কোনো সমাজ বা রাষ্ট্রের সফলতা ও স্থায়িত্বের জন্য শাসকের কর্তব্যনিষ্ঠা ও ন্যায়পরায়ণতার গুরুত্ব অপরিসীম। শাসক যদি ন্যায়বিচারক না হন তবে সেখানে অন্যায়-অপরাধ আরও বেড়ে যাবে। তিনি নিজের দায়িত্ব ও কর্তব্য যথাযথভাবে পালন না করলে কিংবা কর্তব্যে অবহেলা করলে সেখানে বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতা দেখা দেবে। নাগরিকদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ। তৈরি হবে। একপর্যায়ে রাষ্ট্রের কাঠামো ভেঙে পড়বে। বকুলতলা কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম সাহেবের বক্তব্যে এ বিষয়টির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।

উদ্দীপকে উল্লেখ করা হয়েছে, বকুলতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাগরিকদের প্রতি অন্যায়, স্বজনপ্রীতি ও সাম্প্রদায়িক আচরণ করেন। বিষয়টি জানতে পেরে ইমাম সাহেব বলেছেন, যে সমাজ ও রাষ্ট্রের শাসকদের মধ্যে ন্যায়বিচার ও কর্তব্যপরায়ণতা থাকে না, সে সমাজ ও রাষ্ট্রের ধ্বংস অনিবার্য। কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে ইমাম সাহেবের উক্তিটি যথার্থ। আল্লাহ তায়ালা নির্দেশ দিয়েছেন- 'যখন তোমরা লোকদের মধ্যে বিচার করবে তখন ন্যায়বিচার করবে' (সুরা আন-নিসা: ৫৮)। রাসুল (স) বলেন- 'যে ব্যক্তি ইসলামি সমাজ থেকে এক বিঘত পরিমাণও দূরে সরে গেলো, নিঃসন্দেহে সে যেন ইসলামের জোয়াল তার তলদেশ থেকে নামিয়ে ফেলেছে।'

উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, শাসকগণ কুরআন ও সুন্নাহর বিধান অনুযায়ী সমাজ বা রাষ্ট্র পরিচালনা করলে সেখানে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় থাকবে। আর ইসলামের বিধানের পরিপন্থি কাজ করলে সমাজ বা রষ্ট্রের পতন ঘটবে।

6 views

Related Questions