1 Answers

সংশ্লিষ্ট হাদিসের আলোকে বলা যায়, ইমাম সাহেবের বক্তব্যটি যথার্থ। জনাব যামীম সামান্য কারণেই অশ্লীল কথাবার্তা বলে। তার আচার-আচরণও অশ্লীলতায় ভরপুর। তার পোশাক-আশাক, চাল- চলন কোনো কিছুই ইসলামসম্মত নয়। এ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে ইমাম সাহেব বলেন, ইসলাম শালীনতার ধর্ম। এখানে অশ্লীলতার কোনো সুযোগ নেই। তার এ কথার সমর্থন রয়েছে হাদিসে।

ইসলাম একটি সর্বাঙ্গীন মার্জিত ও সুশীল জীবনব্যবস্থা। উন্নত নৈতিকতা ও চারিত্রিক মাধুর্যের ওপর এর নীতি ও আদর্শ প্রতিষ্ঠিত। এর মধ্যে অশালীন, অশ্লীল ও অসভ্য কোনো কিছুর স্থান নেই। মুমিন হতে হলে অবশ্যই অশ্লীলতা পরিহার করা বাঞ্ছনীয়। রাসুল (স) অশ্লীলভাষীকে নিকৃষ্টতম বলেছেন। এ ধরনের লোকদের অশ্লীলতা থেকে বেঁচে থাকার জন্য মানুষ তাকে পরিত্যাগ করে। অশ্লীলতা একটি সামাজিক অবক্ষয়। এর ফলে সামাজিক সম্পর্কের সীমা লঙ্ঘিত হয়। কারণ একজন যদি কারো বাবাকে গালি দেয়, তবে অপরজন তার বাবা-মাসহ সবাইকে গালি দেবে। এতে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। এছাড়া অশালীন ও অশ্লীলভাষী, অশ্লীল পোশাক পরিধানকারী এবং অশ্লীল আচরণকারীকে সবাই ঘৃণা করে। অশ্লীলতা ও অশালীনতা অন্য মানুষকে কষ্ট দেয়। মহানবি (স) বলেছেন, 'তুমি দুর্ব্যবহার এবং অশালীন আচরণ বা কথা বর্জন করবে।' তিনি আরও বলেছেন, প্রকৃত মুমিন সেই, যার কথা ও হাত থেকে অন্য মুসলিম নিরাপদ থাকে (বুখারি)।

ওপরের আলোচনা থেকে প্রমাণিত হয় ইসলামে অশালীনতা এবং অশ্লীলতার কোনো স্থান নেই। অর্থাৎ ইমাম সাহেবের বক্তব্যটি যৌক্তিক।

5 views

Related Questions