1 Answers

হ্যাঁ, আমি ইমাম সাহেবের বক্তব্যের সাথে একমত পোষণ করি।

আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে মদকে হারাম করেছেন। যেমন তিনি বলেন, 'হে মুমিনগণ নিশ্চয় মদ, জুয়া, মূর্তি ও ভাগ্যনির্ধারক তীর শয়তানের অপবিত্র কাজ। কাজেই তোমরা এগুলো থেকে বিরত থাক।' আল্লাহর এ ঘোষণা মদকে হারাম করে। এটি হলো আছল বা মূল। আয়াতে এ যুগের হেরোইন, কোকেন, গাঁজা, ইয়াবা প্রভৃতি সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি। কুরআন হাদিসে- এর প্রত্যক্ষ কোনো সমাধান নেই। সেজন্য এগুলো হলো ফরয়া বা শাখা বিধান।

আরিফের ভ্রান্ত ধারণার পরিপ্রেক্ষিতে ইমাম সাহেব বলেন, হেরোইনে মানুষের চেতনা লুপ্ত হয়। পবিত্র কুরআনে মদকে হারাম করা হয়েছে কেননা তাতে মানুষের চেতনা লুপ্ত হয় আর এ কারণেই চেতনা লুপ্তকারী সকল বস্তুই হারাম। ইসলামের দৃষ্টিতে ইমাম সাহেবের বক্তব্যটি যথার্থ কেননা মদের মধ্যে মাদকতা তৈরির যে গুণ রয়েছে একইভাবে হেরোইন, কোকেন, গাঁজা, ইয়াবার মধ্যেও একই গুণ রয়েছে। তাই যেহেতু আয়াতে মাদকতার জন্য মদ হারাম ঘোষিত হয়েছে সেহেতু হেরোইন, ইয়াবা, গাঁজা ও কোকেন ও মাদকতার সৃষ্টির জন্য মদের হুকুমের ন্যায় হারাম হিসেবে সাব্যস্ত হবে।

উল্লিখিত কারণে আমি ইমাম সাহেবের বক্তব্যকে সমর্থন করি।

5 views

Related Questions