1 Answers

ইমাম সাহেব মদের মাদকতার সাথে ইয়াবার নেশাকে তুলনা। করেছেন। যাবতীয় নেশাজাতীয় দ্রব্যের একটি অভিন্ন বৈশিষ্ট্য রয়েছে। আর সে বৈশিষ্ট্য হলো নেশাজাতীয় দ্রব্য মাদকতা সৃষ্টি করে। নেশাজাতীয় দ্রব্য গ্রহণের ফলে মাদকতার কারণে মস্তিষ্কের বিকৃতিসহ নানা ধরনের অস্বাভাবিকতাও সৃষ্টি হয়। ইয়াবার ক্ষেত্রেও এই বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান।

ইমাম সাহেব যে হাদিসটি উদ্ধৃত করেছেন সেটিতে মদকে হারাম বলা হয়েছে। কুরআন মাজিদেও মদ, সম্পর্কে নির্দেশনা রয়েছে। সুরা মায়েদার ৯০নং আয়াতে বলা হয়েছে, 'হে ইমানদারগণ! নিশ্চয়ই মদ, জুয়া, মূর্তি ও ভাগ্যনির্ধারক তীর শয়তানের অপবিত্র কাজ। সুতরাং তোমরা এগুলো থেকে বিরত থাক।' ইমাম সাহেব কুরআন-হাদিসের এই নির্দেশনাগুলো কিয়াসের আছল হিসেবে গ্রহণ করেছেন। এখন মদের সাথে তুলনা করে তিনি ইয়াবা সম্পর্কিত বিধান অনুসন্ধান করেছেন। অর্থাৎ ইয়াবা হচ্ছে ফরয়া এক্ষেত্রে কিয়াসের ইল্লত হলো মদ ও ইয়াবার অভিন্ন নেশা সৃষ্টিকারী বৈশিষ্ট্য। সেহেতু মদ ও ইয়াবা দুটি বস্তুই নেশার উদ্রেক করে এবং এগুলো নেশা হিসেবে গ্রহণ করায় মস্তিস্ক বিকৃতি ও শরীরে ক্ষতি হয়, তাই ইমাম সাহেব ইয়াবাকে মদের মতোই হারাম বলেছেন। এক্ষেত্রে তার তুলনার পদ্ধতি শরিয়তসম্মত।

ওপরের আলোচনা থেকে বলা যায় কিয়াসের রুকন মেনেই ইমাম সাহেব মদের সাথে ইয়াবাকে তুলনা করেছেন।

4 views

Related Questions