1 Answers
দবিরুল সাহেব ফিকহশাস্ত্রের জ্ঞানের অভাবে নামায এবং ইসলামি শরিয়তের জ্ঞান সম্পর্কে জানতে পারেননি। ইসলামি শরিয়তের বিধি-বিধান সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ জ্ঞানার্জন এবং সুস্পষ্ট ধারণা রাখা প্রত্যেক মুসলমানের জন্যই প্রয়োজনীয়। তবে সাধারণ মুসলমানের জন্য কুরআন-হাদিস অধ্যায়ন করে পূর্ণাঙ্গ ধারণা লাভ করা সম্ভব নয়। এ প্রেক্ষিতেই ফিকহশাস্ত্রের উদ্ভব ও বিকাশ ঘটেছে।
উদ্দীপকে দবিরুল সাহেব সম্পূর্ণ কুরআন অনুবাদসহ অধ্যায়ন করেও নামায় এবং শরিয়তের অন্যান্য বিষয় সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ জ্ঞান অর্জন করতে পারেননি। তার মতো একজন সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত লোকের ক্ষেত্রে এটা স্বাভাবিক। কারণ কুরআন মাজিদ অনুবাদসহ পাঠ করলেই স্পষ্ট ধারণা লাভ করা সম্ভব নয়। কুরআনের আয়াতের সংখ্যা নির্দিষ্ট হলেও এর ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ অত্যন্ত ব্যাপক। আবার আয়াতের মধ্যে কোনোটি আম (সাধারণ অর্থজ্ঞাপক) কোনোটি খাস (বিশেষ অর্থজ্ঞাপক) তাছাড়া কুরআন মাজিদে বিভিন্ন বিধিবিধান অধ্যায় আকারে দেওয়া হয়নি বরং বিক্ষিপ্ত আকারে দেওয়া হয়েছে। এ কারণেই শরিয়তের বিধি- বিধান পূর্ণাঙ্গরূপে জানতে হলে ফিকহশাস্ত্রের জ্ঞান অর্জন করতে হবে। কারণ ফিকহ শাস্ত্রে শরিয়তের চারটি মূল উৎসের আলোকে সহজবোধ্যভাবে বিধিবিধানসমূহ বর্ণিত হয়েছে। সুতরাং বলা যায়, ফিকহশাস্ত্রের জ্ঞান থাকলে দবিরুল সাহেব শরিয়ত সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ জ্ঞান অর্জন করতে পারতেন।