1 Answers

জনাব শামীমের তিলাওয়াত ও তদানুযায়ী আমল ব্যক্তিজীবনে অনেক সুফল বয়ে আনবে। রাসুল (স) বহুসংখ্যক হাদিসে কুরআন তিলাওয়াতের সুফল সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন। রাসুল (স) ইরশাদ করেছেন, 'যে ব্যক্তি কুরআন তিলাওয়াত করে, তা মুখস্থ করে এবং হালালকে হালাল ও হারামকে হারামরূপে জানে আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন এবং তার আত্মীয়-স্বজনের মধ্য থেকে এমন দশ ব্যক্তির জন্য সুপারিশ কবুল করবেন যাদের প্রত্যেকের জন্য জাহান্নাম নির্ধারিত হয়ে গিয়েছিল।' উদ্দীপকে জনাব শামীমের ক্ষেত্রেও এ হাদিসটি প্রযোজ্য হবে। 

জনাব শামীম কুরআন তিলাওয়াত করেছেন এবং সে অনুযায়ী আমল করেছেন। এ কর্মটি তাকে সর্বোত্তম ইবাদতকারীর মর্যাদা দান করবে। তিনি আল্লাহর রহমত ও ব্যক্তিজীবনে প্রশান্তি লাভ করবেন। উল্লিখিত হাদিস অনুযায়ী জনাব শামীম ব্যক্তিজীবনে সঠিক পথ অনুসরণ করে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবেন। এটি একজন ব্যক্তির দুনিয়ার জীবনে সবচেয়ে বড় সফলতা। হাদিসটি অনুসারে তিনি ভালো-মন্দ বিচার করেও সমাজে চলতে পারবেন, যা তাকে ব্যক্তিজীবনে শান্তি দিবে। প্রকৃতপক্ষে শামীমের মতো কুরআন তিলাওয়াতকারীকে আল্লাহ তায়ালা জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্ত রাখবেন, যা রাসুলের হাদিসে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয়।

উপরোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, কুরআন তিলাওয়াতকারীর সর্বাধিক মর্যাদা হাদিসে বর্ণিত আছে। সঠিক তিলাওয়াত ও আমলের মাধ্যমে শামীম সে মর্যাদা লাভ করবেন, যা তার জীবনকে সার্থক করে তুলবে।

5 views

Related Questions