1 Answers
হাদিস ব্যতীত কুরআনের ওপর আমল করা অসম্ভব- সুলাইমানের এ সিদ্ধান্তটি পুরোপুরি যৌক্তিক। হাদিস ইসলামি শরিয়তের দ্বিতীয় উৎস। ইসলামি পরিভাষায় মহানবি (স) এর কথা, কাজ ও মৌন সম্মতিকে হাদিস বলে। হাদিস ও কুরআন মাজিদের মধ্যে সুগভীর সম্পর্ক বিদ্যমান। উদ্দীপকে এটাই ফুটে উঠেছে।
উদ্দীপকের সুলাইমান হাদিসের মাধ্যমে আল কুরআনের ব্যাখ্যা জানতে পারে। তার মতে হাদিস ব্যতীত কুরআন বোঝা অসম্ভব। বস্তুত কুরআনের পর সর্ব প্রকার জ্ঞানের মধ্যে সবচেয়ে উন্নত তথ্য ও তত্ত্বসমৃদ্ধ জ্ঞান হলো হাদিস। কুরআনে যে বিষয়ের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে হাদিসে সে বিষয়েরই বিস্তৃত বর্ণনা স্থান পেয়েছে। হাদিস কুরআন মাজিদের ব্যাখ্যা ও বাস্তব রূপ। সে জন্য হাদিস ছাড়া আল কুরআন বোঝা সম্ভব নয়। আবার কুরআনকে বাদ দিয়ে হাদিসেরও নিজস্ব কোনো মূল্য নেই। তাই হাদিস ও কুরআন পরস্পর নির্ভরশীল সম্পর্কে গ্রথিত। এছাড়াও কুরআন মাজিদ ও হাদিসে প্রবর্তিত বিধানাবলির মধ্যেও রয়েছে চমৎকার মিল। কুরআন যে বিষয়কে সংক্ষেপে বর্ণনা করেছে হাদিস তা বিস্তারিত বর্ণনা করেছে। উদাহরণস্বরূপ দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত সালাত। কুরআনে সালাতের সুনির্দিষ্ট সময়সূচির উল্লেখ নেই। হাদিসে রাসুল (স) সময়সূচি সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
অতএব, উপরের আলোচনায় একথা প্রতিয়মান যে, হাদিস ছাড়া কুরআন বোঝা বা আমল করা অসম্ভব বলে সুলাইমানের সিদ্ধান্ত বাস্তবসম্মত।