1 Answers

উদ্দীপকের পলাশ ও তার বন্ধু তারেক গ্রামের অন্যান্য যুবকদের নিয়ে বনায়ন কার্যক্রম শুরু করে।

কোনো এলাকার বৃষ্টিপাত, তাপমাত্রা, বন্যা, খরা, জলোচ্ছ্বাস ইত্যাদি বনাঞ্চল দ্বারা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয়। তাই সকল এলাকায় পরিবেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য ২৫% বনভূমি থাকা প্রয়োজন। কিন্তু আমাদের দেশে সরকারি হিসেবে প্রকৃত বনভূমির পরিমাণ ১৭.৬২% এবং বেসরকারিভাবে প্রকৃত বনভূমির পরিমাণ ১০% এর কম।

বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে বিশ্বকে বসবাসের উপযোগী রাখার ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য বনায়নের কোনো বিকল্প নেই। গাছ প্রস্বেদনের হার বাড়িয়ে পরিবেশ নির্মল রাখে। বায়ুমণ্ডলের জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বাড়িয়ে আবহাওয়ার চরমভাবাপন্নতা হ্রাস করে। বায়ুমণ্ডলের অতিরিক্ত কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করে জীবকূলের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সরবরাহ করে। শিকড়ের সাহায্যে - ধাতব কণাকে ধারণ করে পানি দূষণ রোধ করে। বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বা গ্রিন হাউস প্রতিক্রিয়া রোধে ভূমিকা রাখে এবং বনজ উদ্ভিদ ভূমির আচ্ছাদন হিসেবে কাজ করে এবং ভূমিক্ষয় রোধ করে। বনাঞ্চল, বায়ু প্রবাহের গতিরোধ করে পরিবেশের বিপর্যয় কমায়। বনাঞ্চল ঝড়ঝঞ্ঝা ও জলোচ্ছ্বাসজনিত ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস করে। বন্য জীবজন্তু, পাখি ও কীটপতঙ্গকে আশ্রয় দেয় এবং খাদ্য যোগায়।

যতবেশি গাছ লাগানো হবে, পরিবেশ ততবেশি সমৃদ্ধ হবে। পরিবেশে বসবাসরত প্রতিটি প্রাণী প্রত্যক্ষভাবে উপকৃত হবে। তাই বলা যায়, পলাশ ও তারেকের গৃহীত কার্যক্রমের গুরুত্ব অপরিসীম।

4 views

Related Questions