3 Answers

কলোম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞদের মত, দিনে ৬-৭বার প্রস্রাব স্বাভাবিক। দু’বার বেশি বা কমও হতে পারে। তারা এও বলছেন, প্রস্রাব কম বা বেশি হওয়ার জন্য দায়ী আরও কিছু বিষয়। যেমন –

ত্বকের ধরন

নিজেই যাচাই করে দেখতে পারেন বিষয়টি। যদি শরীরে ঘামের পরিমাণ বেশি হয়, প্রস্রাব বেশি হবে না। তার কারণ, এ ক্ষেত্রে কিন্তু শরীরের পানি রোমকূপ দিয়ে বেরিয়ে যাবে। ফলত, প্রস্রাবের বদলে পানি বেরনোর বিকল্প প্রক্রিয়া কিন্তু ঘাম। ঠিক একইভাবে ঘাম কম হলে শরীরের পানি প্রস্রাবের মাধ্যমে বেরিয়ে আসবে। স্বাভাবিকভাবেই পরিমাণটা বাড়বে।

বাসস্থান

প্রস্রাব হওয়ার পিছনে অন্যতম প্রধান কারণ হতে পারে ভৌগোলিক অবস্থান। যেসব জায়গায় আর্দ্রতা বেশি, সেসব জায়গায় প্রস্রাব কম। কারণ সেখানে শরীরের অর্ধেক পানি ঘাম হয়ে বেরিয়ে যায়। অন্যদিকে শুষ্ক অঞ্চলে ঘাম কম, তাই প্রস্রাব বেশি।

জীবিকা

যে ব্যক্তি সারাদিন AC ঘরে বসে কাজ করেন, তার প্রস্রাবের পরিমাণ বেশি। কিন্তু যাকে রাস্তায় বেরিয়ে কাজ করতে হয়, সেই ব্যক্তির ঘাম অনেকবেশি। প্রস্রাব কম।

তরল পান

তরল খাওয়ার পরিমাণের উপর নির্ভর করে প্রস্রাব। যে ব্যক্তি প্রতিদিন ৫ লিটার পানি পান করেন, হিসেব করে তার ১০ বার প্রস্রাব হওয়ার কথা। যিনি এর চেয়ে কম পানি পান করেন, তার আরও কম প্রস্রাব হওয়ার কথা। তবে ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় খেলে স্বাভাবিকভাবেই প্রস্রাব বেশি হয়। কেননা, এই ধরনের পানীয় মূত্রথলিকে উত্তেজিত করে।

 ~~~সংগৃহীত 

    
3149 views

১১ বারকে স্বাভাবিক ধরা হয়

3149 views

ভারতের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষঙ্ঘরা বলছে দিনে ৯ থেকে ১২ বার প্রস্রাব করা স্বাভাবিক। আবার আবহাওয়ার কারনেও প্রস্রাব বেশি বা কম হতে পারে।

3149 views