2 Answers
জাতক এর গঠনশৈলী বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, প্রত্যেকটি
জাতক প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত: ক. প্রত্যুৎপন্নবস্তু খ.
অতীত বস্তু বা মূল আখ্যান এবং গ, সমবধান।
প্রত্যুৎপন্নবস্তু : জাতকের প্রথম অংশের নাম প্রত্যুৎপন্নবস্তু। একে বর্তমান
কথাও বলা হয়। এই অংশে বুদ্ধ কার উদ্দেশ্যে, কী উপলক্ষে কাহিনীটি বলেছিলেন তার বর্ণনা রয়েছে। এই অংশটিকে জাতকের উপক্রমনিকা বা ভূমিকাও বলা হয়।
অতীতবস্তু:
জাতকের দ্বিতীয় অংশ হলাে অতীতবস্তু। এই অংশে ভগবান বুদ্ধের অতীত জন্মবৃত্তান্ত এবং সে সময়কার বিভিন্ন ঘটনাবলি বর্ণিত আছে। এই অংশটিই প্রকৃত জাতক কাহিনী। তাই একে মূল আখ্যায়িকাও বলা হয়।
সমবধান:
জাতকের তৃতীয় অংশের নাম সমবধান। জাতক কাহিনীতে বর্নিত পাত্র এবং গৌতম বুদ্ধ যে অভিন্ন তা প্রদর্শন করাই এই অংশের উদ্দেশ্য। এই অংশকে সমাধানও বলা হয়।
(রেফারেন্স: সপ্তম শ্রেণী বৌদ্ধধর্ম পাঠ্যবইয়ের নবম অধ্যায়)