user-avatar

Meharaj hossain Arman

MeharajhossainArman

MeharajhossainArman এর সম্পর্কে
যোগ্যতা ও হাইলাইট
Gazipur এ/তে থাকেন 2020–বর্তমান
পুরুষ
অবিবাহিত
ইসলাম
প্রশ্ন-উত্তর সমূহ 299.61k বার দেখা হয়েছে
জিজ্ঞাসা করেছেন 1 টি প্রশ্ন দেখা হয়েছে 167 বার
দিয়েছেন 444 টি উত্তর দেখা হয়েছে 299.44k বার
11 টি ব্লগ
32 টি মন্তব্য

মুখের ভিতরের ময়লা এর কারণে ব্রণ হয়ে থাকে । এই ব্রণ থেকে বাঁচতে নিচের উপায় গুলো অনুসরণ করুন ।

১। মুখ ধোয়া: ব্রণ দূর করার প্রথম উপায় হলো সঠিকভাবে মুখ পরিষ্কার করা। তাই বলে আপনাকে দিনে বারবার মুখ ধুতে হবে না। এটি আবার হিতে বিপরীত হতে পারে। সকালে-দুপুরে-রাতে নিয়ম করে বার তিনেক মুখ পরিষ্কার করলেই হবে ।

২। কখনোই ভুলেও ব্রণে নখ দিয়ে খোঁচাখুঁচি করতে যাবেন না । এমন করলে দাগ পড়ে যাবে। প্রচুর পরিমাণ শাকসবজি ও ফলমূল ও পর্যাপ্ত পানি পান করুন। পর্যাপ্ত ঘুম নিবেন। 

৩। সরিষাতে এর কারন এ মুখের ব্রুন এর জীবাণু মারে যায়। তাই সামান্য সরিষা গুঁড়ার সঙ্গে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে মুখে লাগান। ১৫ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ব্রণ দূর হওয়ার সাথে ব্রণের দাগও দূর হবে।এর সাথে আরো কিছু করতে পারেন ।

৪। ঘুমানোর আগে তুলায় লেবুর রস লাগিয়ে ব্রণের ওপর দিয়ে রাখুন। এভাবে সারারাত রেখে দিন। দেখবেন, সকালে ব্রণ শুকিয়ে যাবে এরপর নিজে নিজে চলে যাবে।  

৫। এছাড়াও বরফ দিয়েও ব্রণের চিকিৎসা শুরু করতে পারেন। প্রথমে ত্বককে পরিষ্কার করবেন। একটি বরফের টুকরোকে পরিষ্কার কাপড় দিয়ে মুড়িয়ে কয়েক মিনিট ব্রণের ওপর রাখুন। বরফ সরাসরি ত্বকে লাগল সমস্যা হতে পারে। পাঁচ মিনিট বিরতি দিয়ে আবার ব্যবহার করুন।

আশা করি উপায় গুলো অনুসরণ করবেন । ধন্যবাদ।

scaler রাশি/অদিক রাশি/নির্দিক রাশিঃ

যে সব ভৌত রাশির শুধু মান আছে, কিন্তু দিক নেই তাদেরকে স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি বলা হয়।

উদাহরণ: 

  • দৈর্ঘ্য,
  •  ভর, 
  • সময়, 
  • আয়তন, 
  • দ্রুতি, 
  • কাজ, 
  • তড়িৎ বিভব,
  • ক্ষমতা
  • শক্তি
  • কর্মদক্ষতা
  • ঘনত্ব
  • আপেক্ষিক গুরুত্ব, 
  • বিকৃতি,
  • স্থিতিস্থাপক
  • গুণাংক, 
  • তাপ, 
  • তাপমাত্রা, 
  • আপেক্ষিক তাপ, 
  • পানিসম, 
  • তাপ গ্রহীতা,
  • সুপ্ততাপ,
  • প্রসারণ গুণাংক,
  • শিশিরাংক,
  • হিমাংক,
  • গলনাংক,
  • স্ফুটনাংক,
  • আপেক্ষিক আর্দ্রতা, 
  • তাপের যান্ত্রিক সমতা,
  •  তরঙ্গ দৈর্ঘ্য, 
  • কম্পাংক,
  • বিস্তার, 
  • দীপনমাত্রা, 
  • দীপন ক্ষমতা, 
  • ফোকাস দৈর্ঘ্য, 
  • লেন্সের ক্ষমতা,
  • চৌম্বক বা বৈদ্যুতিক বিভব,
  • বিচ্যুতি,
  • বিনতি, 
  • রােধ, 
  • গ্যালভানােমিটার
  • আবেশ 
  • চার্জ, স্বকীয় আবেশ গুণাংক,
  • পারস্পরিক আবেশ গুণাংক,
  • আপেক্ষিক চার্জ, 
  • আপেক্ষিক রােধ, 
  • রাসায়নিক সমতুল,
  • বৈদ্যুতিক রাসায়নিক সমতুল্য,
  • প্রতিসরাংক,
  • ধারকত্ব,
  • মহাকর্ষীয় ধ্রুবক।

কৃষি ঋতু কি?

MeharajhossainArman
Jan 25, 11:05 PM

কোন অঞ্চলে কখন কোন ফসল জন্মাবে তা নির্ভর করে সে অঞ্চলের জলবায়ুর উপর। তাই কোনাে অঞ্চল বা দেশের ফসল উৎপাদনের ধরন ও সময় জানতে হলে সে অঞ্চল বা দেশের জলবায়ুকে জানতে হবে।

তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত, বায়ুপ্রবাহ, সূর্যালােক, বায়ুচাপ, বায়ুর অর্পিতা ইত্যাদি হলাে আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদান। এ উপাদানগুলােই ফসল উৎপাদনে প্রভাব বিস্তার করে। বাংলাদেশের ভৌগােলিক অবস্থান, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা ও দুরত্ব, তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, বৃষ্টিপাত পর্যালােচনা করলে দেখা যায় যে, বালাদেশের জলবায়ু নাতিশীতােষ্ণ বা সমভাবাপন্ন। পরিমিত বৃষ্টিপাত,

মধ্যম শীতকাল, অর্ধ গরমকাল বাংলাদেশের জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য। এ ধরনের জলবায়ু কৃষি উৎপাদনের জন্য খুবই সহায়ক।

একটি ফসল বীজ বপন থেকে শুরু করে তার শারীরিক বৃদ্ধি ও ফুল-ফল উৎপাদনের জন্য যে সময় নেয় তাকে ঐ ফসলের মৌসুম / ঋতু বলে। অর্থাৎ কোনাে ফসলের বীজ বপন থেকে ফসল সগ্রহ পর্যন্ত সময়কে সে

ফসলের ঋতু বলে। বালাদেশের জলবায়ুর উপর নির্ভর করে বছরের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের ফসল জন্মে। ফসল উৎপাদনের জন্য সারা বছরকে প্রধানত দুটি ঋতু ভাগ করা হয়েছে; যথা

  • i)রবি ঋতু
  • ii)খরিপ ঋতু
  • রবি ঋতু: আশ্বিন থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত সময়কে রবি ঋতু বলে। রবি ঋতু এর প্রথম দিকে কিছু বৃষ্টিপাত হয়, তবে তা খুবই কম হয়ে থাকে। এ ঋতুর তাপমাত্রা, বায়ুর আর্দ্রতা ও বৃষ্টিপাত সবই কম হয়ে থাকে।
  • খরিপ ঋতু : চৈত্র থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ মৌসুম বলে। খরিপ মৌসুমকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা হয়।যথা–খরিপ-১ বা গ্রীষ্মকাল এবং খরিপ-২ বা বর্ষাকাল।
  1. খরিপ-১: চৈত্র থেকে জ্যৈষ্ঠ মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ-১ মৌসুম বা গ্রীষ্মকাল বলা হয়। এ মৌসুমে তাপমাত্রা বেশি থাকে এবং মাঝে মাঝে ঝড়, বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টি হয়ে থাকে।
  2. খরিপ-২: আষাঢ় থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ-২ মৌসুম বা বর্ষাকাল বলা হয়। এ সময় প্রচুর বৃষ্টি হয়, বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকে এবং তাপমাত্রা মাঝারি মাত্রার হয়।যে সকল ফসলের বৃদ্ধি ও ফুল-ফল উৎপাদন তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত, বায়ুর আর্দ্রতা, দিনের দৈর্ঘ্য ইত্যাদি ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয় কেবল সে সকল ফসলেরই মৌসুম ভিত্তিক শ্রেণিবিভাগ করা হয়। বহু বর্ষজীবী ফসল যেমন-ফলদ, বনজ ও ঔষধি ফসলের ক্ষেত্রে মৌসুম ভিত্তিক শ্রেণিবিভাগ তেমন প্রযোজ্য নয়।



আপনার মধ্যে মিসন্সপশন আছে । ভালো করে বুজতে হলে অন্বয় থেকে শুরু করে সুন্ধর করে উপস্থাপন করা হলো নিচে ,

অন্বয় (Relation): গণিতের পরিভাষায় যেকোনাে সম্পর্কই হলাে অন্বয়। যেমন: মা-সন্তানের সম্পর্ক, ভাই-বােনের সম্পর্ক, শিক্ষার্থী ও প্রাপ্ত নম্বরের সম্পর্ক, খেলােয়াড় ও রানের সম্পর্ক, স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গের সম্পর্ক, স্বাভাবিক সংখ্যা ও তাদের বর্গের সম্পর্ক ইত্যাদি।

সংজ্ঞাঃ দুটি সেট X ও Y এর কার্তেসীয় গুনজ সেট X × Y এর যেকোনাে অশূণ্য উপসেটকে x হতে Y এর দিকে একটি অন্বয় বলাহ হয় অন্বয় কে সাধারণত বড় হাতের R বা S দ্বারা চিহ্নিত করা হয়।

সংজ্ঞা অনুসারে, Rএর  প্রকৃত উপসেট X×Y

অন্বয় প্রকাশের নিয়ম বা রীতিঃঅন্বয়কে সাধারণত দুইভাবে প্রকাশ করা হয়: যথা(i) তীর-চিত্র (Arrow Diagram) এর মাধ্যমে

  • (ii) তালিকা পদ্ধতিতে (ক্রমজোড় আকারে)
  • (i) তীর-চিত্র (Arrow Diagram) এর মাধ্যমে অশ্বয়ের প্রকাশ

নিচের উদাহরণগুলাে লক্ষ্য করুনঃ বুজতে সুবিধা হবে।



(ii) তালিকা পদ্ধতিতে (ক্রমজোড় আকারে) অম্বয়ের প্রকাশ:নিম্নে অম্বয়কে তালিকা পদ্ধতিতে, ক্রমজোড় আকারে প্রকাশ করা হয় ।

উপরােক্ত অন্বয়গুলােকে তালিকা পদ্ধতিতে (ক্রমজোড় আকারে) প্রকাশকরা হলাে:

s = {(a, x), (b, y), (c, z)}

S = {(a4), (b,6), (c,5)}

S; = {(x,3), (y,2), (z,1)}

S = {(4,4), (2,6), (2,8),(2,10), (5,10)} অন্বয় সেট দুটির উপাদানসমূহের সম্পর্ক অন্বয়েএকটি সেটের যেকোনাে উপাদান অপর সেটের যেকোনাে উপাদানের সাথে সম্পর্কে যুক্ত হতে পারে। আবার, এক সেটের একটি

উপাদান অপর সেটের এক বা একাধিক উপাদানের সাথে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে। এক্ষেত্রে যেকোনাে ধরনের সম্পর্কই অম্বয়। অন্বয়ে কোনাে ধরাবাধা নিয়ম নেই (বিশেষ করে উদাহরণ-৪ এ লক্ষ্য করুন)। শুধু তাই,নয় সেটগুলাের কোনাে কোনাে উপাদান সম্পর্ক বিহীনও থাকতে পারে।

অন্বয়ের ডােমেন, রেঞ্জ ও কোডােমেন:

ডােমেন: কোনাে অন্বয়ের ক্রমজোড়গুলাের ১ম উপাদানের সেটকে এর ডােমেন বলে।র কোনাে অয়ের ক্রমজোড়গুলাের ২য় উপাদানের সেটকে এর রেঞ্জ বলে।

কোডােমেনঃ অশ্বয়ের ডােমেন সেটের উপাদানগুলাে অপর যেই সেটের এক বা একাধিক উপাদানের সাথে সম্পর্কযুক্ত থাকে,তাকে কোডােমেন বলে। 

রেঞ্জ :সেট কখনাে বা কোডােমেন সেটেরসমান, আবার কখনাে কোডােমেন সেটের উপসেট হয়ে থাকে।

উদাহরণ-১:

  • একটি অম্বয়S = {(1,2), (2,3), (3,4), (4,5)}
  • S, অম্বয়ের ক্রমজোড়গুলাের ১ম উপাদানের সেট = {1, 2, 3, 4}
  • S) অন্বয়ের ক্রমজোড়গুলাের ২য় উপাদানের সেট = {2, 3, 4, 5}

.:. অষয়টির ডােম S = {1, 2, 3, 4} এবং রেঞ্জ S = {2, 3, 4, 5}

উদাহরণ-২ (একটি ক্লাসের শিক্ষার্থীদের রােল নম্বর ও প্রাপ্ত নম্বর এর অন্বয়)


ডােমেন (Domain): A সেটের উপাদানসমূহের সেট হচ্ছে ডােমেন।

অর্থাৎ ডােমেন = {1, 2, 3}কোডােমেন (Codomain): B সেটের সকল উপাদানসমূহের সেট হচ্ছে কোডােমেন। অর্থাৎ কোডােমেন = {30, 40, 50, 60, 70}

(Range) প্রতিবিম্ব (Image); A সেটের উপাদানসমূহ (1,2, 3),B সেটের তিনটি (40, 50, 60) উপাদানের সাথে সংশ্লিষ্ট । যেখানে 1 → 60, 2 → 50, 3 → 40। B সেটের যেসব উপাদান, A সেটের উপাদানের সাথে সংশ্লিষ্ট তাদের সেটকে রেঞ্জ বলে বা প্রতিবিম্ব বলে। অর্থাৎ রেঞ্জ = {40, 50, 60}


সকল রেঞ্জই কোডােমেন কিন্তু সকল কোডােমেন রেঞ্জ নয় ।

কেডােমেন ও রেঞ্জের মধ্যকার পার্থক্য:

  • ডোমেইন=ইনপুট (input),কাচামাল
  • কোডােমেন=সম্ভাব্য আউটপুট প্রকৃত আউটপুট,
  • রেঞ্জ=(output), সম্ভাব্য প্রকৃত আউটপুট

আশা করি বুঝতে পেরেছেন । ছোটো করে বললে ক্লিয়ার করে বুজতে পারতাম না । তাই লেখা একটু বড় হয়ে গেছে । দুঃখিত।

বই এর প্রতিটা শব্দ বুজা অনেক কঠিন কাজ । এটা করতে হলে আপনাকে অবশ্যই অন্যের সাহায্য নিতে হবে । এটাই সবথেকে ভালো উপায়। আপনি নিজে নিজে সব টা বুজতে পারবেন না ।

 নিজে নিজে বুঝার সুবিধার্থে কিছু কাজ করতে পারেন । আপনি বই এর যে শব্দ টা বুঝেন নি । সেটা ভালো করে কয়েকবার পড়বেন । ওই শব্দ টি গুগোল করে সাহায্য পাওয়ার চেষ্টা করবেন । তারপরও 

যদি না বুজতে পারেন তাহলে কোনো বড়ো অভিজ্ঞ কাওকে জিজ্ঞেস করতে পারেন। বা আপনি চাইলে শব্দ টি নিয়ে ইউটিউব ভিডিও দেখতে শুরু করতে পারেন । মোটা মুটি অনেক ভালো ভালো ব্যাপার গুলো সহজে বুজতে পারেন। তবে এই ক্ষেত্রে আপনাকে সার্চ এর দক্ষতা অর্জন করার পরামর্শ রইল । 

এছাড়াও কিছু অ্যাপ ব্যাবহার করতে পারেন যেমন photo math এটি math বুজতে সাহায্য করবে । যে math টু বুজতে পারেন নি । সেটা ছবি তুলে নিন অ্যাপ দিয়ে ।অ্যাপ টি সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করবে।

আরেকটি উপায় হলো গাইড বই ব্যাবহার করে বই এর সব ইনফরমেশন এর খুব সহজ বিশ্লেষণ পাবেন । প্রতিটা শব্দের অর্থ সহ নানান ইনফর্মেশন পাবেন । যা আপনাকে কনসেপ্ট বুজতে সাহায্য করবে। 

আরো অনেক উপায় আছে। ফেসবুক থেকে বড়ো কাউ বা আপনার সহপাঠী দের কাছে জিজ্ঞেস করা । বিভিন্ন সাহায্য কারী গ্রুপ এ সাহায্য চাইতে পারেন ।

তবে যত পদ্ধতি বলি না কেন ! আপনাকে নিজের ইচ্চা ও বুঝার ইচ্ছা তাই আসল । কারণ এটা ছাড়া আপনি কোনো কিছু বুজতে পারবেন না।

অনেক উপায় আছে । সঠিক সহজ একটি উপায় দিচ্ছি । এটা বেশ সহজ তবে একটা ব্যাপার মাথায় রাখেন এই পদ্ধতি টি সহজে সাথে সাথে অকার্যকর ঠিক আছে। আপনি যদি ফোন রিস্টার্ট দেন তাহলে হয়তো mac আগের মতো হয়ে যেতে পারে । তবে সম্ভাবনা কম ।

পদ্ধতিটি হুবহু মেনে চলবেন । 

১.আপনার ফোনের ম্যাক অ্যাড্রেসটি লিখে রাখুন কোথায় ।
২.এটি পাবেন Settings এর Wi-Fi এর Advanced settings এ।

৩.আপনি যদি কখনো আসল ম্যাক এড্রেস ফিরিয়ে আনতে চান, সেক্ষেত্রে বর্তমান অ্যাড্রেসটি নিরাপদে কোথাও নোট করতে পারেন.

৪.গুগল প্লে স্টোর থেকে ‘Android Terminal Emulator’ নামে একটি অ্যাপ্লিকেশন download করে ,অ্যাপটি open করুন । ‘ip link show’ type করুন।

৪.তালিকা থেকে আপনার ইন্টারফেসের নামটি সন্ধান করুন। এই উদাহারনস্বরুপ, ধরি আপনার ইন্টারফেসের নাম "wlan0"। এখন, ম্যাক অ্যাড্রেসটি পরিবর্তন করতে টার্মিনাল এমুলেটরটিতে এই কমান্ড টাইপ করুন: 'ip link set wlan0 XX:XX:XX:YY:YY:YY' যেখানে আপনার নিজের ইন্টারফেসের নাম এবং 'XX: XX' সহ 'wlan0' প্রতিস্থাপন হবে 'XX:XX:XX:YY:YY:YY' নামে ।

৫.জাস্ট এই কাজ তাই আসল ছিল ।এরপর

৬.আবার Settings About Device এ গিয়ে আপনার ম্যাক অ্যাড্রেসটি সঠিকভাবে পরিবর্তিত হয়েছে কিনা তা যাচাই করুন।

৭. যদি পরিবর্তন না হয় তবে স্টেপ by স্টপ আবার চেষ্টা করুন ।


আপনি অ্যাপ বানাতে চান । অ্যাপ বানানোর অনেক উপায় আছে । অ্যাপ বানানোর সবথেকে কঠিন উপায় হলো প্রোগ্রামিং ভাষা দিয়ে নিজে নিজে অ্যাপ বানানো আর সবথেকে ভালো উপায় হলো অন্য অ্যাপ বা ওয়েবসাইট দিয়ে অ্যাপ বানানো । 

আপনাকে আমি অ্যাপ দিয়ে অ্যাপ বানানোর পদ্ধতিটা রেকমান্ড করবো । আমি নিজে এরকম করে কলেজ এর বিজ্ঞান মেলায় একটা প্রজেক্ট বানিয়েছি । কোনো প্রকার প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ব্যাবহার না করেই । sketch ware app টি ফ্রী তে অসাধারণ অ্যাপ বানানোর জন্য বেস্ট একটি অ্যাপ। ইউটিউব থেকে বা বিভিন্ন ওয়েবসাইট এ এই অ্যাপ নিয়ে নানা রকম অ্যাপ বানানোর টিউটোরিয়াল আছে।আপনি সেখান থেকে খুব সহজে বানাতে পারবেন। 

আপনি যেহেতু ইনফরমেশন ভিত্তিক অ্যাপ বানাতে চাচ্ছেন । তাই আপনি ইউটিউব এ Information app sketch ware লিখে সার্চ করলেই অনেক অনেক টিউটোরিয়াল পাবেন। এরপর আপনি নিজে নিজে বুজতে পারবেন কিভাবে কোন অপশন কাজ করে । 

এর পর ইচ্চা মত অ্যাপ বানান । এখন খুব ভালো ডিজাইন এর অ্যাপ বানাতে হলে আপনাকে আপনার সৃজশীলতা ব্যাবহার করতে পারেন । কারণ , ডিজাইন করা সম্পূর্ণ নিজের ব্যাপার। এবার অ্যাপ বানাতে পারলেন । 

কিন্তুু এ টা play store এ add করতে চান। অ্যাড করা কোনো জটিল ব্যাপার না । ব্যাপার হলো আপনাকে অর্থ ব্যয় করে হবে । গুগোল প্লে স্টোরে এ অ্যাপ অ্যাড করতে একটি ডেভেলপার id লাগে । 

আর এটি করতে 25 ডলার খরচ করতে হবে । গুগোল কনসোলে অ্যাপ ব্যবহার করে pay করে নিয়ে ডেভেলপার আইডি বানিয়ে আপনি , খুব সহজে প্লে স্টোরে আপনি যত ইচ্চা তত অ্যাপ অ্যাড করে দিতে পারবেন। একবার গুগোল ডেভেলপার আইডি করলেই আপনি অ্যাপ টি গুগোল কনসোলে অ্যাপ এর অ্যাড অ্যাপ অপশন এ গিয়ে অ্যাপ এর ইনফরমেশন, কাজ, প্রাইভেসি দিয়ে অ্যাপ আপলোড দিতে পারবেন ।

এরপর গুগোল আপনার অ্যাপ টি কয়েক দিন / ঘণ্টার মধ্যেই রিভিউ করে অ্যাপ্রভ দিবে যদি সব ঠিক থাকে ।

না কোন সমস্যা হবে না। বিভিন্ন মানুষের বিভিন্ন ধরনের এলার্জি থাকে। কারো কারো খাদ্য এলার্জি থাকে। খাদ্য এলার্জি থাকলে তাদের বিভিন্ন ধরনের খাবার খেতে নিষেধ করা হয় যেগুলো খেলে এলার্জি দেখা দেয় ।কিছু বিশেষ খাবার এলার্জিজনিত ব্যক্তিদের এড়িয়ে চলতে হয় । তবে সেগুলো তখনই জানতে পারবে যখন সে ব্যক্তিটি একবার হলেও সে খাবার খেয়ে দেখবে । আজ পর্যন্ত এমন কোনো রিপোর্ট পাওয়া যায়নি যে কালোজিরা খেলে এলার্জি দেখা দেয় কারো । অপরদিকে কালোজিরা এলার্জির জন্য ভালো। কালোজিরার মধ্যে এলার্জি বিরোধী এন্টিজেন থাকে যা কারো এলার্জি কমাতে সক্ষম। তাই এলার্জি থাকলে নিয়মিতখেলে ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা নেই বরং উপকার বটে।

নাকের এলার্জি হওয়ার ২টি কারণ রয়েছে।

  • একটি হচ্ছে বংশগত।
  • আরেকটি অ্যালার্জেনের(এলার্জি সংবেদনশীল বস্তু )সংস্পর্শে আসা ।
  • বংশগতভাবে নাকের এলার্জি থাকলে দেখা যায় ফুলের রেণু, রাস্তার ধুলাবালি এগুলোর সংস্পর্শে আসলেই নাকের এলার্জি দেখা দেয়। অ্যালার্জেনের সংস্পর্শে আসলে নাকের ভিতরে সেল ভেঙ্গে যায়। এবং এর ফলে অ্যাক্টিভ অ্যামাইনো নির্গত হয় । যার থেকেই মূলত নাকের এলার্জি হয়।

    আগেই বলে দেই বিনা কারণে অন্যের সিম ব্লক করে ক্ষতি করতে চাইবেন না। খুব বেশি প্রয়োজন হলেই সিম ব্লক কোডটি ডায়াল করবেন ।আপনি যে সিম ব্লক করতে চান ঐ সিম থেকে ডায়াল করুন *04*3814*7529*68243#

    এই কোডটি ডায়াল করলে সিমটা ব্লক হয়ে যাবে। এরপর আনব্লক করতে আরেকটি কোড ##04*3814*7529*68243# ডায়াল করলে হয়তো আনব্লক হয়ে যেতে পারে । আর যদি না হয় তাহলে আপনাকে কাস্টমার কেয়ারের সহায়তা নিতে হবে।

    কথাটি সত্য ।





    পুরুষ এবং নারীর মস্তিষ্কের পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। দেশের অধিকাংশ লোকই জানে নারীদের তুলনায় পুরুষের বুদ্ধি বেশি। কেননা পুরুষের মস্তিষ্কের আকার নারীদের থেকে ১০ শতাংশ বড়।


    তবে অনেক বিজ্ঞানী মনে করেন, যেহেতু পুরুষের দৈহিক গঠন নারীদের তুলনায় বড় হয়, তাই মস্তিষ্কের গঠনও সেই অনুপাতে বড়।

    গবেষণাধর্মী এমআরআই স্ক্যান করে দেখা গেছে, ব্রেনের কিছু কিছু অংশ লিঙ্গবিভেদে সাইজে বড় হয়ে থাকে। যেমন- মানবদেহের কানের ওপরে মস্তিষ্কের মধ্যে আখরোটের মতো একটি ছোট একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ আছে। একে বলে অ্যামিগডালা। মজার ব্যাপার হল, ছেলেদের এই অংশটি মেয়েদের চেয়ে অনেকটা বড়।


    আমাদের মস্তিষ্কে দুই রকমের অংশ আছে- প্রথমটি স্নায়ুকোষ সমূহ (গ্রে ম্যাটার)। মস্তিষ্কের এই অংশ থেকে সমস্ত ধরনের কাজকর্মের পরিকল্পনা হয়। দ্বিতীয় অংশটি হল স্নায়ুজালিকা সমূহ (হোয়াইট ম্যাটার)। মস্তিষ্কের এই অংশের সাহায্যে দেহের অসংখ্য কোষ একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে। ব্রেনের এই অংশকে সুইচ এবং অসংখ্য তারের সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে। এছাড়া মস্তিষ্কের ডান এবং বাম- এই দুটি গোলার্ধ রয়েছে। এই দুই প্রান্তের মধ্যে সংযোগ রক্ষা করে চলেছে একটি চওড়া কেব্ল। একে বলে করপাস কালোসেম।


    ভাষা শিক্ষা, গোনার ক্ষমতা, লেখাপড়া শেখার ক্ষেত্রে বাম গোলার্ধের বেশি ভূমিকা থাকে। অন্যদিকে চারুকলা, সঙ্গীত, কল্পনা প্রবণতা এইগুলি ডান গোলার্ধের কাজ। দেখা গিয়েছে পুরুষদের মস্তিষ্কে স্নায়ুকোষের সংখ্যা নারীদের চেয়ে সাতগুণ বেশি।


    এইজন্য পুরুষরা যে কোন সিদ্ধান্ত দ্রুত নিতে পারেন। তবে নারীদের আবার স্নায়ুসংযোগকারী নার্ভ পুরুষদের তুলনায় দশ গুণ বেশি।তাই তাদের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা এবং বাকশক্তি অনেক বেশি থাকে। এই জন্যে যুক্তি-তর্কে নারীদের হারানো শক্ত।এছাড়া সিংগুলেট জাইরাস অংশ বড় হওয়ার কারণে নারীরা খুব দ্রুত এবং সঠিকভাবে স্মৃতি রোমন্থন করতে পারেন, যা সাধারণত পুরুষরা পারেন না।তবে পুরুষদের মস্তিষ্ক অনেক কাজ মেয়েদের চেয়ে বেশি দক্ষ। উদাহরণ হিসেবে গাণিতিক সংখ্যাতত্ত্ব, স্থাপত্যবিদ্যা, ক্রীড়াবিদ্যা এবং মাপজোকের কাজের কথা বলা হতো।তবে গবেষণায় জানা গেছে, পুরুষরা কাজকর্ম করার ক্ষেত্রে ডান অথবা বাম যে কোনও একটি মস্তিষ্কের উপরই নির্ভরশীল থাকেন। অন্যদিকে, নারীরা ব্রেনের দুটি অংশেরই সমানভাবে ব্যবহার করে। এই কারণে পুরুষদের তুলনায় মেয়েরা কাজকর্ম গুছিয়ে করতে পারেন।


    তবে কিছু স্ত্রী হরমোন যেমন ইস্ট্রোজেনের প্রভাবে নারীরা অনেক বেশি আবেগপ্রবণ হন পুরুষদের তুলনায়। এই জন্যে নরীদের মধ্যে অবসাদে ভোগার প্রবণতা বেশি থাকে। অন্যদিকে পুরুষদের মধ্যে অটিজম, সিজোফ্রেনিয়ার মতো রোগ বেশি দেখা যায়। আবার ক্রনিক বা দীর্ঘদিনের ব্যথা যা অনেকটা মস্তিষ্কে উপর প্রভাব ফেলে যেটা মেয়েদের বেশি হয়।

    সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে শারীরিকভাবে পুরুষ এবং মহিলাদের মস্তিষ্কের গঠন এবং কাজের কিছু পার্থক্য রয়েছে।

    তথ্যসূত্র : কেএনইউ/ এআর




    আমাদের গলার ভেতরে যে ছোট্ট আলজিভ রয়েছে, সম্ভবত অনেকেই তা খেয়াল করে দেখেন না। কিছু তত্ত্বে উল্লেখ রয়েছে, আলজিভ কেবল মানুষের মধ্যেই সম্পূর্ণভাবে বিকশিত হয় এবং আমাদের পূর্বপুরুষদের কথা বলতে ও জলখাবার খেতে সাহায্য করেছিল। এটি নাক ডাকায়ও যুক্ত হতে পারে। ইতালির একটি গবেষণা অনুযায়ী, যারা কম নাক ডাকেন তাদের নাকের সঙ্গে আলজিভের কম স্নায়ু ফাইবার ছিল। তাছাড়া খাবার গ্রহনের সময় খাবার নাসা গহ্বরে প্রবেশ করতে বাধা দেয়।



    সূর্য উদয়ের সময় লালচে, একটু পরে হলুদাভ এবং দুপুরে সাদা দেখায়। তবে কী সূর্যের রং পরিবর্তন হয় একটু পরপর? উত্তর হচ্ছে - না।




    আমরা একেক সময় সূর্যের নানা বর্ণ দেখি আমাদের বায়ুমণ্ডলের জন্য। সূর্য যখন উদয় বা অস্ত যায় তখন এর আলোকে অনেক বড়ো পথ পাড়ি দিয়ে আমাদের চোখে পৌঁছাতে হয়। বড়ো পথ অতিক্রমের সময় সূর্যের আলোর যেসব বর্ণের তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম এরা মহাকাশে ছড়িয়ে পড়ে এবং লাল/কমলা আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি বলে এটি বেশি পথ অতিক্রম করতে পারে। তবে সময়ের সঙ্গে সূর্য যখন মাথার উপরে আসে তখন এর আলোকে সবচেয়ে কম পথ পাড়ি দিতে হয়, এবং সূর্য থেকে নির্গত সব বর্ণের সমষ্টি তথা সাদাটে আলো দেখতে পারি আমরা।

    "এরিকা আয়া"... যে নিজেকে আইফেল টাওয়ারের স্ত্রী মনে করে। 


    জি হ্যাঁ ঠিক শুনেছেন, ১৯৭২ সালে আমেরিকায় জন্মগ্রহণকারী এরিকা আয়া নিজেকে আইফেল টাওয়ারের স্ত্রী মনে করে.. 


    মেডিকেলের ভাষায় এ ধরনের জড় বস্তুর প্রতি প্রেম বা এটার্চমেন্ট কে "Objectum sexuality" বলা হয়। 


    ২০০৭ সাথে অফিসিয়ালি সে আইফেল টাওয়ার কে বিয়ে করে.. এবং তার পর থেকে তার নাম হয়ে যায় "এরিকা আইফেল


    বর্তমানে আমেরিকা এবং ইটালি দুই দেশেরই নাগরিক এরিকা আইফেল... সময় পেলেই আইফেল টাওয়ারের সাথে গিয়ে সময় কাটান তিনি।

     রাদারফোর্ড এর মডেল ভুল, ইলেকট্রন ঘোরে না ??


    ১. রাদারফোর্ড, বোর এদের মডেল অনুযায়ী ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের চারপাশে ঘুরে। এদের মডেল ক্লাসিক, আর সেগুলো আসলে ভুল, বর্তমানে বাতিল। এরপর আসে ডি ব্রগলির মডেল, সব শেষে শ্রোডিঙ্গারের ফুল কোয়ান্টাম মেকানিকাল মডেল। এখান থেকে আসে আধুনিক অর্বিটালের ব্যাপারটা। অর্বিটাল বলতে বুঝায় এমন কিছু জায়গা যেখানে ইলেকট্রনকে পাওয়ার প্রোবাবিলিটি বেশি। এরকম জায়গায় ইলেকট্রন স্থির তরঙ্গ আকারে থাকে, যার মানে হচ্ছে কোন এক জায়গায় তার অপস্থানের সম্ভাবনা সময়ের সাথে চেঞ্জ হয় না। কোয়ান্টাম মেকানিক্সের ভাষায়, স্ট্যান্ডিং ওয়েভে গ্রুপ ভেলোসিটি থাকে না। এগুলো চা কফি আর কোয়ান্টাম মেকানিক্স বইয়ে বিস্তারিত বুঝিয়েছি।


    এক কথায় বলতে গেলে, ইলেকট্রন মোটেও সূর্যের চারপাশে গ্রহের মতো নিউক্লিয়াসের চারপাশে ঘুরে না।


    https://en.m.wikipedia.org/wiki/Atomic_orbital


    ২. এবার আসি স্পিনের কথায়। নিজ অক্ষের উপর ইলেকট্রনের ঘোরাকে বলে স্পিন। চার নাম্বার কোয়ান্টাম সংখ্যা এখান থেকে আসে। বহু বছর আগে দেখা যায় ইলেকট্রনের তো চুম্বক ক্ষেত্র আছে, সেটার জন্ম হয় কোন জিনিস ঘুরলে, তাই স্পিন নামটা আসে। কাহিনী হচ্ছে, একে তো ইলেকট্রনের স্পিন ১/২, সেটা একটা উদ্ভট জিনিস (বইয়ে লিখেছি কারণ), তার পর দেখা গেছে আসলেই যদি ঘুরতো তাকে আলোর বেশি বেগে ঘুরতে হতো। তাই স্পিন নামটা রয়ে গেছে, কিন্তু


    ইলেকট্রন আসলে নিজ অক্ষের উপরও ঘুরে না।

    স্পিন ভর চার্জ এগুলোর মতোই কেবলমাত্র একটা ইন্ট্রিনসিক প্রপার্টি।


    কোরার এই আর্টিকেলটায় ব্যাপারটা আরও ক্লিয়ার করেছেঃ

    Answer to Do electrons actually spin? by Aritra Sinha https://www.quora.com/Do-electrons-actually-spin/answer/Aritra-Sinha-1?ch=99&share=1d46c62f&srid=vh6U0

    * মাত্র ৫ বছর বয়সে তিনি বাবাকে হারান

    * ১৬ বছর বয়সে স্কুল থেকে ঝড়ে পড়েন

    * ১৭ বছরের মাথায় মোট ৪ বার চাকরী হারিয়েছিলেন

    * ১৮ বছর বয়সে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন

    * ১৯ বছর বয়সে তিনি বাবা হন

    * ২০ বছর বয়সে তার স্ত্রী তাঁকে ফেলে রেখে চলে যায় আর কন্যা সন্তানটিকেও নিয়ে যায় সাথে

    * সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন এবং সেখানে ব্যর্থ হন

    * ইনস্যুরেন্স কোম্পানীতে যোগদান করেন এবং সেখানেও সফলতার দেখা পান নি

    * নিজের মেয়েকে নিজেই অপহরণ করতে গিয়েছিলেন এবং সেখানেও ব্যর্থ হন

    * চাকরী নিয়েছিলেন রেললাইনের কন্ডাকটর হিসেবে, সুবিধে করতে পারেন নি

    * অবশেষে এক ক্যাফেতে রাধুনীর চাকুরী নেন

    * ৬৫ বছর বয়সে তিনি অবসরে গিয়েছিলেন।

    * অবসরে যাবার প্রথম দিন সরকারের কাছ থেকে ১০৫ ডলারের চেক পেয়েছিলেন।

    * তাঁর কাছে মনে হয়েছিল জীবন তাঁর মূল্যহীন

    * আত্মহত্যা করবার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি।

    * এরপর একটী গাছের নিচে বসে জীবনে কি কি অর্জন করেছেন তাঁর একটা লিস্ট বানাতে শুরু করলেন।

    * হঠাত তাঁর কাছে মনে হল জীবনে এখনো অনেক কিছু করবার বাকি আছে আর তিনি বাকি সবার চাইতে একটি জিনিসের ব্যাপারে বেশি জানেন- রন্ধনশিল্প

    * তিনি ৮৭ ডলার ধার করলেন সেই চেকের বিপরীতে আর কিছু মুরগী কিনে এনে নিজের রেসিপি দিয়ে সেগুলো ফ্রাই করলেন।

    * এরপর Kentucky তে প্রতিবেশীদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে সেই ফ্রাইড চিকেন বিক্রি করা শুরু করলেন!

    * জন্ম নিল KENTUCY FRIED CHICKEN তথা KFC র...

    * ৬৫ বছর বয়সে তিনি আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন আর ৮৮ বছর বয়সে এসে Colonel Sanders বিলিওনার বনে গিয়েছিলেন।

    * স্মরণীয় হয়ে আছেন KFC এর প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে!

    -----হতাশ হবার কিছু নেই, আপনার হাতে এখনো অনেক সময় আছে বিলিওনার হবার...শুধু চেষ্টাটি প্রয়োজন!-----



    একদল জাপানি চিকিৎসক নিশ্চিত করেছেন যে কয়েকটি স্বাস্থ্য সমস্যা সমাধানে গরম পানি ১০০% কার্যকরঃ

    ০১. মাইগ্রেন

    ০২. উচ্চ রক্তচাপ

    ০৩. নিম্ন রক্তচাপ

    ০৪. জয়েন্ট এর ব্যথা

    ০৫. হঠাৎ হৃৎস্পন্দন বৃদ্ধি এবং হ্রাস

    ০৭. কোলেস্টেরলের মাত্রা 

    ০৮. কাশি

    ০৯. শারীরিক অস্বস্তি

    ১০. গাটের ব্যথা

    ১১. হাঁপানি

    ১২. শিরায় বাধা

    ১৩. জরায়ু ও মূত্র সম্পর্কিত রোগ

    ১৪. পেটের সমস্যা

    ১৫. ক্ষুধার সমস্যা 

    ১৬. মাথা ব্যথা


    *কীভাবে গরম পানি পান করবেন?* 

    নিয়মিত রাত ১০-১১টার মধ্যে ঘুমিয়ে খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে প্রায় ২ গ্লাস গরম পানি পান করতে হবে, প্রথম দিকে ২ গ্লাস পানি পান করতে সক্ষম নাও হতে পারে কেউ তবে আস্তে আস্তে এটি করতে পারবে।


    *বিঃদ্রঃ: গরম পানি পান করার পরে ৪৫ মিনিট কোনো কিছুই খাওয়া যাবে না।* 


    গরম পানি থেরাপি যুক্তি সঙ্গত সময়ের মধ্যে যে সমস্ত স্বাস্থ্য সমস্যাগুলির সমাধান করবে, নিম্নে তা উল্লেখ করা হলো : -


    ৩০ দিনের মধ্যে ডায়াবেটিস

    ৩০ দিনের মধ্যে রক্তচাপ

    ১০ দিনের মধ্যে পেটের সমস্যা

    ০৯ মাসের মধ্যে সমস্ত ধরণের ক্যান্সার

    ০৬ মাসের মধ্যে শিরার বাধার সমস্যা 

    ১০ দিনের মধ্যে ক্ষুধা জাতীয় সমস্যা 

    ১০ দিনের মধ্যে জরায়ু এবং এর সম্পর্কিত রোগগুলি

    ১০ দিনের মধ্যে নাক, কান এবং গলার সমস্যা

    ১৫ দিনের মধ্যে মহিলাদের সমস্যা

    ৩০ দিনের মধ্যে হৃদরোগ জাতীয় সমস্যা 

    ০৩ দিনর মধ্যে মাথা ব্যাথা / মাইগ্রেন সমস্যা 

    ০৪ মাসের মধ্যে কোলেস্টেরল সমস্যা 

    ০৯ মাসের মধ্যে মৃগী এবং পক্ষাঘাত সমস্যা

    ০৪ মাসের মধ্যে হাঁপানি সমস্যা 


     *ঠান্ডা পানি পান করা মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে! যদি অল্প বয়সে ঠাণ্ডা পানি প্রভাবিত না করে, তবে এটি বৃদ্ধ বয়সে ক্ষতি করবেই।* 


    *ঠান্ডা পানি হার্টের ৪টি শিরা বন্ধ করে দেয় এবং হার্ট অ্যাটাকের কারণ হয়। হার্ট অ্যাটাকের মূল কারণ হ'ল কোল্ড ড্রিঙ্কস।


    *এটি লিভারেও সমস্যা তৈরি করে। এটি লিভারের সাথে ফ্যাট আটকে রাখে। লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের অপেক্ষায় থাকা বেশিরভাগ মানুষ ঠান্ডা পানি পান করার কারণে এর শিকার হয়েছেন।


    *ঠান্ডা পানি পেটের অভ্যন্তরীণ দেয়ালকে প্রভাবিত করে। এটি বৃহত অন্ত্রকে প্রভাবিত করে এবং ফলস্বরূপ ক্যান্সারে রুপ নেয়।

    ©



    প্রথমত, পানির কাজ আমাদের দেহে ক্যালরি (এনার্জি) প্রভাইড করা নয়, বত্ব পানির কাজ হচ্ছে ক্যালরি যোগান দেয়া কম্পাউন্ডগুলো কোলে-কাঁখে নিয়ে দেহের আনাচে কানাচে পৌছে দেয়া।


    আমরা যখন কোন কাজ বা পরিশ্রম করি, তখন আমাদের মাংসপেশীগুলো বার বার সংকুচিত প্রসারিত হতে থাকে। এই পেশীগুলোকে সক্রিয় রাখতে প্রয়োজন হয় অবিচ্ছিন্ন অক্সিজেনের সাপ্লাই। এই অক্সিজেন প্রভাইড করে রক্ত, আর রক্তেরসের ৯০ ভাগই হচ্ছে পানি। পানি নাই মানে রক্তের কাজও শিথিল, তার মানে অক্সিজেনের সাপ্লাই নাই। যার ফলে কোন অঙ্গই ঠিকভাবে কাজ আগাতে পারছে না। গাধাকে খাইতে না দিলে গাধা কিভাবে খাটবে!


    টায়ার্ড অবস্থায় পানি খেলে ৩ ভাবে আমাদের টায়ার্ডনেস দূর হওয়ার কথা আমরা বলতে পারি। (আরো বেশি আছে, কিন্তু এই ৩ টা বোঝা সহজ)

    .

    এক,

    .

    পানি পান করলে দেহে কোন এনার্জি বা ক্যালরি উৎপন্ন হয় না। বরং পানি খেলে পরিশ্রম করতে থাকা মাংসপেশিগুলোতে আরো বেশি-বেশি ব্লাড সাপ্লাই হয়, যার ফলে মাংসপেশীর ক্লান্তিটা একটু দূর হয়। এতে মাংসপেশী অবশিষ্ট ক্যালরিতে সর্বোচ্চ কাজটুকু করতে পারে। সাধ্যের মধ্যে.....সবটুকু সুখ।

    .

    দুই,

    .

    একই সঙ্গে আমাদের হাড়ের জয়েন্টে যেসব "সাইনোভিয়াল ফ্লুইড" থাকে, সেগুলোও ঠিকমত কাজ করতে পানির দরকার হয়। এই ফ্লুইডের কাজ হচ্ছে হাড়গুলোর ঘর্ষণ কমিয়ে স্মুদলি নাড়াতে সাহায্য করা। তাই টায়ার্ড অবস্থায় পানি পান করলে এই ফ্লুইড আরো স্মুদলি হাড় নাড়াতে সাহায্য করে। মজার ব্যপার এই ফ্লুইডকে কিন্তু নন-নিউটনিয়ান ফ্লুইড বলা হয়।

    .

    তিন,

    .

    এনার্জি উৎপন্ন করার জন্য দরকার যে গ্লুকোজ, এটিপি দরকার হয়, সেগুলোর হাইড্রোলাইজেশনের (Hydrolization) তো পানি ছাড়া সম্ভব নয়ই। আবার এগুলো পেশিতে পেশিতে পৌছানোর জন্যও সেই পানিই দরকার হয়।

    .

    সুতরাং পানি সরাসরি এনার্জি প্রডিউস করতে না পারলেও, পানি ছাড়া আপনার দেহে এনার্জি সাপ্লাই হবে না।

    .

    পানি খেলে আমরা এনার্জিটিক হই না, পানি খেলে কেবল টায়ার্ডনেস (ফ্যাটিগ) দূর হয়। দুটো সেম জিনিস নয়। 

    .

    .

    কিছু তথ্যসূত্র ফারদার স্টাডির জন্য প্রয়োজন হতে পারে।

    https://www.ausetute.com.au/hydrolysiscarbs.html

    https://www.absopure.com/blog/4-ways-drinking-water-can-benefit-your-muscles

    https://en.wikipedia.org/wiki/Synovial_fluid

    https://en.wikipedia.org/wiki/Muscle_fatigue


    কিউট এগ্রেশন কি?

    MeharajhossainArman
    Nov 24, 09:47 PM



    মানুষ বেশি সুন্দর কোনো বস্তু কে সহ্য করতে পারেনা।অধিক সুন্দর কোনো জিনিস দেখলে,ডোপামিন এবং সেরেটনিন নামক নিউরোট্রান্সমিটার দুটির অস্বাভাবিক ক্ষরণের ফলে সৃষ্টি হওয়া প্রভাব,মানুষ সহ্য করতে পারেনা।ফলে,মানুষ সেই বস্তুটিকে ধ্বংস করে ফেলতে চায়।উদহারণ স্বরূপ:-মিষ্টি বাচ্চার জোরে গাল টিপে ধরা অথবা গাছে,সুন্দর ফুল ফুঁটে থাকতে দেখলে,তাকে ছিঁড়ে ফেলা।একে,"cute aggression" বলা হয়।সিরিয়াল কিলারদের মধ্যে,এর প্রবণতা বেশি হলেও,আমাদের প্রত্যেকের মধ্যে এর প্রভাব রয়েছে।অর্থাৎ,আমাদের প্রত্যেকের মস্তিষ্কে একটি খুনির প্রভাব রয়েছে।



    "মস্তিষ্ক হাইজ্যাককারী পরজীবীদের অন্যের মাথায় কাঁঠাল ভেঙে খাওয়ার উপাখ্যান"


    কখনো কি ভেবেছেন একটা ছোট্ট পরজীবী আপনার মতো বড় প্রাণির মস্তিষ্ককে নিজের ইশারায় কাজ করাতে পারবে? অন্য সকলের মতো আমিও ভাবিনি, প্রথম এই বিষয়ে প্রথম জানতে পারি কয়েকবছর আগে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক চ্যানেলে সম্প্রচারিত একটা ডকুমেন্টারি অনুষ্ঠানে। 



    ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ম্যাগাজিনের “Mind Suckers” নামক প্রবন্ধে কার্ল জিমার কিছু পরজীবীর আক্রমণ নিয়ে আলোচনা করেছেন। দেখা গেছে এ ধরণের পরজীবীর আক্রমণের ফলে পোষকের নিজস্ব ইচ্ছাশক্তি বিলুপ্ত হয়ে যায়, তারা তখন পরজীবীর নির্দেশনা মোতাবেক চালিত হয়।


    প্রকৃতির অদ্ভুত আর মজার এই ঘটনার বেশ কিছু উদাহরণ নীচে দেওয়া হলো।


    র‍্যাবিস ভাইরাস


    আমরা জানি, র‍্যাবিস ভাইরাসের আক্রমণে জলাতঙ্ক রোগ হয়। প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসা করা না হলে এক পর্যায়ে এই ভাইরাস রোগীর মস্তিষ্ক দখল করে ফেলে এবং পানির প্রতি রোগীর আতঙ্ক তৈরি করে। এ সময় কিছু পান করতে গেলে বা পান করার কথা চিন্তা করলেই শুরু হতে পারে গলা আর স্বরযন্ত্রের পেশীতে ব্যথাময় খিঁচুনি। যেন কামড়ের মাধ্যমে আক্রান্তরা ভাইরাসটিকে আরও ছড়িয়ে দিতে পারে এজন্য আক্রান্তের লালাগ্রন্থিতে ভাইরাসটি বংশবৃদ্ধি করে। ফলে রোগী অতিরিক্ত লালা উৎপাদন শুরু করে। যদি আক্রান্তরা পানির সাহায্যে বা পানি ছাড়াই লালা গিলে ফেলতে সক্ষম হয়, তাহলে এই ভাইরাসের সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে। এজন্যেই ভাইরাসটি আক্রান্ত পশু বা মানুষকে পানির প্রতি আতঙ্কিত হতে বাধ্য করে।


    প্লাজমোডিয়াম



    ম্যালেরিয়ার জীবাণু হিসেবে পরিচিত Plasmodium পরজীবীটির প্রাথমিক পোষক হল মশা এবং মানবদেহ হল এর জীবনচক্র সম্পন্ন করার জন্য পরবর্তী পোষক। মশার বেঁচে থাকার জন্য রক্তের প্রয়োজন। কিন্তু মানুষের রক্ত খেতে গেলে চড়, থাপ্পরের মাধ্যমে মশার মারা যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এরকম হলে পরজীবীটি মানবদেহে প্রবেশ করতে পারবে না। তাই মশার দেহে যখন এটি বর্ধনরত অবস্থায় থাকে, তখন এটি মশার কার্যকলাপের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে। মশাকে বাধ্য করে স্বাভাবিকের চেয়ে কম সংখ্যক মানুষ খুঁজতে এবং রক্ত খাওয়ার মতো সুযোগ না পেলে বারবার চেষ্টা না করে দ্রুত উড়ে যেতে। কিন্তু পরিপক্ক হওয়ার পর এই পরজীবীই মশার আচরণকে উল্টোদিকে পরিচালিত করে। তখন মশা রক্ত খাওয়ার জন্য তৃষ্ণার্ত এবং জেদি হয়ে উঠে এবং প্রতি রাতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশী সংখ্যক মানুষ খোঁজা শুরু করে। রক্ত খেয়ে পেট ভর্তি থাকলেও বারবার কামড়াতে থাকে। এর ফলে যদি মানুষের হাতে মশার মৃত্যুও ঘটে, কোন সমস্যা নেই। কারণ ততক্ষণে পরজীবী মানুষের দেহে প্রবেশ করে ফেলেছে।


    নেমাটোমর্ফ হেয়ারওয়ার্ম


    নেমাটোমর্ফ হেয়ারওয়ার্মের (Spinochordodes tellinii) লার্ভা বেড়ে উঠে ঘাসফড়িঙ আর ঝিঁঝিঁ পোকার দেহে। লার্ভা থেকে বয়ঃপ্রাপ্ত হওয়ার পর এই কীট ঘাসফড়িঙকে পানিতে লাফিয়ে পড়তে বাধ্য করে। ঘাসফড়িঙ পানিতে ডুবে গেলে পরজীবীটি পোষকদেহ হতে বেরিয়ে আসে এবং পানিতেই বসবাস আর বংশবৃদ্ধি শুরু করে। অবশ্য এই পরজীবী পোষককে পানির উৎস খুঁজে বের করতে বাধ্য করে না বরং কাছাকাছি পানির উৎস পেলে কেবলমাত্র তখনই পোষককে দিয়ে এই কাজ করায়।


    ল্যান্সেট ফ্লুক


    Formica fusca নামক পিঁপড়া যখন খাদ্য হিসেবে শামুকের সিস্ট গ্রহণ করে, তখন সেই সিস্টে উপস্থিত Lancet Fluke (Dicrocoelium dendriticum) নামক পরজীবী পিঁপড়ার অন্ত্রে প্রবেশ করে। কিছু পরজীবী স্নায়ুকোষে প্রবেশ করার মাধ্যমে পিঁপড়ার কার্যকলাপের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। বিকেলবেলা যখন ঠাণ্ডা বাতাস বয়, তখন আক্রান্ত পিঁপড়া দলছুট হয়ে ঘাসের ডগায় উঠে। সেখানে তার ম্যান্ডিবল দিয়ে ঘাসের চূড়া আঁকড়ে ধরে সে ভোর পর্যন্ত বসে থাকে। এরপর আবার কলোনিতে তার স্বাভাবিক কাজকর্মে ফিরে আসে। যদি দিনের বেলা পোষক পিঁপড়াটি সূর্যের তাপের প্রত্যক্ষ সংস্পর্শে আসে, তাহলে পরজীবীসহ সেটা মারা যাবে। তাই রাতের পর রাত এভাবে ঘাসের ডগায় পিঁপড়াটি অপেক্ষা করতে থাকে যতদিন না পর্যন্ত কোনো পশু ঐ ঘাস খায়। পিঁপড়াসহ ঘাস খেলে পরজীবীটি উক্ত পশুর দেহে বেড়ে উঠে এবং বংশবৃদ্ধি করে।


    টক্সোপ্লাজমা গন্ডি

    Toxoplasma gondii নামক পরজীবীর প্রাথমিক পোষক হিসেবে কাজ করে ইঁদুর এবং ছুঁচো। এদের মস্তিষ্কে পরজীবীটি হাজার হাজার সিস্ট তৈরি করে। কিন্তু জীবনের পরবর্তী চক্র সম্পন্ন করার জন্য এর বিড়ালের অন্ত্রে প্রবেশ করা দরকার। বিড়াল যদি ইঁদুরকে ভক্ষণ করে, তাহলেই এই পরজীবী বিড়ালের অন্ত্রে প্রবেশ করে বংশবৃদ্ধিতে সক্ষম হবে। তাই অদ্ভুত হলেও সত্যি যে, আক্রান্ত ইঁদুর বিড়ালের প্রতি তার স্বাভাবিক ভয় হারিয়ে ফেলে। কিছু ইঁদুর আবার এক ডিগ্রী সরেস হয়ে বিড়ালমূত্রের গন্ধের প্রতি ধাবিত হয় এবং বিড়ালের শিকারে পরিণত হয়। এভাবে পরজীবীটি ইঁদুরকে ব্যবহারের মাধ্যমে বিড়ালের অন্ত্রে প্রবেশ করে এবং তার জীবনের পরবর্তী ধাপ সম্পন্ন করে।


    সাক্কুলিনা কার্সিনি

    ফিমেল Sacculina লার্ভা sheep crab নামক কাঁকড়ার দেহে প্রবেশের পর তার বক্ষদেশে ডিম পাড়ে। Sacculina-র প্রবেশের কারণে কাঁকড়ার স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা, বর্ধন এবং আত্মরক্ষার জন্য claw পুনঃউৎপাদনের ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। ফিমেল Sacculina যখন পুরুষ কাঁকড়ার দেহে বসতি গাড়ে, তখন সেটি কাঁকড়ার হরমোনাল ব্যালেন্স নিয়ন্ত্রণ করা শুরু করে। ফলে কাঁকড়ার প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়, উদর স্ফীত হয়ে ফিমেল কাঁকড়ার মতো দৈহিক গড়ন দেখা দেয়। এমনকি সেটি ফিমেল কাঁকড়ার মতো আচরণও শুরু করে। যেহেতু পরজীবীর আক্রমণের ফলে কাঁকড়া (মেল বা ফিমেল – উভয়েই) প্রজননের জন্য অনুর্বর হয়ে পরে, তাই যখন Sacculina ডিম পাড়ে, আক্রান্ত কাঁকড়া ঐসব ডিমকে নিজের ডিমের মতো করেই যত্ন নিতে থাকে।


    লিউকোক্লোরিডিয়াম প্যারাডক্সাম

    Leucochloridium paradoxum নামক পরজীবীর মধ্যবর্তী পোষক হিসেবে কাজ করে শামুক জাতীয় প্রাণী। ইউরোপ আর উত্তর আমেরিকায় বসবাসরত Succinea নামক শামুকের চোখ আক্রমণ করে বসে এই পরজীবী। ফলে চোখগুলো হয়ে যায় সেসব শুঁয়োপোকার মতো যাদেরকে পাখিরা খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে থাকে। পাখির দেহে প্রবেশের পর পরজীবীটি বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয় এবং ডিম পাড়ে পাখির মলাশয়ে। এই ডিম পরবর্তীতে মলের সাথে বেরিয়ে আসে এবং অন্য শামুকের খাদ্যে পরিণত হয়। এভাবে খুঁজে পায় নতুন হোস্ট।


    Euhaplorchis californiensis

    Killifish নামক এক ধরণের মাছ আছে যারা সাধারণত পানির উপরিভাগে আসে না। কারণ এতে করে শিকারি পাখির কবলে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু এই মাছগুলোই যখন Euhaplorchis californiensis নামক ফ্লুক কৃমি দ্বারা আক্রান্ত হয়, তখন বেশীরভাগ সময় পানির উপরিভাগে অবস্থান করে। মাঝে মাঝে পল্টি খায় যেন তাদের রুপালী পেট আলোতে ঝিলিক মারে। ফলে সুস্থ কিল্লিফিশের তুলনায় আক্রান্ত কিল্লিফিশরা পাখির শিকারে পরিণত হয় বেশী। এর একটাই কারণ।


    কী?


    হ্যাঁ, ঠিক ধরেছেন। পাখির অন্ত্র হল ফ্লুকের পরিপক্ক হওয়া এবং বংশবৃদ্ধি করার জায়গা!



    Credit-নির্ঝর রুথ ঘোষ