ভাই আমি খুবই হতাশ।আমার তখনই খারাপ লাগে যখন আমি আল্লাকে মন থেকে ডাকি আর সারা পাই না।যখন আমার ৪ বছর বয়স তখন আমার বাবা আমার ও আমার মায়ের কোনো খোজ নেয় না।তারপর আমি আমার নানার কাছে বড় এবং আমার আম্মু গার্মেন্টস এ চাকরী করে ও এখনও করছে।আম্মু যখন ছুটিতে নানা বাড়িতে  আসত তখন মনটা খুশিতে ভরে উঠত।আর যখন চলে যেত তখন খুবই কাঁদতাম যা ধারনার বাহিরে।নানার family পারিবারিক সমস্যা জর্জরিত ছিল।আর আমাকে অনেকে  অবহেলা করত আর আমি নরম মনের যার কারনে আমাকে যারা  সহ্য করতে পারত না তারা আমার উপর মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার করত।আমি আল্লার কাছে নামাজ পড়ে বিচার চাইতাম কিন্ত দেখা গেল  তারাই শান্তিতে আছে।আমি এইচ.এস.সি পরীক্ষায় কঠোর পরিশ্রমও করছি এবং আল্লার কাছে দোয়াও চাইছি কিন্ত তা বৃথা গেল!রেজাল্ট ৩.২৫ যা আমার থেকে খারাপ স্টুডেন্টদের থেকেও কম!এস.এস.সিতে ৪.১৩।পরিশ্রমও করলাম আর ভাল ফল পাইলাম না।চাকুরীও পাইতেছিনা।কারন সার্টিফিকেটে বয়স ১৬ আর বর্তমান বয়স ১৯।ভাই আমি পুরোপুরি হতাশ!! এই ভাগ্য কি আমি আল্লাহর কাছ চেয়ে এনেছি??

2795 views

3 Answers

আপনার ভাগ্যর উপর বিশ্বাস রাখতে হবে, কারন আপনার যা হয় তা ভাগ্যে ছিলো, আপনার ভাগ্যে যা আছে তা হবেই, এটা কেউ ফিরাতে পারবে না । তবে দোয়ার দ্বার ভাগ্যকে পরিবর্তন করা যাই ।

2795 views

একটা কথা বুঝে ও শুনে রাখুন

সুখের পরে দুঃখ

আর

দুঃখের পরে সুখ

ধৈর্য রাখুন।

মনে রাখবেন ধৈর্য হলো সফলতার চাবিকাঠি।

2795 views

আল্লাহ তাআলা মানুষকে সৃষ্টির অনেক আগেই তার ভাগ্য নির্ধারণ করে রেখেছেন। তিনি মানুষকে পরীক্ষা করার জন্যই ভাগ্যের তারতম্য ঘটিয়েছেন। কাউকে দিয়েছেন বেশি, কাউকে কম। এ নিয়ে সন্তুষ্ট থাকাই বান্দার কর্তব্য। ভাগ্য নিয়ে হতাশ হতে নেই। নিজের ভাগ্য নিয়ে হতাশ হলেই সমস্যা। আপনি নিজেকে একজন সুখী মানুষ ভাবুন, দেখবেন- আপনি আসলেই সুখী! আপনি কি মা বাবাহীন বাচ্চাকে দেখেন না? আপনি কি রাস্তার টোকাই শিশুদের দেখেন না? তাদের ভাগ্যের চেয়ে আপনার ভাগ্য ভালো নয়? তাদের চেয়ে আপনি সুখী নন? দুনিয়ার জীবনে মানসিকভাবে সুখী হওয়ার মন্ত্র হল- নিজের চেয়ে নিম্নমানের দিকে তাকানো। আপনার নিজের চেয়ে নিম্নের মানুষের দিকে তাকান, দেখবেন- আপনি তাদের চেয়ে সুখী! ভাবুন- আপনার যদি এরকম অবস্থা হত? তাই নিজের ভাগ্য নিয়েই সন্তুষ্ট থাকা উচিত। গতকালও এ বিষয়ে শিক্ষণীয় একটা ভিডিও দেখলাম— একজন দামি একটা গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছে। তারটা দেখে লাইটেসওয়ালা একজন আফসোস করল, 'আমার যদি এরকম দামি গাড়ি হত!' তারপর তার লাইটেস দেখে সাইকেলওয়ালা একজন আফসোস করল, 'আমার যদি একটা লাইটেস হত!' তারপর তার সাইকেল দেখে হাঁটতে থাকা একজন আফসোস করল, 'আমার যদি একটা সাইকেল থাকত!' আর তাকে দেখে হুইল চেয়ারে চলাফেরা করা এক লোক আফসোস করল, 'আমার পা যদি ভালো হত!!' দেখুন- এরা সবাই উপরের দিকে তাকাচ্ছে! একারণেই নিজেকে নীচু মনে করছে! অথচ লাইটেসওয়ালা যদি ভাবত, 'আমার তো লাইটেস আছে, অনেকের তো সাইকেলও নেই!' তাহলে কত ভালো হত? তখন কি সে নিজেকে একজন সুখী মানুষ মনে করত না? তাই নিজের ভাগ্য নিয়ে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। নিজেকে একজন সুখী সমৃদ্ধিশালী মানুষ ভাবুন। ভাগ্য নিয়ন্ত্রণ করা আমাদের কাজ নয়। আমাদের উচিত যতটুকু পারি ভালো কাজ করে যাওয়া। তাহলেই আমরা সফল হতে পারব! একজন যদি ভাগ্যের দিকে না তাকিয়ে, হতাশ না হয়ে কাজ করতে থাকে, তাহলে সফলতা তার পদ চুম্বন করবে!! সবশেষে আপনাকে আমি আরবের নন্দিত লেখক ড. আয়েয আল কারনির 'লা তাহযান' এবং ভারতের শিব খেরার 'তুমিও জিতবে' বই দুটি পড়ার আহবান জানাব। দেখবেন, আপনিও সুখী মানুষ! আপনিও সফল মানুষ!

2795 views

Related Questions