4 Answers
বেকিং সোডাও শরীরকে অতিরিক্ত ঘামের হাত থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। বেকিং সোডা প্রাকৃতিক ভাবে শরীরের ঘাম শোষণ করে ও দুর্গন্ধ কমায়। এছাড়া শরীরের যে অংশ বেশি ঘামে সেখানের পিএইচ লেভেলের মাত্রা কমাতেও বেকিং সোডা সাহায্য করে। পরিমাণমতো পানির সঙ্গে ১ টেবিল- চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। তারপর এই পেস্টের সঙ্গে পছন্দমতো তিন থেকে চার ফোঁটা সুগন্ধী তেল মিশিয়ে নিয়ে বগলে এবং যে সব জায়গা বেশি ঘামে সেসব জায়গায় লাগিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেললে উপকার পাওয়া যাবে। পেস্টটি সপ্তাহে কয়েকবার ব্যবহার করা যাবে। এছাড়া বেকিং সোডা ও কর্ন ফ্লাওয়ার একসঙ্গে সমপরিমাণে মিশিয়ে একটি বোতলে সংরক্ষণ করা যায়। তারপর বেশি ঘাম হওয়া স্থানগুলোতে প্রয়োজনমতো এই মিশ্রণ ব্যবহার করা
লেবুর সাথে মধুর সংমিশ্রণ ঘামের দুর্গন্ধ প্রতিরোধের অন্যতম প্রধান ঘরোয়া উপায়। খুবই সিম্পল ,একটি বাটিতে হালকা গরম পানি নিন, তাতে ২ টেবিল চামচ মধু আর ৩ টেবিল চামচ লেবুর রস নিন। তারপর আপনার বগলে এই সলিউশন দিয়ে রিন্স করে নিন। তারপর শুকনো তোয়ালে দিয়ে মুছে ফেলুন।
অতিরিক্ত ঘাম বের হওয়া এটা একটা সমস্যা আপনি যদি ঔষুধ ব্যবহার করতে চান তাহলে অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইডযুক্ত হেক্সাহাইড্রেট ( ড্রাইকেয়ার) ঔষুধ টি যা একধরনের বিশেষ লোশন হাত-পায়ে শরীর এ ব্যবহারের মাধ্যমে হাত-পা এবং শরীর এ ঘামা কমে যায় .. দাম 220 টাকা এই ওষুধ টি ziska pharmaceutical Ltd এর তবে নিয়মিত গোসল করে শরীর কে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
বগলের নিচে কতটুকু ঘাম দূর করতে পারবেন জানিনা।তবে আপনি চাইলে ঘামের বিচ্ছিরি গন্ধ দূর করতে পারেন । নিচে টিপসগুলু দেখুন: ১। বেকিং সোডা বেকিং সোডা শরীরের ঘাম শুষে নিয়ে ঘাম থেকে দুর্গন্ধ হওয়া প্রতিরোধ করে। ১ টেবিল চামচ বেকিং সোডা এবং লেবুর রস মিশিয়ে নিন। এটি আন্ডারআর্মসে লাগান। কিছুক্ষণ পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি প্রতিদিন একবার করুন। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আপনার ঘামের দুর্গন্ধের সমস্যা দূর হয়ে যাবে। ২। আপেল সাইডার ভিনেগার ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলে ঘামের দুর্গন্ধ দূর করতে আপেল সাইডার ভিনেগার অতুলনীয়। এটি শরীরের পিএচ লেভেল ঠিক রেখে ঘামের দুর্গন্ধ দূর করে থাকে। আপেল সাইডার ভিনেগার একটি তুলোর বলে ভিজিয়ে নিন। এবার এটি ঘাম হবার জায়গাগুলোতে ঘষুন। ২ থেকে ৩ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর শুয়ে ফেলুন। এটি দিনে দুইবার করুন। কসুম গরম পানিতে এক কাপ আপেল সাইডার ভিনেগার মিশিয়ে নিন। এবার এই পানি দিয়ে গোসল করুন। প্রতিদিন এভাবে গোসল করলে ঘামের দুর্গন্ধের সমস্যা অনেকটা কমে আসবে। ৩। লেবুর রস লেবুর রস শরীরের পিএচ লেভেল কমিয়ে দেয় ফলে ব্যাকটেরিয়া তৈরি হতে পারে না। যে সকল ব্যাকটেরিয়া শরীরে থাকে তাও মারা যায়। একটি লেবুকে দুভাগে ভাগ করে ফেলুন। এক অংশ দিয়ে বগলের নিচে ঘষুন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। এরপর গোসল করে নিন বা ধুয়ে ফেলুন। এটি প্রতিদিন করুন, যত দিন পর্যন্ত ঘামের দুর্গন্ধ পুরো পুরি না দূর হয়। আপনি সংবেদনশীল ত্বকের অধিকারী হন, তবে এক কাপ পানিতে অর্ধেকটা লেবুর রস দিয়ে দিন। এবার সেটি তুলোর বলে ভিজিয়ে ব্যবহার করুন। এভাবে প্রতিদিন ব্যবহার করবেন। ৪। টমেটো টমেটোর অ্যান্টিস্পেটিক উপাদানসমূহ ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলে ফলে ঘাম থেকে আর দুর্গন্ধ সৃষ্টি হতে পারে না। ৭/৮ টি টমেটোর রস বের করে নিন। এবার এক বালতি পানিতে টমেটোর রস দিয়ে দিন। এই পানি দিয়ে গোসল করুন। এটি প্রতিদিন করুন। কিছুদিনের মধ্যে ঘাম হতে দুর্গন্ধ হওয়া বন্ধ হয়ে যাবে। প্রতিদিন দুই গ্লাস টমেটোর জুস খান, এটিও ঘামের দুর্গন্ধ দূর করে দেবে। ৫। শালগম শালগমের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান ব্যাক্টেরিয়া মেরে ফেলে ঘাম থেকে দুর্গন্ধ হওয়া প্রতিরোধ করে থাকে। এছাড়া শালগমে আছে ভিটামিন সি যা শরীরের অন্যান্য গন্ধ দূর করে থাকে। শালগমের রস করে নিন। এবার তুলোর বলে শালগমের জুস ভিজিয়ে ঘাম হবার জায়গাগুলোতে ঘষুন। শুকিয়ে আসলে কুসুম গুরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি আপনাকে ১০ ঘন্টা পর্যন্ত ঘামের দুর্গন্ধ হাত থেকে রক্ষা করবে
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy