যদি থাকে তাহলে বলুন। আর হ্যা মনগড়া কথা বলবেন...না...
3157 views

4 Answers

আপনি কথা বলার সময় কথা ধীরে ধীরে বলবেন,, আর নিম্নের সূরাটি ফজরের নামাযের পড়ে ৪১ বার করে পড়বেন,, সূরাটি হলো :- _____রাব্বি জিদনী ইলমা রাব্বিস রাহলী ছাদরী ওয়া ইয়াস ছিরলি আমরি ওয়াহ লুল উকদাতাম মিন লিসানি ইয়াপ কাহু কওলি,,

3157 views

তোতলামির সব চেয়ে ভালো চিকিৎসা হলো, স্পিচ থেরাপি। এটির মাধ্যমে নিরাময় সম্ভব হতে পারে। স্পিচ থেরাপি হচ্ছে ভালো করে মুখের উচ্ছারণ বা কথাবার্তা বলতে পারেন না তাদের জন্য। যারা কথা বলতে তোতলায়, শব্দ সঠিক না, মুখের শব্দ স্পষ্ট না তাদের জন্য স্পিচ থেরাপি প্রয়োগ করা হয়। একজন স্পিচ থেরাপিস্টের পরামর্শ নিন। স্পিচ থেরাপি নেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনে একজন ফিজিও-থেরাপিস্টের সাহায্যও নিতে পারেন, জিহ্বাকে নানাভাবে ব্যায়াম করিয়ে বাক পদ্ধতি ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হবে।

3157 views

তোতলামি দূর করার তেমন কোনো নির্দিষ্ট উপায় নাই। তারপরও কিছু মুখের ব্যায়াম রয়েছে যেগুলো অনুশীলনে তোতলামির অভ্যাসটা কিছুটা আয়ত্তে আনা সম্ভব। এছাড়া ধীরে ধীরে কথা বলার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। সম্ভব হলে গানে গানে কথা বলার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন। এতে করে নির্দিষ্ট সময়ের মাঝে বাক্যটি শেষ করার একটা প্রবণতা তৈরি হবে। ধন্যবাদ..

3157 views

আপনি প্রচুর পরিমাণে কিছমিছ খান। এতে আপনার তোতলামি কিছুটা হলেও কমে যাবে।

3157 views

Related Questions