4 Answers

দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপও অতিরিক্ত ঘামের জন্য দায়ী। তাই মনসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা কমান, দেখবেন অতিরিক্ত ঘাম কমে গেছে। অতিরিক্ত ঘাম এড়ানোর জন্য প্রচুর পানি পানের বিকল্প নেই। কারণ ঘাম হলে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয়। এ জন্য পানি খাওয়া উচিত। কফি পান কমাতে হবে। কেননা কফিপান শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ফলে ঘাম বাড়ে। নাইলন ও প্লাস্টিক জাতীয় কাপড় পরিহার করুন। কেননা এ কাপড় আপনার দেহের সাথে লেগে থাকে। ফলে শরীর উত্তপ্ত হয়ে যাওয়ায় অতিরিক্ত ঘাম বের হয়। গভীর শ্বাসপ্রশ্বাস নিন। এটা আপনার দেহ ও মনকে শীতল রাখতে সহায়ক। অতিরিক্ত ঘাম কমাতে টমেটোর জুস খেতে পারেন। টমেটোর জুসে পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম আছে, যা অতিরিক্ত ঘাম রোধে সহায়ক। গরমে কোনো ধরনের সুগন্ধি ব্যবহার করা যাবে না। কারণ এতে এরোসোল থাকে, যা আপনার শরীরকে গরম রাখে। তাই অতিরিক্ত ঘাম হয়। বরফঃ ঘামাচি আক্রান্ত জায়গাটিতে খুব ভালোভাবে বরফ ঘষে নিন। দিনে দু তিন বার করুন। দেখবেন, খুব জলদিই সেরে যাবে ঘামাচি। ঠান্ডা পানিঃ ঠান্ডা পানিতে একটি পরিস্কার সুতি কাপড় ভেজান। তারপর সেটি তুলে আক্রান্ত জায়গায় লাগান যতক্ষণ না জায়গাটি পানি শুষে নিচ্ছে। এভাবে দিনে ২-৩ বার করুন। এতে ঘামচি দ্রুত সেরে উঠবে। বেকিং সোডাঃ ১ কাপ ঠান্ডা পানিতে ১ টেবিল চামচ বেকিং সোডা নিন। একটি পরিস্কার কাপড় এতে ভিজিয়ে নিংড়ে নিন ও ঘামাচি আক্রান্ত জায়গায় লাগান।

3660 views Answered

পচুর পানি পান করবেন,এই গরমে পাতলা জামা/কাপড় পড়ার চেষ্টা করুণ,ঠান্ডা জায়গায় থাকতে চেষ্টা করুন"Cool"পাউডার ব্যবহার করতে পারেন,ঘামাচি নাশক পাউডার ব্যবহার করুন,বরফ ব্যবহার করতে পারেন,

3660 views Answered

অতিরিক্ত ঘাম নিয়ন্ত্রণে করণীয়

অতিরিক্ত ঘাম হলে প্রচুর পানি পান করতে হবে। ফলের শরবত, গ্লুকোজ, স্যালাইন ইত্যাদি পান করাও বেশ উপকারী। তাছাড়া বাইরের গরম থেকে ঘরে ফিরে ঠাণ্ডা পানি না খেয়ে স্যালাইন বা গ্লুকোজ খাওয়ার পরামর্শ দিলেন ডা. কামরুল হাসান।

চা-কফি, ভাজাপোড়া-জাতীয় খাবার যতটা সম্ভব কম খাওয়াই ভালো।

গরমের মৌসুমে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার উপর বিশেষ নজর দিতে হবে। এক্ষেত্রে একাধিকবার গোসল করা যেতে পারে। তবে ঠাণ্ডা লেগে যাওয়ার ভয় থাকলে ভেজা কাপড় দিয়ে শরীর মুছে নেওয়া যেতে পারে।

গরমে বাইরে থেকে ফিরেই অতিরিক্ত ঠাণ্ডা স্থানে বসা, অতিরিক্ত ঠাণ্ডা পানীয় পান করা বা গোসল না করার পরামর্শ দেন ডা. কামরুল।

তিনি বলেন, “বাইরে থেকে এসে কিছুটা সময় জিরিয়ে নিতে হবে। এতে শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক হওয়ার সুযোগ পাবে। অন্যথায় ঠাণ্ডা লেগে যেতে পারে।”

এছাড়া ঘামে ভেজা জামাকাপড় বেশিক্ষন পরে থাকা উচিত নয়। গরমের দিনে হালকা রংয়ের পোশাক বেশি আরামদায়ক। ঘামের দুর্গন্ধ এড়াতে পারফিউম ব্যবহার করা যেতে পারে। আর ঘামাচি থেকে বাঁচতে ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করা যেতে পারে।

3660 views Answered

ঘাম থেকে প্রাকৃতিক উপায়েই মুক্তি পেতে পারেন: *গরমে বেশি বেশি পানি পান করুন *বারবার পানি দিয়ে মুখ, হাত, পা ধুয়ে নিন *শারীরিক দুর্বলতা থেকেও প্রচুর ঘাম হতে পারে *পুষ্টিকর খাবার, শাকসবজি, ফল বেশি পরিমাণে খান *ঘামে আমাদের শরীর থেকে প্রচুর পানি বেরিয়ে যায়, এসময় খাওয়ার স্যালাইন, ফলের জুস খান *স্বাস্থকর ঠাণ্ডা খাবার খান, *বাইরের ভাজা খাবার এবং রিচ ফুড থেকে দূরে থাকুন। কেননা, গরমে এসব খাবারে অসুস্থ হতে পারেন *ভালো ব্র্যান্ডের সুগন্ধি ব্যবহার করুন *গোসলের পানিতে কয়েক ফোটা গোলাপজল দিয়ে দিন *সুতি আরামদায়ক হালকা রং-এর পোশাক পরুন *দিনে দুইবার গোসল করুন *খুব প্রয়োজন ছাড়া কড়া রোদে বাইরে যাবেন না *বাইরে গেলে অবশ্যই সঙ্গে ছাতা রাখুন, রোদে তো কাজে দেবেই, ছাতা থাকলে বৃষ্টি হলেও ভিজবেন না *দুই লিটার পানিতে ৩ টি চায়ের ব্যাগ মিশিয়ে, সে পানিতে ১০-১৫ মিনিট হাত-পা ভিজিয়ে রাখুন *হাতে-পায়ে কোনও ধরনের পাউডার ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন । কারণ এটি ঘাম দূর করার পরিবর্তে আরো বাড়িয়ে দেবে *ধূমপানসহ সব ধরণের মাদক গ্রহণে বিরত থাকুন কারণ এগুলো অতিরিক্ত ঘাম উৎপন্ন করে। আর ঘামাচি থেকে মুক্তি পেতে Nycil Power টি ব্যবহার করুন।

3660 views Answered

Related Questions

Next steps