কি ভাবে দ্রুত গায়ের ঘামাচি দূর করা যায়?
6 Answers
নিম পাতা: নিমপাতা বেটে শরীরে লাগাতে হবে। শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করে ঠাণ্ডা পানিতে গোসল করে নিন। নিমপাতার এন্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান শরীর থেকে ঘামাচির জীবানু দূর করতে সহায়তা করে। এলোভেরা: এলোভেরার জেল বের করে ঘামাচি আক্রান্ত জায়গায় লাগিয়ে রাখতে হবে। শুকোনো পর্যন্ত অপেক্ষা করে ঠাণ্ডা পানিতে গোসল করে নিন। ঘামাচি দূর হবে দ্রুত। মুলতানি মাটি: ঘামাচি দূর করতে মুলতানি মাটিও খুব উপকারী। ৪ থেকে ৫ টেবিল চামচ মুলতানি মাটি, ২ থেকে ৩ টেবিল চামচ গোলাপজল ও পরিমান মতো পানি দিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন। ঘামাচি আক্রান্ত জায়গায় পেস্টটি লাগিয়ে ১ ঘণ্টা রেখে ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন সব ঘামাচি দূর হয়ে গেছে। বরফ: ঘামাচি আক্রান্ত জায়গায় খুব ভালোভাবে বরফ ঘষে নিন। দিনে দু থেকে তিন বার বরফ ঘষলে ঘামাচি দূর হবে সহজেই। বেকিং সোডা: ১ কাপ ঠাণ্ডা পানিতে ১ টেবিল চামচ বেকিং সোডা নিন। একটি পরিস্কার কাপড় এতে ভিজিয়ে নিংড়ে ঘামাচি আক্রান্ত জায়গায় লাগাতে হবে। উপকার পাবেন সহজেই।
যন্ত্রণাদায়ক ঘামাচির সাথে পরিচয় নেই এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না। ঘামাচি থেকে মুক্তি পেতে নানা ধরনের নামী দামী পাউডার বা ক্রীম ব্যবহার করেন অনেকেই। আবার কেউ কেউ ডাক্তারের শরনাপন্নও হয়ে থাকেন বাধ্য হয়ে। অথচ ঘরে বসেই কিছু ঘরোয়া উপাদান ব্যবহার করেই সম্পূর্ণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীনভাবে মুক্তি পাওয়া যাতে পারে এই যন্ত্রনা থেকে। দেহের ঘর্মগ্রন্থিগুলোর মুখ যখন ময়লা ও ব্যাকটেরিয়ার জন্য আটকে যায়, তখন ঘাম বের হতে না পেরে সেখানে আটকে গিয়ে ঘামাচি তৈরী হয়। সাধারণত পিঠ, বাহু, পেট এসব স্থানে ঘামাচি দেখা দিলেও অনেকের মুখে, কপালেও অতিরিক্ত গরমে ঘামাচি দেখা দেয়। এটি শুধু দেখতেই বিচ্ছিরিই নয়, বরং এর সাথে যুক্ত হয় চুলকানি বা নানা রকম সংক্রমণ। ঘরোয়া পদ্ধতিতে ঘামাছি থেকে মুক্তির উপায়: ♦লেবুর রসঃপ্রতিদিন কমপক্ষে ৩-৪ গ্লাস লেবুর শরবত পান করুন একটু বেশি করে লেবু মিশিয়ে। এটি ঘামাচি নিরাময়ে কাজ করবে স্রেফ জাদুর মতই! ♦এলোভেরাঃএলোভেরার রস বের করে ঘামাচি আক্রান্ত জায়গায় লাগিয়ে রাখুন না শুকোনো পর্যন্ত। এরপর ঠান্ডা পানিতে গোসল করে নিন।ব্যস, এবার দেখুন আপনার হাতের কাছে কোন উপাদানটি সবচেয়ে সহজলভ্য, আর সেটি দিয়েই শুরু করে দিন ঘামাচির বিরুদ্ধে লড়াই। জয় আপনার নিশ্চিত!
ঘামাচি প্রতিরোধে যা করণীয় : ১. সবসময় গোসল করে পরিষ্কার থাকা ২. ঠান্ডা জায়গায় অবস্থান করা, ৩. বেশী করে পানি পান করা, ৪. পরিষ্কার কাপড় পরিধান করা, ৫. ঘাম বের হলে ভেজা কাপড় দিয়ে মুছে নেওয়া, ৬. ঘামাচির চুলকানি দূর করতে পাউডার ব্যবহার করা। আপনার বন্ধুকে বলুন ঘামাচির জীবানু ধংষ করতে এবং ঘামাচি দূর করতে calamilon লোশন টি ব্যবহার করতে খুব তাড়াতাড়ি ঘামাচি দূর হয়ে যাবে ।
জেনে নেয়া যাক, ঘামাচি থেকে মুক্তি পাওয়ার ৭টি উপায়: নিম পাতা নিমপাতা ভালোভাবে বেটে নিন। খানিকটা পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন এবং আক্রান্ত জায়গায় লাগান। সম্পূর্ণ না শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। নিমপাতার এন্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান ঘামাচির জীবানু মেরে ফেলে দ্রুত আপনাকে ঘামাচি থেকে মুক্তি দেবে। কিছুক্ষণ পর তুলে ফেলুন। ভালো ফলাফল পাবার জন্যে দিনে ৪-৫ বার এটি করতে পারেন। লেবুর রস প্রতিদিন কমপক্ষে ৩-৪ গ্লাস লেবুর শরবত পান করুন একটু বেশি করে লেবু মিশিয়ে। এটি ঘামাচি নিরাময়ে কাজ করবে স্রেফ জাদুর মতই! বরফ ঘামাচি আক্রান্ত জায়গাটিতে খুব ভালোভাবে বরফ ঘষে নিন। দিনে দু থেকে তিন বার করুন। দেখবেন, খুব জলদিই সেরে যাবে ঘামাচি। ঠান্ডা পানি ঠান্ডা পানিতে একটি পরিস্কার সুতি কাপড় ভেজান। তারপর সেটি তুলে আক্রান্ত জায়গায় লাগান যতক্ষণ না জায়গাটি পানি শুষে নিচ্ছে। এভাবে দিনে ২-৩ বার করুন। এতে ঘামচি দ্রুত সেরে উঠবে। বেকিং সোডা ১ কাপ ঠান্ডা পানিতে ১ টেবিল চামচ বেকিং সোডা নিন। একটি পরিস্কার কাপড় এতে ভিজিয়ে নিংড়ে নিন ও ঘামাচি আক্রান্ত জায়গায় লাগান। এলোভেরা এলোভেরার রস বের করে ঘামাচি আক্রান্ত জায়গায় লাগিয়ে রাখুন না শুকোনো পর্যন্ত। এরপর ঠান্ডা পানিতে গোসল করে নিন। মুলতানি মাটি ৪-৫ টেবিল চামচ মুলতানি মাটি, ২-৩ টেবিল চামচ গোলাপজল ও পরিমান মতো পানি মিশিয়ে একটি ঘন পেস্ট তৈরি করুন। ঘামাচি আক্রান্ত জায়গায় পেস্টটি লাগান ও ২-৩ ঘণ্টা রাখুন। তারপর ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন।
মটর ডালের বেসনের সাথে এক চামচ সাদা চন্দন, দুই চামচ মুলতানি মাটি গোলাপ পানিতে গুলে গায়ে মাখুন ৷ ঘামাচি সেরে যাবে ৷