7 Answers
রুগ্ন ত্বকের কিছু অংশে ফাটা ফাটা ভাব থাকে। এমন ত্বককে খসখসে ত্বক বলে। ত্বক খসখসে এবং ফাটা ফাটা হলে প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে কাজু বাদাম বাটা মিশিয়ে মুখে লাগালে ভালো ফল পাওয়া যায়। এই মিশ্রণ শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে মশ্চারাইজার ক্রিম লাগাতে হবে। যাদের মুখ খসখসে তারা মুখে সাবান দিবেন না। কেনো না সাবান এসিডিক ক্রিয়া করে ত্বক থেকে তৈলাক্ত ভাব কমিয়ে ফেলে এবং ত্বক আরও খসখসে করে ফেলে। মুখ পরিষ্কার করার জন্য ময়দার সঙ্গে টাটকা দুধ মিশিয়ে পেস্টের মতো করে ত্বকে লাগানো যেতে পারে। গোসলের আধা ঘণ্টা পূর্বে হালকা গরম তেল দিয়ে শরীর মালিশ করা ভালো। অলিভ অয়েল, নারকেল বা সরষের যে কোন তেল ব্যবহার করতে পারেন। গোসলের পরে ঘষে ঘষে মুখ-গা মুছবেন না। ত্বক খসখসে হলে প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে কোল্ড ক্রিম মুখে লাগালে ত্বকের উন্নতি হবে। এ ধরনের ত্বক যাদের, তাদের পোষমি ও উলের কাপড় না পরায় ভালো। কারণ এতে করে ত্বকে চুলকানি ও চামড়া উঠে যেতে পারে। তবে ইচ্ছে করলে উলের কাপড়ের নিচে পাতলা সুতি কাপড় পরে নিতে পারেন। চামড়া উঠে যাচ্ছে এমনটা হলে লবণ পানিতে গোসল করতে হবে। মাঝারি বালতিতে ২০ গ্রাম বা ৪ চা চামচ খাদ্য লবণ পানিতে মেশাতে হবে। এই পানিতে ১৫ থেকে ২০ মিনিট সময় ধরে গোসল করতে হবে। এভাবে দিনে অন্তত দু’বার গোসল করা প্রয়োজন। গোসলের পরে বাদাম তেল বা অলিভ অয়েল দিয়ে শরীর মালিশ করতে হবে। এভাবে গোসল করা খুব সাধারণ মনে হলেও সুক্ন চামড়া খসখসে ত্বকের জন্য খুবই উপকারী এবং ভালো ফলদায়কও বটে। এ সকল নিয়ম মেনে চললে ত্বকের খসখসে ভাব দূর হবে এবং স্বাস্থ্য ভালো ও উজ্জ্বল হবে।সূত্রঃ দ্যা টাইমস
কয়েকটি পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন| ১)স্নেহ জাতীয় খাদ্য খাবেন ২)ময়েশ্চার যুক্ত কসমেটিক(পুরুষ)ব্যবহার করুন| ৩)শরীরে শরিষার তেল ব্যবহার করতে পারেন| ৪)সকালের মূদু রোধে হাটতে পারেন|
ত্বক ভালো রাখার একমাত্র উপাদান হল পানি। প্রচুর পানি খেলে শরীর এর টক্সিন বের হয়ে যায় রুক্ষতা থাকে না ত্বক সতেজ থাকে ত্বকের যত্নে প্রাকৃতিক নানা জিনিস ই ব্যাবহার করা হয়ে থাকে। ফলের রস, শরবতের মতো তরল জাতীয় খাবার বেশি খাবেন। ক্রিমঃ শুষ্ক ত্বকের খসখসে ভাব দূর করার জন্য তার হাত থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য সবসময় ক্রিম ব্যবহার করা উচিত। অবশ্য ক্রিমের বদলে বেবি লোশনও ব্যবহার করতে পারেন। তবে গরমের দিনে ক্রিম হতে হবে তেলবিহীন। নতুবা ক্রিমের অতিরিক্ত তেল গরমে আরো বেশি সমস্যা তৈরি করবে.. তবে নিয়মিত গোসল করবেন যেনো ধূলিকণা গায়ে জমতে না পারে।
বয়স ৩০ অতিক্রম করার পর থেকেই আমাদের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে পরিবর্তন আসতে শুরু করে। এসময় শরীরের ত্বকেও ধীরে ধীরে নেতিবাচক পরিবর্তন আসতে থাকে। বিশেষ করে নারীদের ত্বকে বয়সের কারনে ভাঁজ পড়তে পারে। এসময় মেয়েরা মুটিয়েও যেতে পারেন। তো, ত্রিশের পর অনাকাঙ্খিতভাবে মুটিয়ে যাওয়া থেকে বাঁচতে, খসখসে ত্বকের কবল থেকে বাঁচতে আপনার কী করা যেতে পারে? প্রথমত, প্রতিদিন সুষম খাবার খেতে হবে। এ ক্ষেত্রে আমাদের চারটি বিষয় খেয়াল করা উচিত। এক. প্রতিদিন ফ্রেশ শাক-সবজি ও ফল খাওয়ার চেষ্টা করুন। এসব খাবারের মধ্যে প্রচুর ভিটামিন ও ট্রেইস উপাদান (Trace Elements) থাকে। এসব উপাদান ত্বকের ভাঁজ প্রতিরোধে সহায়ক বলে জানান বিশেষজ্ঞরা। দুই. শরীরে ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করুন। প্রতিদিন এক গ্লাস দুধ খাওয়ার চেষ্টা করুন। দুধ আমাদের শরীরের ফিটনেস বাড়ায় এবং শরীরের ক্যালসিয়ামের অভাব দূর করে। তিন. বেশি পানি পান করুন। পানির অপর নাম জীবন। পানিও শরীরে অন্যতম এক পুষ্টিকর উপাদান। প্রতিদিন ১ থেকে ২ লিটার পানি পান করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। পানি ত্বক মসৃণ রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। চার. সকালের নাস্তা ভালভাবে ও নিয়মিত করুন।নাস্তা যত সমৃদ্ধ, শরীরের জন্য ততই ভাল। আমাদের নাস্তায় একটা ডিম থাকা দরকার বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। দ্বিতীয়ত, স্থুলতা প্রতিরোধ করা জরুরি। মধ্যবয়সী হলে আমাদের স্থুলতা রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। বিশেষ করে নারী বন্ধুদের জন্য এ কথা প্রযোজ্য। সুতরাং, প্রতিদিন ২ ঘন্টা শরীরচর্চা করা উচিত। তৃতীয়ত, যথেষ্ট ঘুমানো দরকার। যথেষ্ট ঘুম হলে শরীরের ক্লান্তি দূর হয়, শারীরিক শক্তি পুনরায় ফিরে আসে। এটা ত্বক মসৃণ রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। রাত জাগা এমনিতেই স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এর ওপরে যদি যুক্ত হয় কম্পিউটার থেকে নির্গত ক্ষতিকর রশ্মি,তাহলে তো কথাই নেই! বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাত জেগে কম্পিউটারে যারা কাজ করেন, তাদের মুখের ত্বকে অসময়ে ভাঁজ পড়তে পারে। তাই, রাতকে ঘুম বা বিশ্রামের জন্য নির্ধারিত রাখুন। দিনের বেলাটা থাকুক কাজের জন্য। চতুর্থত, ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে চলুন। মনের সুস্থতার ওপর গুরুত্ব দিন। মন ভালো থাকলে তার প্রভাব পড়বে আপনার ত্বকেও।
প্রথমত, প্রতিদিন সুষম খাবার খেতে হবে। এ ক্ষেত্রে আমাদের চারটি বিষয় খেয়াল করা উচিত। এক. প্রতিদিন ফ্রেশ শাক-সবজি ও ফল খাওয়ার চেষ্টা করুন। এসব খাবারের মধ্যে প্রচুর ভিটামিন ও ট্রেইস উপাদান (Trace Elements) থাকে। এসব উপাদান ত্বকের ভাঁজ প্রতিরোধে সহায়ক বলে জানান বিশেষজ্ঞরা। দুই. শরীরে ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করুন। প্রতিদিন এক গ্লাস দুধ খাওয়ার চেষ্টা করুন। দুধ আমাদের শরীরের ফিটনেস বাড়ায় এবং শরীরের ক্যালসিয়ামের অভাব দূর করে। তিন. বেশি পানি পান করুন। পানির অপর নাম জীবন। পানিও শরীরে অন্যতম এক পুষ্টিকর উপাদান। প্রতিদিন ১ থেকে ২ লিটার পানি পান করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। পানি ত্বক মসৃণ রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। চার. সকালের নাস্তা ভালভাবে ও নিয়মিত করুন। নাস্তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ । হ্যাঁ, নাস্তা যত সমৃদ্ধ, শরীরের জন্য ততই ভাল। আমাদের নাস্তায় একটা ডিম থাকা দরকার বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।যা খসেখসে ত্বকের খসখসেভাব দূর করতে সাহায্য করে।
একঃ বেসন, লেবুর রস ও কাঠবাদাম একসাথে পেস্ট করে ১০ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখুন। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে ফেলুন। বেসন ও লেবুর রস মুখের মৃত কোষ, কালোদাগ দুর করতে সহায়তা করে। কাজু বাদাম ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে। দুইঃ কলা ও দুধ একত্রে পেস্ট করে মুখে ও ঘাড়ে ১৫ মিনিট রেখেদিন। তারপরে পরিষ্কার ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ত্বক মসৃন করতে কলার কোন জুড়ি নেই। তিনঃ মধুর ঔষধি গুনের কথা কে না জানে। ত্বক উজ্জ্বল ও মসৃন করতেও মধু খুব কার্যকর। দই, মধু ও লেবুর রস একসাথে মিশিয়ে ২০ মিনিট ধরে মুখে লাগিয়ে রাখুন। এতকিছু হাতের কাছে না থাকলে শুধু মধুই ২০ মিনিট মুখে লাগিয়ে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত করলে কিছুদিন পরেই দেখতে পাবেন আপনার ত্বক আগের থেকে অনেক বেশী উজ্জ্বল হয়ে গেছে। চারঃ আলু বা টমেটো শুধু ভাল সবজীই নয় বরং এক একটা রং ফসর্াকারী এজেন্ট। আলু এবং টমেটো পেস্ট প্রতিদিন ব্যবহার করলে আপনি পাবেন দ্যুতিময় ত্বক। পাঁচঃ মসুরের ডাল, দুধ লেবুর রস এবং চালের গুড়া একসাথে পেস্ট করলেই হয়ে যাবে সুন্দর ও কার্যকরী স্ক্রাব। সপ্তাহে তিন দিন ব্যাবহার করুন। আপনার ত্বক হবে আরো পরিষ্কার। ছয়ঃ ডিমের সাদা অংশ ও মধু একসাথে মিশিয়ে ২০ মিনিট মুখে মেখে রাখুন। তার পরে ধুয়ে ফেলুন। ত্বক উজ্জ্বল ও টান টান ভাব আনতে সাহায্য করবে এই
প্রবণতা শীতকালে বেশি দেখা যায়। শুষ্কতার কারণে ত্বক ফেটে যায় ও আঁশের মতো উঠতে থাকে। বেশি শুকনো হলে ত্বক লালচে হয়। অনেক সময় ত্বক ফেটে রক্ত বের হয়। আবার কখনো কখনো এর থেকে চুলকানি, ত্বকের প্রদাহও হতে পারে। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ কমে গেলে সবার ত্বকই কমবেশি শুকনো হয়। তবে অনেকেই আছেন, যারা জন্মসূত্রে শুকনো ত্বক লাভ করেন। ইকথায়োসিসের ফলে ত্বক স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি শুষ্ক হয়ে যায়। মাছের আঁশের মতো বড় বড় ত্বকের টুকরো ওঠে। বয়স বাড়ার সঙ্গে অনেকেরই এ রোগ অনেকাংশে কমে যায়। শুষ্কতার কারণ : বহির্ত¡কের একবারে বাইরের স্তর বা কেরাটিন স্তরের অভ্যন্তরে পানির পরিমাণ কমে গেলে ত্বক শুকনো হয়ে যায়। আবার বেশি বেশি সাবান ব্যবহারের ফলে ত্বকের ওপরের স্বাভাবিক ময়শ্চারাইজার আবরণ নষ্ট হয় এবং ত্বকের প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। ডিটারজেন্ট বা সমজাতীয় কেমিক্যাল ব্যবহারের ফলে বহির্ত্বকের কোষের মধ্যকার লিপিড স্তর বা চর্বি স্তর গলে যায়। ফলে কোষ আলগা হয়ে পড়ে। কোনো কারণে কেউ বেশিদিন অপুষ্টিতে ভুগলেও ত্বক শুকনো হতে পারে। অপুষ্টি হলে ত্বকের ফ্যাট অংশে টান পড়ে। বিশেষ করে লাইনোলেইক এসিড নামে ফ্যাটি এসিড শরীরে কমে গেলে ত্বকের প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকাংশে কমে যায়। খাবারে লইনোলেইক এসিড না থাকলে ত্বক শুকনো হওয়ার আশঙ্কা থাকে। প্রতিকার : বাতাসে যখন আর্দ্রতা কমে যায়, বিশেষ করে শীতকালে তখন তেল ও পানির একটি প্রলেপ ত্বকে মাখতে হবে। সেটি হতে পারে অলিভ অয়েল বা নারিকেল তেল। বাজারে এখন বিভিন্ন ধরনের ময়শ্চারাইজার পাওয়া যায়, যা শুষ্ক ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। গ্লিসারিনও একটি ভালো মশ্চারাইজার। এটা পানির সঙ্গে মিশ্রণ করে ত্বকে মাখতে হয়। গোসল সেরে ওঠা মাত্রই টাওয়াল দিয়ে চেপে পানিটুকু তুলে নিতে হবে। তারপর পানি আর গ্লিসারিনের মিশ্রণ শরীরে মেখে দিতে হয়। তবে ত্বকের ভাঁজযুক্ত স্থানে গ্লিসারিন বা ময়শ্চারাইজার না মাখাই ভালো। কারণ ওইসব এলাকা ফাঙ্গাসের উর্বর ক্ষেত্র। সেখানে গ্লিসারিন বা ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করলে ত্বক ভেজা থাকবে এবং ফাঙ্গাসের জন্ম হবে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy