5 Answers
১ টেবিল চামচ গুঁড়ো দুধ,১ টেবিল চামচ মধু,১টেবিল চামচ লেবুর রস এবং আধা টেবিল চামচ বাদামের তেল ভালো ভাবে মিশিয়ে মুখে ১০-১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন।তারপর পরিষ্কার করুন।এই প্যাকটি মুখে শাইন আনবে আর রোদে পোড়া ভাব দূর করবে। • বেশন,দুধ ২ চা চামচ এবং লেবুর রসের মিশ্রন মুখে,গলায় লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।সপ্তাহে ২বার এটা লাগান আপনার গায়ের রঙ অবশ্যই উজ্জ্বল হবে। • আমরা সবাই কমলা খেয়ে খোসাটা ফেলে দিই,অথচ এই ফেলনা জিনিসটাই আপনাকে পৌছে দিবে আপনার স্বপ্নের অনেক কাছাকাছি। কমলার খোসা রোদে শুকিয়ে নিন। তারপর মিহি করে গুঁড়ো করে নিন। তারপর ১ টেবিল চামচ গুঁড়োর সাথে ১ টেবিল চামচ টক দইয়ের পেস্ট মুখে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। • ঝকঝকে ত্বকের জন্য চন্দন গুঁড়োর অবদান অনস্বীকার্য। চন্দন গুঁড়োর সাথে দুধ মিশিয়ে প্রত্যেকদিন হালকা হাতে ম্যাসাজ করুন। অল্প দিনের মধ্যে আপনার মুখে হাসি ফুটবেই। • আপনার যদি টমেটো তে অ্যালার্জি না থেকে থাকে তাহলে কয়েক ফোঁটা লেবুর রসের সাথে টমেটোর ক্লাথ মিশিয়ে মুখে এবং গলায় ব্যবহার করুন ফর্সা ত্বকের জন্য আর ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। • আধা কাপ চায়ের লিকার(ঠাণ্ডা),২ চামচ চালের গুঁড়ো, আধা চামচ মধু মিশিয়ে মুখে লাগান।চালের গুঁড়ো স্ক্রাবার হিসেবে কাজ করবে আর মধু মুখের আর্দ্রতা বজায় রাখবে। • শশার রস আর মধু সমান পরিমাণ নিয়ে ১৫ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখুন।এটি শুষ্ক ত্বকের জন্য অনেক উপকারী। তৈলাক্তও ত্বকে মধুর বদলে লেবু ব্যবহার করতে হবে। • সপ্তাহে একবার পাকা কলা চটকিয়ে মুখে লাগান আর ৩/৪ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।মুখে লুকিয়ে থাকা সব ময়লা নিমিষে পালিয়ে যাবে আর আপনি হয়ে উঠবেন আরো আকর্ষণীয়। • ২ টেবিল চামচ বেসন,২ চিমটি কাঁচা হলুদ ,২-৩ ফোঁটা লেবুর রস আর ১ চা চামচ দুধ দিয়ে প্যাক বানিয়ে ফেলুন। মুখে ৫ মিনিট ভালো ভাবে ম্যাসাজ করুন এই প্যাকটি।তারপর ২০ মিনিট পরে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।তবে মনে রাখবেন হলুদ কিন্তু সবার ত্বকের জন্য নয়। তাই আগে একটু টেস্ট করে নিবেন কাঁচা হলুদ আপনার বন্ধু না শত্রু।
গায়ের রং ফর্সা করতে মসুর ডাল গুঁড়ো করে নিন মিহি করে। তার মধ্যে ডিমের হলুদ অংশটা মেশান। রোদের মধ্যে এই পেস্টটা শুকিয়ে নিন ভালো করে। একদম মচমচে হয়ে গেলে গুঁড়ো করে শিশির মধ্যে ভরে রেখে দিন। প্রতিদিন রাতে শোবার আগে ২ ফোটা লেবুর রসের সঙ্গে ১ চামচ দুধ ও এই গুঁড়ো খানিকটা মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে মুখে লাগান। আধ ঘন্টা রাখার পরে মুখটা ধুয়ে ফেলুন। মুখ ধোয়ার পর কাঁচা দুধ খানিকটা তুলোতে নিয়ে মুখে বুলিয়ে নিন। আরও ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। ফেসপ্যাক-২ তিল বেটে নিন অথবা গুঁড়ো করে নিন। এতে সামান্য পানি মিশিয়ে ভালো করে চটকে নিন। এবার ছেঁকে নিন। ছাঁকার পর একটা সাদা রঙের তরল পাবেন সেটা মুখে লাগান, বিশেষ করে রোদে পোড়া জায়গায়। আধা ঘণ্টা পর ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। অচিরেই ত্বকের রঙ ফিরে পাবেন। ফেসপ্যাক-৩ ত্বকের রং আরও ফর্সা করার জন্য টক দই লাগান মুখে। যাদের ত্বক শুষ্ক তাঁরা মধু ও দই মিশিয়ে নিন। মিনিট বিশেক রাখুন মুখে, তারপরে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত তিন দিন এরকম লাগাতে হবে। ফেসপ্যাক-৪ তৈলাক্ত ত্বক উজ্জ্বল করতে মুলতানি মাটি, থেঁতো করা পদ্মপাপড়ি ও নিমপাতা বাটা এবং চালের গুঁড়ো মিশিয়ে ফেসপ্যাক তৈরি করুন। মুখে-গলায় লাগিয়ে রাখুন। ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। ধুয়ে ফেলার পর মুখে কাঁচা দুধ লাগিয়ে রাখুন আরও আধা ঘণ্টা। ফেসপ্যাক-৫ আলুর রস ও কাঁচা দুধ মিশিয়ে ফেসপ্যাক তৈরি করুন। সাথে দিন চন্দনের গুঁড়ো। দিনে ২বার এই মিশ্রণ মুখে লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট করে। দ্রুত রঙ উজ্জল হবে। চন্দন না দিলেও সমস্যা নেই। এগুলো থেকে যে কোন একটি উপায় বেছে নিন। এবং অবলম্বন করুন। নাম্বার ৫ ছাড়া বাকি যে কোন প্যাক ব্যবহার করলে দিনে দুবার কাঁচা দুধ মুখে লাগিয়ে রাখবেন। ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলবেন। এতে জলদি কাজ করবে।
ঘরোয়া ব্লিচঃঘরোয়া ব্লিচ করা সবচাইতে সহজকাজ। আর এই জন্য কেবল লাগবে টমেটো। চটজলদি রঙ ফর্সা করতেএই ব্লিচের জুড়ি নেই।*.টমেটোর ভেতর থেকে পাল্প বের করে ভালো মত চটকে নিন। একটু লেবুর রস মিশিয়ে পুরো মুখে লাগান। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। সাবান লাগাবেন না। দেখবেন চেহারাটা কেমন ঝলমলে হয়ে উঠেছে।ফ্রুট মাস্কঃবাড়িতে বসে একসঙ্গে ত্বকে পরিষ্কার করতে, পোড়া ভাব দূর করতে, ক্লান্তি কাটাতে ও উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে রাখতে ব্যবহার করুন শশা ও তরমুজের মাস্ক।যা যা লাগবে-শশার রস ২ টেবিল চামচ,তরমুজের রস ২ টেবিল চামচ,টক দই ১ চা চামচ।*.সবকিছু একসঙ্গে মিশিয়ে পুরো মুখে ভাল করে লাগান। ১৫ মিনিট পর ঠান্ডা পানিতে ভাল করে মুখ ধুয়ে নরম তোয়ালে দিয়ে আলতো করে মুছে নিন। তরমুজ ত্বক পরিষ্কার করে। পোড়া ভাব তুলে টোনারের কাজও করে। ত্বকের কালো ভাব কাটায় শশাও। ত্বককে নরম ও টানটান রাখে দই।প্রোটিন ফেসপ্যাকঃদই, কলা, ডিম-এই নামগুলো শুধু স্বাস্থ্যের পক্ষেই উপকারী নয়, ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতেওএদের কেরামতি কিছু কম নয়। এই প্যাক পার্লারের ফেসিয়ালের উজ্জ্বলতা এনে দেয় ত্বকে।যা যা লাগবে-অর্ধেক কলা,১টি ডিমের সাদা অংশ,দই ১ টেবিল চামচ।*.কলা ভাল করে চটকে নিয়ে ডিমের সাদা অংশ ও দইয়ের সঙ্গে ব্লেন্ড করে নিন। পুরো মুখে ভাল করে সমান ভাবে লাগান। ১৫ মিনিট পর ঠান্ডা জলে মুখে ধুয়ে পরিষ্কার তোয়ালে দিয়ে আলতো করে মুছে নিন।
ত্বক ফর্সা রাখার কিছু উপায় নীচে দেয়া হলোঃ ১। সূর্যের তাপ থেকে দূরে থাকাঃ সূর্যের তাপ থেকে সব সময় নিজের ত্বককে রক্ষা করুন। সূর্যের তাপ সরাসরি ত্বকের উপর পড়লে ত্বকের রঙ ধীরে ধীরে কালচে হতে শুরু করে। কিন্তু আমরা যতই বলি সূর্যের আলোকে এড়িয়ে চলতে, ব্যস্ততাপূর্ণ এই জীবনে আসলেই কি তা সম্ভব? না। নিত্যদিনের কাজে আমাদের বের হতেই হবে । এজন্য রোদে বের হবার আগে ভালো ব্র্যাণ্ডের সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন যা আপনার ত্বকের সুরক্ষায় নিয়োজিত থাকবে। ২। পানিঃ ‘পানির অপর নাম জীবন’। পানি ছাড়া দেহ যেমন নিশ্চল, তেমনি ত্বকও নিশ্চল, প্রাণহীন হয়ে পড়ে। সারাদিন প্রচুর পানি পান করুন। সকালের শুরুটা করুন পানি পানের মাধ্যমে। প্রতি ঘণ্টায় ঘণ্টায় এক গ্লাস করে অন্তত পানি পান করতে থাকুন। পানি নিজের মানসিক ও শারীরিক শক্তি ঠিক রাখতেও সাহায্য করবে ৩। টমেটোঃ টমেটো আমাদের সবার বাসায়ই থাকে। টমেটো ভিটামিন সি তে সমৃদ্ধ। টমেটো, ২-৩ ফোঁটা লেবুর রস, কয়েক ফোঁটা গোলাপজল মিশিয়ে পেস্ট করে মুখে ও গলায় লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট রাখুন। প্রতি সপ্তাহে এটি করতে পারেন। ৪। বাদাম ও হলুদের পেস্টঃ সকালে দুধের মধ্যে ৪-৫টি বাদাম, জাফরান মিশিয়ে রাখুন। রাতে হলুদ মিশিয়ে পেস্ট করুন। রাতে এই পেস্ট মুখে ও গলায় লাগিয়ে রাখতে পারেন। সকালে উঠে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। প্রতি ২ সপ্তাহ পর পর এটি করতে পারেন। ৫। পেঁপে, কলা, কমলার পেস্টঃ এক বাটিতে পেঁপে, কলা, কমলা চটকে পেস্ট করে নিন। তারপর মুখে ও গলায় লাগিয়ে ২০-৩০ মিনিট রাখুন। এই মিশ্রণ সপ্তাহে অন্তত একবার করে দিতে পারেন। ৬। মুখ ধোয়াঃ সারাদিনের কর্মব্যস্ততায় আমাদের মুখে ধূলোবালি লেগে থাকে। ধূলোবালি আটকে মুখ ময়লা হয়ে যায়। তাই সময় মত মুখ ধুয়ে নিন। একটু পর পর মুখ ধুলে মুখের সব জীবাণু চলে যায়। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার উপর আমাদের শরীরের সুস্থতাও অনেকটা নির্ভর করে। ৭। দুধঃ আমরা প্রায়ই বলি, ‘দুধে আলতা গায়ের রং’। হ্যাঁ। দুধে আলতা গায়ের রঙ সবার কাম্য আর দুধও হতে পারে আপনার ত্বক ফর্সা করার একটি মাধ্যম। দুধ ত্বকের মরা চামড়া দূর করে ত্বকের ঔজ্জ্বল্য ফিরিয়ে আনে। একটি বাটিতে কিছুটা দুধ নিয়ে তার মধ্যে একটি তোয়ালে ভিজিয়ে আপনার মুখে আলতো ভাবে ঘষতে থাকুন। চাইলে আপনি দুধের মধ্যে ২ টেবিল চামচ যবের গুঁড়া, ২ টেবিল চামচ বাদামি চিনি মেশাতে পারেন। এলার্জির সমস্যা থাকলে এই পেস্ট উপযোগী নয়। ৮। লেবুঃ একটি লেবু কেঁটে দুই ভাগ করুন আর মুখে ঘষতে থাকুন। এভাবে ১০-২০ মিনিট করার পর ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন এটি করার ফলে আপনার ত্বক অনেকটা ফর্সা থাকবে। ৯। বেবী পাউডারঃ আগেই বলেছি, রোদে বের হবার আগে সানস্ক্রিন মাখুন। তবে সানস্ক্রিন মাখার পর মুখে ও গলায় বেবী পাউডার মেখে নিন। একটি তুলার সাহায্যে আপনি পাউডার নিতে পারেন। পাউডার এমন ভাবে নেবেন যাতে কোথাও কম বেশি না হয়। ১০। আলুঃ আলু ত্বক ফর্সা করার জন্য খুবই উপকারী। আলু চটকে তার মধ্যে ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে পেস্ট করে নিন এবং তা মুখে ও গলায় লাগিয়ে ২০ মিনিট রাখুন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি সব ধরনের ত্বকের জন্য প্রযোজ্য। ১১। লেবুর রস ও মধুঃ লেবুর রস ও মধুর মিশ্রণও আপনি মুখে ও গলায় লাগিয়ে নিতে পারেন। এটি ত্বকের রং উজ্জ্বল করতে সহায়তা করে। ১২। হলুদঃ হলদে গায়ের রঙ সবার পছন্দ আর তাইতো বিয়ের কনেকে হলুদ দেয়া হয়। হলুদ দিয়ে আপনি ত্বকের রঙ অনেক লাবণ্যময় করে তুলতে পারেন। হলুদ, ময়দা ও অলিভ অয়েল একসাথে মিশিয়ে পেস্ট করে মুখে ও গলায় লাগিয়ে আপনি ফিরিয়ে আনতে পারেন ত্বকের ফর্সা ভাব। কিন্তু যাদের এলার্জির সমস্যা তাদের জন্য হলুদ উপযোগী নয়। তারা শুধু ময়দা মুখে ঘষে ঘষে লাগাতে পারেন। ময়দা এক ধরনের স্ক্রাব হিসেবে কাজ করে। এই তো গেল কী কী করতে হবে। -এবার চলুন জেনে নিই কী কী করা যাবেনা। ১। মুখ কখনও সাবান দিয়ে ধুবেন না। ২। ত্বকের ধরণ বুঝে ফেইস ওয়াশ কিনুন। ৩।মুখে কোনদিন ব্লিচ করবেন না। ব্লিচ মুখের জন্য খুবই ক্ষতিকর। ৪। দুপুর বেলার রোদ এড়িয়ে চলুন। ৫। ধূমপানও আপনার মুখের ত্বকের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। ত্বক ফর্সা রাখার এই কয়েকটি উপায় আপনি নিয়মিত মেনে চললে আপনিও পেতে পারেন অত্যন্ত সুন্দর ও উজ্জ্বল ত্বক। আশা করি এই টিপস গুলো আপনার কাজে লাগবে।
অনেকে মেলানিন সার্জারি করে রঙ ফর্সা করে। এটি নিরাপদ নয়। তবে ঘরোয়া পদ্ধতিতে রঙ ফর্সা করার উপায় আছে। যা ত্বকের জন্য স্বাস্থ্যকর। প্রাকৃতিকভাবে দ্রুত গায়ের রং ফর্সা করবে এই প্যাক। উপকরণ সমূহ: ১/২ টেবিল চামচ টকদই ১ টেবিলচামচ শসার পেষ্ট ১ টেবিলচামচ গুঁড়া দুধ প্রস্তুত প্রণালী: প্রথমে মুখটি ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছে নিন। এরপর টক দই, শসার পেষ্ট, গুঁড়া দুধ মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে ফেলুন। প্যাকটি ভাল করে মুখে লাগান। শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে কসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এখন আয়নায় নিজের মুখটা দেখুন। দেখবেন বেশ উজ্জ্বল দেখাচ্ছে। এর নিয়মিত ব্যবহারে প্রাকৃতিকভাবে আপনার গায়ের রং আগের চেয়ে অনেক বেশি উজ্জ্বল হবে। কীভাবে কাজ করে টক দই রোদে পোড়া দাগ দূর করে থাকে। এতে ভিটামিন সি, জিঙ্ক, ক্যালসিয়াম আছে। যা ত্বকের রং ভিতর থেকে ফর্সা করে। এটি ত্বকে ময়েশ্চারাইজ ও এক্সফোলিয়েট করে থাকে। এ ছাড়া বলিরেখা দূর করতে টক দই এর জুড়ি নেই। শসার পেষ্ট ত্বককে ঠান্ডা অনুভূতি দিয়ে থাকে। ত্বকের কালো দাগ, চোখের নিচের দাগও দূর করে থাকে শসা। শসা ত্বকের খুব ভাল টোনার হিসেবে কাজ করে। অন্যদিকে গুঁড়ো দুধ ত্বকের দাগ দূর করে ত্বককে উজ্জ্বল ও মসৃণ করে থাকে।