3 Answers
সাধারণত নানা কারণে মুখের ত্বকে ভাজ পড়তে পারে। তন্মধ্যে রয়েছে বারবার মুখ ও কপাল কুচকিয়ে ভঙ্গিমা করা, বয়স জনিত সমস্যা, সান ড্যামেজ বা সূর্য কিরণে ত্বকের ক্ষতি, ধূমপান, পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি না পান করা এবং হরমোনের তারতম্যসহ অন্যান্য কিছু কারণ। বিশেষ করে শরীরে যদি কর্টিসোল হরমোনের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে যায় তাহলে ত্বকের কোলাজেন ভেঙ্গে যায়। ফলে ত্বকের ভাজ বা রিংকেল সৃষ্টি হয়। এছাড়া ডায়াবেটিস, ইনফেকশাস ডিজিজসহ নানা কারণে শরীরের ওজন কমলেও ত্বকে ভাজ পড়ে বা ত্বক শিথিল হতে পারে। এখন ত্বকের এই ভাজ প্রতিরোধ করতে হলে প্রচুর পরিমাণ পানি পান, অকারণে কপাল কুচকানো বন্ধ করা, ধূমপান সম্পূর্ণ পরিহার এবং কিছু কিছু কসমেটিক পদ্ধতি অনুসরণ করে ভালো ফল পাওয়া যায়। কসমেটিক পদ্ধতির মধ্যে রয়েছে মেডিক্যালি এ্যাপরুভড ব্লিচিং এজেন্ট ও কেমিক্যাল ব্যবহার, বোটক্স ও কৃত্রিম কোলাজেন প্রয়োগ, কেমিক্যাল পিলিং ও ক্ষেত্র বিশেষ লেজার ব্যবহার করা যেতে পারে।
এই সমস্যা মোকাবিলা করার একটাই উপায়। সেটা হল ত্বক খুব ভালোভাবে ময়শ্চারাইজ করা। সকালে ঘুম থেকে উঠে হালকা কোনো ফেইস ওয়াশ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে ময়শ্চারাইজার সমৃদ্ধ ক্রিম লাগানো উচিত। তবে বাড়ি ফিরে রাতে কখনই ফেইস ওয়াশ ব্যবহার করা উচিত নয়। তখন ক্লিনজিং মিল্ক দিয়ে মুখটা পরিষ্কার করে ময়শ্চারাইজ করতে হবে। এছাড়া বাইরে বের হওয়ার ২০ মিনিট আগে সানস্ক্রিম আর রাতে শোওয়ার আগে নাইট ক্রিম লাগিয়ে তারপর ঘুমাতে যাবেন।
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ত্বকের ভেতরে ডার্মিস স্তর পাতলা হতে থাকে। কোলাজেন ও অন্যান্য ফাইবারের পরিমাণও কমে যায়। এতে করে ত্বক ঢিলে হয়ে আসে, ফলে ভাঁজ পড়তে শুরু করে। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের শুষ্কতাও বাড়ে, আর এটিও ভাঁজের জন্য কিছুটা দায়ী। কিছু বিষয় ত্বকের এই বুড়িয়ে যাওয়া ত্বরান্বিত করতে সাহায্য করে। যেমন অতিরিক্ত রোদে বা সূর্যালোকে কাজ করা, ধূমপান, পরিবেশদূষণ ও পারিবারিক ইতিহাস। ধূমপান ত্বকের কোলাজেনকে ধ্বংস করে। ত্বকের অকাল ভাঁজের চিকিৎসায় রেটিনয়েড ক্রিম থেকে শুরু করে বটুলিনাম টক্সিন, লেজার, কেমিক্যাল পিলিংসহ নানা পদ্ধতি ব্যবহূত হয়। কিন্তু এর কোনোটাই স্থায়ী সমাধান নয় এবং অত্যন্ত ব্যয়বহুলও বটে। আর চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনোটাই গ্রহণ করা যাবে না। দিনের বেলা বেরোতে হলে অবশ্যই ত্বকে সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে। ধূমপান পরিহার করুন। খাদ্যের তালিকায় প্রচুর ভিটামিন এ, সি, ই এবং বি-৩ যুক্ত খাবার রাখুন। ত্বকের শুষ্কতা এড়াতে প্রচুর পানি পান করুন। প্রতিদিন নিয়ম করে শাকসবজি, দুধ ও পুষ্টিকর খাবার খেতে থাকুন। কারণে-অকারণে কপাল কুঁচকানো বাদ দিতে হবে। আর সর্বদা প্রফুল্ল থাকুন।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy