আমি রাতে ঘুমানোর অনেক চেষ্টা করি কিন্তু ঘুম হয় না। আমি কিন্তু সকাল হতে শুরু করলে ঘুম এর ভাব আসা শুরু করে তখন ঘুমাই। আমি রাতে ঘুমাতে চাই। এ ক্ষেত্রে বিসশজ্ঞ সমাধান চাই।
3629 views

4 Answers

পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীর দেহ ও মনে যেমন আসে দুর্বলতা তেমনি আসে সারাদিনের কাজকর্মে অক্লান্ত বিশাদ। তাই,দিনের আলাদা আলাদা সময় করে ঘুমানো চেয়ে রাতের একটানা ৬ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুম আপনার শরীরের জন্য যতেষ্ট।

3629 views

আপনি একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ এর সাথে কথা বলুন | আর নিয়ম মেনে চলুন, যেমনঃ রাতে চা, কফি, বা অন্য কোন নেশাদার পদার্থ খাবেন না | বিকালে ঘুমাবেন না | রাতে শোয়ার আগে নীল ছবি বা এরকম কিছু দেখবেন না | দশটার আগেই বিছানায় যাওয়ার চেষ্টা করবেন এবং বিছানায় শুইয়ে কোন আজেবাজে চিন্তা করবেন না | উচ্চ রক্ত চাপ থাকলে ঘুমের সমস্যা হয় তাই প্রেসার চেক করে দেখুন | আবার স্নায়বিক দূর্বলতা বেশি হলেও ঘুম কম হয় | রাতে শুইয়ে ফোনে কথা বলবেন না, এতেও ঘুমের সমস্যা হয় |

3629 views

ডা: শাহরিয়ারের পোষ্ট ঘুমের ফলে মানুষের শরীর ক্লান্তি দুরকরে নতুন করে সজীব হয়ে উঠে। একজন মানুষের কত ঘন্টা ঘুম দরকার সেটা বিভিন্ন ব্যাক্তির ক্ষেত্রে বিভিন্ন হয়। এটি বয়সের উপরও নির্ভর করে। শিশুদের ক্ষেত্রে ১৬ থেকে ১৮ ঘন্টাঘুম দরকার হয়, আবার বয়স্কদের ক্ষেত্রে ৭ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুমযথেষ্ট। কম সময় ঘুমালে চিন্তাশক্তি এবং স্মৃতি কমে যায়, বিষন্নতা হয় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। যদি দেখেন,আপনার রাতে ঘুম ধরতে কষ্ট হচ্ছে বা রাতে বারবার ঘুম ভেঙ্গে যাচ্ছে বা সকালে ঘুম ভাঙ্গতে কষ্ট হচ্ছে বা সারাদিন ক্লান্তলাগছে তাহলে ধরে নিতে পারেন আপনার ঘুমের সমস্যা আছে। নানা কারনে ঘুমের কষ্ট হয়, বিষন্নতা দুঃশ্চিন্তা কাজের চাপ মানসিক রোগ শারিরীক রোগ ( হৃদরোগ, হাপানি, থাইরয়েডের সমস্যা, আর্থারাইটিস) রেষ্টলেস লেগ সিন্ড্রম ( রাতে পা নাড়াবার অত্যাধিক প্রবনতা ), Circadian Rhythm Disorders ( দেহ ঘড়ির সময়সুচি এলোমেলো হওয়া , আমাদের ব্রেনের হাইপোথেলামাস নামের একটি অংশ দেহের ছন্দ বা ঘড়ি নিয়ন্ত্রন করে এ কারনেই আমাদের রাতে ঘুম পায়। জেট ল্যাগ, নাইট শিফট, একেক দিন একেক সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এ রোগের কারন।) sleep apnoea ( ঘুমের ভেতর শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়া) অতিরিক্ত চা, কফি এবং কিছু ওষুধের ( প্রেশারের ওষুধ, হাপানির ওষুধ, বিষন্নতার ওষুধ ) কারনে ঘুমের কষ্ট হয়। কিছু অভ্যাস ঘুমের ক্ষেত্রে সাহায্য করবে, দিনের বেলা করনীয় প্রতিদিন একই সময়ে ঘুম থেকে উঠা , দিনের বেলা না ঘুমানো, প্রতিদিন ব্যায়াম করা। রাতের বেলা করনীয় শুতে যাবার অন্তঃত ৪ ঘন্টা আগে থেকে চা, কফি না খাওয়া এবং ধুমপান না করা। শোবার আগে মশলা যুক্ত বা তৈলাক্ত খাবার না খাওয়া। ক্লান্ত না হলে না শোয়া। প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া। বিছানায় শুয়ে ঘুম আসা নিয়ে চিন্তা না করা। ঘুমাতে গিয়ে বারবার ঘড়ি না দেখা। ঘুমের ওষুধ যথাসম্ভব না খাওয়াই ভালো তবে প্রয়োজন হলে আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে Melatonin ( Tab. Filfresh 3 mg রাতে শোবার ১ ঘন্টা আগে,১ সপ্তাহের বেশী ব্যাবহার করা উচিত নয় ) অথবা Bromazepam ( Tab Lexyl 3mg রাতে শোবার ৩০ মিনিট আগে, ১ সপ্তাহের বেশী ব্যাবহার করা উচিত নয় ) ধরনের ওষুধ স্বল্প সময়ের জন্য খাওয়া যেতে পারে।

3629 views

আপনাকে রাতে ঘুমানোর অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে আপনার ঘুমে ব্যাঘাত ঘটবে না।নিচে ঘুম আসার কিছু পরামর্শ দেয়া হল_ ০১.রাতের বেলা বিছানায় যাওয়ার আগে কলা খেতে পারেন। কলা খেলে তারাতারি ঘুম আসে। কলার মধ্যে ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম আছে। ইহা পেশি সচল করে, তাই ইহা ঘুমের জন্য উপকারী। ০২.কলার পাশাপাশি আমন্ড খেতে পারেন। ইহাতে ম্যাগনেশিয়াম ও খনিজ পদার্থ থাকে এবং আমন্ড ঘুমের জন্য সহায়ক। ০৩.গ্লুকোজ থাকে এমন খাবার ঘুমের জন্য কাজ করে। মধুর মধ্যে প্রচুর গ্লুকোজ থাকে। তাই রাতে মধু খেতে পারেন। ০৪.ঘুমের জন্য ওটস ও অনেক কাজ করে তাই শোয়ার আগে তা খেলে ঘুম আসে। ০৫.রাতে দুধ এবং মাংস খেলে ঘুম আসে। ইহা পেশিকে নিথর বা শিথিল করে তাই মানুষ ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পরে। তবে দুধ হালকা গরম হতে হবে। ০৬.রাতে ঘুম না আসলেও সকালে একই সময়ে ঘুম থেকে উঠতে হবে। সকালে উঠতে সমস্যা হলে অ্যালার্ম দিয়ে রাখবেন। ০৭.অতিরিক্ত সিগারেট খাওয়ার আভ্যাস ত্যাগ করতে পারলে রাতে ভাল ঘুম আসে। ০৮.রাতে ইলেক্ট্রোনিক যন্ত্র কম ব্যবহার করুন। ঘুমান এর সময় মোবাইল ব্যবহার করতে থাকলে ঘুম আসতে সমস্যা হয়। আশা করি উপরের বিষয় গুলো খেয়াল করলে আপনার ঘুম আসতে সুবিধা হবে।

3629 views

Related Questions