3 Answers
কাঁচা আদার উপকারিত গুলো নিচে দেওয়া হলো ১) খেতে একেবারেই ইচ্ছে হচ্ছে না? অসুস্থ বোধ করছেন খাবার দেখলেই? কোনো সমস্যাই নয়। খাওয়ার আগে ১ চা চামচ তাজা আদা কুচি খেয়ে নিন। মুখের রুচি ফিরে আসবে। ২) হাতে পায়ের জয়েন্টে ব্যথা হলে সাহায্য নিতে পারেন আদার তেলের। খানিকটা অলিভ অয়েলে আদা ছেঁচে নিয়ে ফুটিয়ে নিন ৫ মিনিট। ঠাণ্ডা হলে ছেঁকে এই তেল দিয়ে ম্যাসাজ করুন হাতে পায়ের জয়েন্টে। আদার অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি উপাদান দূর করে দেবে ব্যথা। ৩) প্রতিদিন মাত্র ১ ইঞ্চি পরিমানের আদা কুচি খাওয়া অভ্যাস সাইনাসের সমস্যা প্রতিরোধে সহায়তা করে। ৪) বমি বমি ভাব হচ্ছে? কিংবা মাথা ঘুরানো? একটুখানি আদা স্লাইস করে লবণ দিয়ে চিবিয়ে খেয়ে নিন। দেখবেন বমি ভাব একেবারেই কেটে গিয়েছে। ৫) হজমে সমস্যার কারণে পেতে ব্যথা হলে আদা কুচি খেয়ে নিন। আদা পেতে গ্যাসের সমস্যা থেকেও মুক্তি দিতে বেশ কার্যকরী। ৬) খাবারের পুষ্টি দেহে সঠিকভাবে শোষণ করার ক্ষমতা বাড়ায় আদা। তাই প্রতিদিন খুব সামান্য পরিমাণে হলেও আদা খাওয়া অভ্যাস করা উচিত সকলের। ৭) বুকে সর্দি কফ জমে গিয়েছে? নিঃশ্বাস টানতে সমস্যা হচ্ছে? ২ কাপ পানিতে আদা কুচি দিয়ে ফুটিয়ে নিন। পানি যখন অর্ধেক হয়ে আসবে জ্বাল হয়ে তখন ছেঁকে নামিয়ে ১ টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে পান করে ফেলুন। বেশ আরাম পাবেন। সর্দি কফের সমস্যা না যাওয়া পর্যন্ত এই আদা চা পান করে চলুন। ৮) ত্বকে পড়ে যাচ্ছে বয়সের ছাপ? এক কাজ করুন প্রতিদিন সামান্য আদা কাচা চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যাস করুন। আদার মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিএইজিং উপাদান ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা দেহের টক্সিন দূর করে এবং দেহে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে ত্বকে বয়সের ছাপ প্রতিরোধ করে অনেকটা সময়।
এটি ভেষজ ঔষধ। মুখের রুচি বাড়াতে ও বদহজম রোধে আদা শুকিয়ে চিবিয়ে খাওয়া হয়। অধিকন্তু সর্দি, কাশি, আমাশয়, জন্ডিস, পেট ফাঁপায় আদা চিবিয়ে বা রস করে খাওয়া যায় ।
গুনাগুণ
- জ্বর, ঠাণ্ডা লাগা, ব্যথায় আদা উপকারী।
- অতিরিক্ত ওজন ঝরাতেও আদা সাহায্য করে।
- বসন্ত রোগে এর রস উপকারী।
- আদার রস শরীর শীতল করে
- হৃদপিন্ডের জন্য উপকারী।
- কাশি এবং হাঁপানির জন্য আদার রসের সাথে মধু মিশিয়ে সেবন করলে বেশ উপশম হয়।
- কাচা আদার কিছু গুণাগুণঃ
- সর্দি কাশি ও ঠান্ডা লাগা প্রতিরোধ ও প্রতিকার করে।
-
আদা অন্ত্র ও পাকস্থলী জিনিত বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করে।
-
গ্যাস্ট্রিক ও অ্যাসিডিটি এর জন্যে কার্যকরী।
-
আদা ও মধু বেটে মাথায় প্রলেপ লাগালে মাথা ব্যাথা জনিত সমস্যা দূর করে।
-
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমত সৃষ্টি করে।
-
আদা মিশ্রিত তেল শারীরিক পেশি বৃদ্ধিতে ও পুরনো আঘাত এর ব্যাথার সমাধান করে।
-
নিয়মিত কালোজিরা খেলে শরীরের প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সতেজ থাকে।
-
কোনও জীবানুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে দেহকে প্রস্তুত করে তোলে এবং সার্বিকভাবে স্বাস্থ্যের উন্নতি করে।
-
হাঁপানি বা শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যায় ভুগে থাকেন তাদের জন্য আদা অনেক বেশি উপকারী।
-
আদা মিশিয়ে রং চা তৈরি করে পান করলে শরীর সতেজ থাকে।
-
আদা ভেজানো পানি পান করলে বদহজম দূর হয়।
-
স্মৃতিভ্রংশ ও স্মরণশক্তির দুর্বলতায় আদা খুব কার্যকর।
-
শিশুদের আদা খাওয়ানোর অভ্যাস করলে দ্রুত শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধি ঘটে।
-
পরিমাণমতো আদা মূত্রাশয় জনিত রোগ প্রতিরোধ করে ।
-
নিয়মিত আদা খান। এটি মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল বাড়িয়ে দেয়। যার দরুন স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পায়। এর সঙ্গে এটি প্রাণশক্তি বাড়ায় ও ক্লান্তি দূর করে।
-
আদা লিভার ক্যান্সারের জন্য দায়ী আফলাটক্সিন নামক বিষ ধ্বংস করে। তাই যারা লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত তারা আজ থেকে খাওয়া শুরু করে দিন।
-
ডায়বেটিকস্ রোগীরা এক চিমটি পরিমাণ আদা ও কালোজিরে এক গ্লাস পানির সঙ্গে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে খেয়ে দেখুন, রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে একসময় ডায়বেটিকস্ কমে যাবে ইনশাআল্লাহ।
-
আদা যৌন ব্যাধি ও স্নায়ুবিক দুর্বলতায় আক্রান্ত রোগীদের জন্যে সহায়ক।
-
শুলবেদনা ও প্রসূতি রোগে আদা ও মধুর মিশ্রণ অত্যধিক উপকারী। ব্রুনের জন্যও এটি উত্তম ঔষধ।
- মূত্রথলির পাথর ও জন্ডিস থেকে আরোগ্য লাভ করতে আদা খান নিয়মিত যতবার পারেন।