user-avatar

MdNahidHosenMitulrand1

MdNahidHosenMitulrand1

MdNahidHosenMitulrand1 এর সম্পর্কে
যোগ্যতা ও হাইলাইট
পুরুষ
Unspecified
Unspecified
প্রশ্ন-উত্তর সমূহ 1.32M বার দেখা হয়েছে
জিজ্ঞাসা করেছেন 280 টি প্রশ্ন দেখা হয়েছে 275.45k বার
দিয়েছেন 943 টি উত্তর দেখা হয়েছে 1.05M বার
2 টি ব্লগ
0 টি মন্তব্য

 জীবনযাত্রার পরিবর্তন এনে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমানো সম্ভব। বংশগতভাবে উচ্চ রক্তচাপ থাকলে তা কমানো সম্ভব নয়। তবে এ রকম ক্ষেত্রে যেসব উপাদান নিয়ন্ত্রণ করা যায়, সেগুলোর ব্যাপারে বেশি মনোযোগী হওয়া উচিত।
 অতিরিক্ত ওজন কমাতে হবে: খাওয়াদাওয়া নিয়ন্ত্রণ ও নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। একবার লক্ষ্য অনুযায়ী ওজনে পৌঁছালে সীমিত আহার করা উচিত এবং ব্যায়াম অব্যাহত রাখতে হবে। ওষুধ খেয়ে ওজন কমানো বিপজ্জনক। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওজন কমানোর ওষুধ না খাওয়াই ভালো।
 খাদ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে সতর্কতা: কম চর্বি ও কম কোলেস্টেরলযুক্ত খাবার গ্রহণ করতে হবে। যেমন—খাসি বা গরুর মাংস, কলিজা, মগজ, গিলা, ডিম কম খেতে হবে। কম তেলে রান্না করা খাবার এবং ননী তোলা দুধ, অসম্পৃক্ত চর্বি যেমন—সয়াবিন, ক্যানোলা, ভুট্টার তেল অথবা সূর্যমুখীর তেল খাওয়া যাবে। বেশি আঁশযুক্ত খাবার গ্রহণ করা ভালো। আটার রুটি এবং সুজি-জাতীয় খাবার পরিমাণমতো খাওয়া ভালো।
 লবণ নিয়ন্ত্রণ: তরকারিতে অতিরিক্ত লবণ পরিহার করতে হবে।
 মদ্যপান: মদ্যপান পরিহার করতে হবে।
 নিয়মিত ব্যায়াম: সকাল-সন্ধ্যা হাঁটাচলা, সম্ভব হলে দৌড়ানো, হালকা ব্যায়াম, লিফটে না চড়ে সিঁড়ি ব্যবহার ইত্যাদি।
 ধূমপান বর্জন: ধূমপান অবশ্যই বর্জনীয়। ধূমপায়ীর সংস্পর্শ থেকে দূরে থাকুন। তামাক পাতা, জর্দা, গুল লাগানো ইত্যাদি পরিহার করতে হবে।
 ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ: যাঁদের ডায়াবেটিস আছে, তা অবশ্যই নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

মানসিক ও শারীরিক চাপ সামলাতে হবে। নিয়মিত বিশ্রাম, সময়মতো ঘুমানো, শরীরকে অতিরিক্ত ক্লান্তি থেকে বিশ্রাম দিতে হবে। নিজের শখের কাজ করা ইত্যাদির মাধ্যমে মানসিক শান্তি বেশি হবে।
 রক্তচাপ নিয়মিত পরীক্ষা: নিয়মিত চিকিৎসকের কাছে গিয়ে রক্তচাপ পরীক্ষা করানো উচিত। যত আগে উচ্চ রক্তচাপ ধরা পড়ে, তত আগে নিয়ন্ত্রণ করা যায় এবং জটিল রোগ বা প্রতিক্রিয়া থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

গ্রাফিক ডিজাইনের কাজ নিজে নিজেই শিখতে পারবেন খুব সহজে। আর বর্তমানে ইউটিউব আপনার সবচেয়ে বড় সহযোগি হবে। তার পরেই থাকবে গুগল। যে আপনাকে খুজে দেবে " আপনি যা চান"। তাছারা আপনি বিভিন্ন প্রশিক্ষণ সেন্টারে গিয়ে কিছু টাকা খরচ করে শিখতে পারেন। এছারা কিছু ভিডিও আছে যা কিনে দেখে দেখে শিখতে পারেন। আলহেরা বিডি ডট কম থেকে এ ভিডিও গুলি কিনতে পারেন।

কিভাবে পয়েন্ট পাব?

MdNahidHosenMitulrand1
May 31, 01:57 PM

বিস্ময়ে প্রশ্ন করলে ১ পয়েন্টে ও উত্তর দিলে ৩ পয়েন্ট পাওয়া যায় ।

দেবদাস
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অমর প্রেমকাহিনি দেবদাস অবলম্বনে বিমল রায় পরিচালিত এই ছবি হিন্দি ছবির ইতিহাসে একটি উজ্জ্বল অবস্থানে রয়েছে। ১৯৫৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই ছবিতে দেবদাস চরিত্রে দিলীপ কুমারের অপূর্ব অভিনয়ের কথা দর্শক কখনোই ভুলতে পারবে না। ছবিটিতে পার্বতী চরিত্রে ছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেত্রী সুচিত্রা সেন। চন্দ্রমুখী চরিত্রে বৈজয়ন্তী মালা।

কেয়ামত সে কেয়ামত তক
১৯৮৮ সালে এক নতুন রেকর্ডের সূত্রপাত করে আমির খান ও জুহি চাওলা অভিনীত কেয়ামত সে কেয়ামত তক। এই ছবি দিয়েই রাতারাতি তারকা হয়ে যান আমির খান। মনসুর খান পরিচালিত এ ছবিতে সেই সময়ের সম্পূর্ণ নতুন মুখের নায়ক-নায়িকা আমির খান ও জুহি চাওলা তাঁদের ‘ফ্রেশ লুক’ এবং চমৎকার সাবলীল রোমান্টিক অভিনয়ের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবেই সবার হূদয়ে ঠাঁই করে নিয়েছিলেন।

দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গেদিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে
১৯৯৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত আদিত্য চোপড়া পরিচালিত এ ছবিতে শাহরুখ খান ও কাজলের মিষ্টি প্রেমের অভিনয় ছবিটিকে চির অমর করে রেখেছে। এ ছবির শেষ দৃশ্যে রেলস্টেশনে ট্রেন ছেড়ে যাওয়ার সময় কাজল আর শাহরুখের দৃশ্যটিকে বিবেচনা করা হয় বলিউডের সর্বকালের অন্যতম সেরা রোমান্টিক দৃশ্য হিসেবে। ছবিটি ১০টি ক্যাটাগরিতে ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড জিতে নেয়।

ম্যায়নে পেয়ার কিয়া
১৯৮৯ সালে মুক্তি পাওয়া এই ছবির প্রতিটি গানই ছিল তখনকার সময় সুপার ডুপার হিট, বিশেষ করে ‘কবুতর যা যা’ গানটি ছিল সবার মুখে মুখে। মিষ্টি প্রেমের কাহিনি নিয়ে নতুন নায়ক-নায়িকা সালমান খান আর ভাগ্যশ্রী তখন বলিউডে নতুন জুটির আগমনী বার্তা শুনিয়েছিলেন। ধনী-গরিবের সামাজিক বৈষম্য ও প্রেম ভালোবাসা নিয়ে নির্মিত ছবিটিতে শিল্পীদের অভিনয়, গান, নাচ—সবকিছুতেই ছিল ভালো লাগার মতো বেশ কিছু নতুনত্বের ছোঁয়া।

কুছ কুছ হোতা হ্যায়
১৯৯৮ সালে মুক্তি পায় ছবিটি। ত্রিভুজ প্রেমের কাহিনি নিয়ে নির্মিত ছবিটিতে শাহরুখ খান ছাড়াও অভিনয় করেছেন কাজল ও রানী মুখার্জি। ছোট্ট একটি চরিত্রে ছিলেন সালমান খান। অল্প বয়সী নির্মাতা করন জোহর প্রথম ছবিতেই সাফল্যের চমক দেখিয়ে হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে বিগ শট পরিচালক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন এই ছবির মাধ্যমে।

হাম দিল দে চুকে সনম
১৯৯৯ সালে সঞ্জয়লীলা বানসালির হাম দিল দে চুকে সনম ছবিটি সুপারহিট হয়। অভিনয়-প্রতিভা দিয়ে ঐশ্বরিয়া বলিউডকে নিজের জাত চেনান এই ছবি দিয়েই। সালমান খান, ঐশ্বরিয়া রাই ও অজয় দেবগন অভিনীত এ ছবির নির্মাণেও ছিল অপূর্ব চমক।

বীরজারা
ভারতীয় বৈমানিক বীর প্রতাপ সিং আর পাকিস্তানি তরুণী জারা হায়াত খানের ভেতরকার অচ্ছেদ্য প্রেমের গল্প বীরজারা। সীমান্ত পেরোনো প্রেমের একটা আলাদা আবেদন নিয়ে নির্মিত যশ চোপড়ার এই ছবিতে ছিলেন শাহরুখ খান ও প্রীতি জিনতা। ২০০৪ সালে মুক্তি পাওয়া ২৫ কোটি রুপি বাজেটের এই ছবি বক্স অফিস থেকে আয় করে ৯৪ দশমিক ২২ কোটি রুপি।


গোল্ডেন এ প্লাস কি?

MdNahidHosenMitulrand1
May 31, 12:07 PM

Golden A+ ও A+ নিয়ে আমরা সাধারণত যে বিষয়টি জানি সেটি হল সব বিষয়ে GPA-5 পেলে তাকে গোল্ডেন এ+ বলে, আর সব বিষয়ে না পেয়েও GPA-5 পেলে সেটিকে শুধু এ+ বলে। কিন্তু সত্যি কথা হল যে Golden A+ নামে কোনো গ্রেডই আমাদের দেশে নেই।শুধুমাত্র দুই ধরনের A+কে পার্থক্য করতেই কিছু মানুষ Golden A+ এর ব্যবহার শুরু করে। আসলে লোকমুখে ছড়াতে ছড়াতে এটাই একটা গ্রেডে পরিণত হয়েছে। কিন্তু সবাইকে মনে রাখতে হবে—জিপিএ ৫ হচ্ছে সর্বোচ্চ গ্রেড। এটাই সবচেয়ে ভালো ফল।

শিক্ষা বোর্ডের ফলাফলে ‘গোল্ডেন জিপিএ’ নামে কোনো গ্রেড নেই। মানুষের মুখে প্রচলিত হতে হতে এখন সবচেয়ে ভালো ফলাফলের মাপকাঠি হিসেবে ‘গোল্ডেন জিপিএ’ শব্দটি ব্যবহার হচ্ছে। সবার মুখে মুখে ‘গোল্ডেন জিপিএ’ থাকলেও ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই নামে কোনো গ্রেডই নেই। এ ছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কোনো কাগজপত্রে ‘গোল্ডেন জিপিএ’ নামে কোনো শব্দ নেই। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতেও এবং চাকরির ক্ষেত্রে এ ধরনের কোনো গ্রেড চাওয়া হয় না।

 

কত নম্বরে কোন গ্রেড দেখুন এক নজরে :

৮০ থেকে ১০০ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ৫, লেটার গ্রেড এ প্লাস। এটাই সর্বোচ্চ গ্রেড।
৭০ থেকে ৭৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ৪, লেটার গ্রেড এ।
৬০ থেকে ৬৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ৩.৫০, লেটার গ্রেড এ মাইনাস।
৫০ থেকে ৫৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ৩, লেটার গ্রেড বি।
৪০ থেকে ৪৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ২, লেটার গ্রেড সি।
৩৩ থেকে ৩৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট এক, লেটার গ্রেড ডি।
আর শূন্য থেকে ৩২ পাওয়া শিক্ষার্থীদের গ্রেড পয়েন্ট জিরো, লেটার গ্রেড এফ।

জিপিএ ১ অর্জন করলেই তাকে উত্তীর্ণ হিসেবে ধরা হয়। কোনো বিষয়ে এফ গ্রেড না পেলে চতুর্থ বিষয় বাদে সব বিষয়ের প্রাপ্ত গ্রেড পয়েন্টকে গড় করেই একজন শিক্ষার্থীর লেটার গ্রেড নির্ণয় করা হয়।


হাঁড়িভাঙা আমটির ‘ইতিহাসের’ গোড়াপত্তন করেছিলেন নফল উদ্দিন পাইকার নামের এক বৃক্ষবিলাসী মানুষ। শুরুতে এর নাম ছিল মালদিয়া। আমগাছটির নিচে তিনি মাটির হাঁড়ি দিয়ে ফিল্টার বানিয়ে পানি দেয়া হতো। একদিন রাতে কে বা কারা ওই মাটির হাঁড়িটি ভেঙে ফেলে। ওই গাছে বিপুল পরিমাণ আম ধরে। সেগুলো ছিল খুবই সুস্বাদু। সেগুলো বিক্রির জন্য বাজারে নিয়ে গেলে লোকজন ওই আম সম্পর্কে জানতে চায়। তখন চাষি নফল উদ্দিন মানুষকে বলেন, ‘যে গাছের নিচের হাড়িটা মানুষ ভাঙছিল সেই গাছেরই আম এগুলা।’ তখন থেকেই ওই গাছটির আম ‘হাড়িভাঙ্গা আম’ নামে পরিচিতি পায়। বর্তমানে রংপুরের হাঁড়িভাঙা আমের মাতৃ গাছটির বয়স ৬৩ বছর।

ঈদের বিধিবিধান কী কী?

MdNahidHosenMitulrand1
May 24, 11:10 AM
ঈদের বিধিবিধান গুলো হলো: ঈদের প্রকৃত অর্থ কি? শুধু দামী পোশাক, রঙ্গিন জামা, হরেক রকম সুস্বাদু খাবার আর নানা ধরণের আনন্দ-উৎসবের নাম ঈদ নয়। ঈদের উদ্দেশ্য কি তা আল্লাহ তা’আলা নিন্মোক্ত আয়াতের মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন: ”আর যেন তোমরা নির্ধারিত সংখ্যা পূরণ করতে পার এবং তোমাদেরকে যে সুপথ দেখিয়েছেন, তার জন্যে তোমরা আল্লাহর মমত্ব প্রকাশ কর এবং তাঁর কৃতজ্ঞতা হও ।” [সূরা বাকারাঃ ১৮৫] এই আয়াত থেকে প্রমাণিত হচ্ছে, ঈদের উদ্দেশ্য হল দুটি: আল্লাহর বড়ত্ব মমত্ব ও শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা করা। আল্লাহ যে নেয়ামত দান করেছেন তার জন্য আল্লাহর কৃতজ্ঞতা আদায় করা। ঈদ সংক্রান্ত কতিপয় বিধান নিন্মে আমরা অতি সংক্ষেপে কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে ঈদ সংক্রান্ত কতিপয় বিধান আলোচনা করার চেষ্টা করব যাতে আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও সাহাবায়ে কেরামের নির্দেশিত পদ্ধতি অনুসারে আমরা আমাদের ঈদ উদযাপন করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারি। ১) ঈদের দিন রোযা রাখা নিষেধ: প্রখ্যাত সাহাবী আবু সাঈদ (রা:) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: “নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আযহা এ দু দিন রোযা রাখতে নিষেধ করেছেন।” [বুখারী হাদীস নং ১৮৫৫] ২) ঈদের রাত থেকে তাকবীর পাঠ করা: ঈদের রাতের সূর্য ডুবার পর থেকে আরম্ভ করে ঈদের নামায পড়া পর্যন্ত এ তাকবীর পড়তে হবে। পুরুষগণ মসজিদ, হাট-বাজার, রাস্তা-ঘাট তথা সর্বত্র উচ্চস্বরে তাকবীর পাঠ করবে। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন ঈদের আনন্দ প্রকাশ করা হয় অন্যদিকে আল্লাহর আনুগত্যের স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। তাকবীর পড়ার নিয়ম হল, “আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা-ইলাহা ইল্লালাহু ওয়াল্লাহু আকবার। আল্লাহু আকবার ওয়ালিল্লাহিল হামদ্।” ৩) ঈদ উপলক্ষে পরস্পরে শুভেচ্ছা বিনিময় করা: মুসলমানগণ পরস্পরে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করাতে অসুবিধা নেই। কারণ সাহাবীগণ ঈদ উপলক্ষে তা করতেন। তারা এই বলে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করতেন ”তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম” অর্থাৎ আল্লাহ আমাদের এবং আপনার (ইবাদত-বন্দেগী) কবুল করুন। [বায়হাকী (২/৩১৯)-সনদ হাসান] ৪) ভালো পোশাক ও ভালো খাবারের আয়োজন করা: ঈদ উপলক্ষে যথাসম্ভব পরিবারের সদস্যদেরকে ভালো খাবার ও সুন্দর পোশাক দেয়ার ব্যবস্থা করা উত্তম। তবে অপচয় যাতে না হয় সে দিকে লক্ষ্য রাখা জরুরী। অনুরূপভাবে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবের সাথে দেখা-সাক্ষাত করা কর্তব্য। সেই সাথে প্রতিবেশীর খোঁজ-খবর রাখতে হবে। দরিদ্রদের যথাসম্ভব সাহায্য-সহযোগিতা করতে হবে। যাতে ঈদের আনন্দ থেকে তারা বঞ্চিত না হয়। ৫) ঈদের নামাযের প্রতি যত্মশীল হওয়া: ঈদুল ফিতরের নামায বিলম্বে পড়া সুন্নত। যাতে ঈদের দিন সকালবেলা ফিতরা বণ্টন করার সময় পাওয়া যায়। পক্ষান্তরে ঈদুল আযহার নামায তাড়াতাড়ি পড়া সুন্নত। ৬) গোসল ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা: নামাযে যাওয়ার পূর্বে গোসল করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হবে। তারপর সুগন্ধি ব্যাবহার করে ও সাধ্যানুযায়ী সবচেয়ে সুন্দর কাপড় পরিধান করে ঈদগাহ অভিমুখে যাত্রা করবে। তবে কাপড় পরিধান করার সময় সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে, যেন পুরুষের কাপড় টাখনুর নিচে না যায়। কেননা, পুরুষের জন্য টাখনুর নিচে কাপড় পরিধান করা হারাম। আর মহিলাকে তার সর্বাঙ্গ আবৃত করতে হবে এবং রূপ-সৌন্দর্য পরপুরুষের সামনে প্রকাশ করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সাবধানতা অবলম্বন করা আবশ্যক। কেননা মহান আল্লাহ বলেন: “আর তারা (মহিলাগণ) তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ করবে না তাদের স্বামী, পিতা,স্বামীর পিতা ছাড়া অন্যের নিকট।” [সূরা নূর: ৩১] ৬) ঈদের মাঠে যাওয়ার আগে কোন কিছু খাওয়া: ঈদুল ফিতরে ঈদের মাঠে যাওয়ার আগে কোন কিছু খাওয়া সুন্নত। আনাস (রা:) বলেন: “নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঈদুল ফিতরের দিন কয়েকটা খেজুর না খেয়ে ঈদের মাঠে যেতেন না। আর তিনি তা বেজোড় সংখ্যায় খেতেন।” [বুখারী] ।পক্ষান্তরে ঈদুল আযহায় তিনি ঈদগাহে যাওয়ার পূর্বে কিছুই খেতেন না। ঈদগাহ থেকে ফিরে এসে নিজের কুরবানীর গোস্ত খেতেন। ৭) মহিলাদের ঈদগাহে যাওয়া: মহিলাদেরকে সাথে নিয়ে ঈদের নামায পড়তে যাওয়ার জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নির্দেশ প্রদান করেছেন। তিনি বলেন: “কর্তব্য হল, পর্দানশীন কুমারী মেয়েরা; এমন কি ঋতুবতী মহিলারাও ঈদগাহে যাবে। তবে ঋতুবর্তী মহিলাগণ নামাযের স্থান থেকে দূরে অবস্থান করে কল্যাণময় কাজ এবং মুমিনদের দু’আতে শরীক হবে।” [বুখারীঃ হাদীস নং ৯২৭] এ সুন্নত পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এবং বাংলাদেশের কিছু কিছু এলাকায় আজো প্রচলিত আছে। সুতরাং যে সব এলাকায় তা চালু নেই সেসব স্থানের সচেতন আলেম সমাজ এবং নেতৃস্থানীয় মুসলমানদের কর্তব্য হল, আল্লাহর রাসূলের সুন্নতকে পুনর্জীবিত করার লক্ষ্যে মহিলাদেরকেও ঈদের এই আনন্দঘন পরিবেশে অংশ গ্রহণের সুযোগ প্রদানের জন্য এগিয়ে আসা। তবে নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশা, পর্দা হীনতা, উচ্ছৃঙ্খলতা ইত্যাদি যাতে না ঘটে তার জন্য আগে থেকে সকলকে সচেতন ও সাবধান করা জরুরী। মহিলাগণ যখন বাড়ি থেকে বের হবে সর্বাঙ্গ কাপড় দ্বারা আবৃত করবে এবং সুগন্ধি ব্যবহার থেকে বিরত থাকবে। কেননা নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে মহিলা সুগন্ধি ব্যবহার করে অন্য মানুষের নিকট দিয়ে গমন করার ফলে তারা তার ঘ্রাণ পেল সে মহিলা ব্যভিচারিণী।” [নাসাঈঃ হাদীস নং ৫০৩৬] ৮) পায়ে হেঁটে ঈদগাহে গমন করা: পায়ে হেঁটে ঈদগাহে গমন করা এবং ভিন্ন পথে ঈদগাহ থেকে ফিরে আসা সুন্নত। [বুখারীঃ হাদীস নং ৯৩৩] ঈদের নামায: ক. ঈদের নামাযে আযান ও একামত নেই: জাবের ইবনে সামুরা (রা:) বলেন, “রাসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে একবার নয় দুই বার নয় একাধিক বার ঈদের নামায পড়েছি তাতে আযান ও একামত ছিল না।” [সহীহ মুসলিম: হাদীস নং ১৪৭০] খ. ঈদের নামায: ঈদের নামাযের আগে বা পরে নফল নামায পড়া শরীয়ত সম্মত নয়। গ. সর্বপ্রথম ঈদের নামায হবে তারপর খুতবা: আবু সাঈদ খুদরী (রা:) বর্ণনা করেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিন নবী করীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঈদের মাঠে গিয়ে সর্বপ্রথম নামায আদায় করতেন তারপর জনগণের দিকে মুখ ফিরিয়ে দাঁড়িয়ে ওয়ায করতেন, কোন উপদেশ থাকলে উপদেশ দিতেন বা কোন নির্দেশ থাকলে নির্দেশ দিতেন। আর জনগণ নামাযের কাতারে বসে থাকতেন। কোথাও কোন বাহিনী প্রেরণের ইচ্ছা থাকলে তার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতেন অথবা অন্য কোন নির্দেশ জারী করার ইচ্ছা করলে তা জারী করতেন। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৯০৩] ঘ. রাকাত সংখ্যা: ঈদের নামায দু রাকাত। [বুখারী, হাদীস নং ১৩৪১] ঙ. ঈদের নামাযে কেরাআত: প্রখ্যাত সাহাবী নুমান ইব্ন বাশীর (রা:) হতে বর্ণিত: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুই ঈদ ও জুমার নামাযে প্রথম রাকায়াতে ‘সাব্বিহিস্মা রাব্বিকাল আ’লা’ এবং দ্বিতীয় রাকায়াতে ‘হাল আতাকা হাদীসুল গাসিয়াহ্’ পাঠ করতেন। [নাসাঈ, হাদীস নং ১৫৫০ সনদ সহীহ-আলবানী] সূরা ক্বাফ এবং সূরা ইক্বতারাবতিস্ সা’আহ্’ পড়ার কথাও হাদীস পাওয়া যায়। [নাসাঈঃ হাদীস নং ১৫৪৯, সনদ সহীহ-আলবানী] চ. ঈদের খুতবা শোনা: ঈদের খুতবা প্রসঙ্গে নবী করীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: যে চলে যেতে চায় সে যেতে পারে আর যে (খুতবা শোনার জন্য) বসতে চায় সে বসতে পারে। [নাসাঈ হাদীস নং ১৫৫৩ সনদ সহীহ-আলবানী] ঈদ ও সামাজিক জীবন ঈদের আনন্দ নির্মল, পবিত্র এবং অত্যন্ত মধুময়। ঈদ উপলক্ষে যখন নিজ নিজ গৃহে আত্মীয়-স্বজন পাড়া-প্রতিবেশী, বন্ধু বান্ধব একে অপরকে দাওয়াত দেয়, পরস্পরে শুভেচ্ছা বিনিময় করে, একে অপরকে উপহার সামগ্রী আদান-প্রদান করে তখন ঈদের আনন্দ আরও মধুময় হয়ে উঠে। সুদৃঢ় হয় সামাজিক বন্ধন। মনের মধ্যে জমে থাকা হিংসা-বিদ্বেষ, ক্রোধ ও তিক্ততা দূর হয়ে পারস্পারিক ভালোবাসা, বন্ধুত্ব, সহমর্মিতা ও সম্মানবোধ জাগ্রত হয়। জীবনের প্রতিটি অঙ্গনে বয়ে যায় শান্তির সুবাতাস যা প্রভাতের আলোর মতই স্বচ্ছ, নির্মল ও নিষ্কলুষ। ঈদ ও পাপাচারিতা: ঈদের পবিত্রতা ম্লান হয়ে যায় যখন দেখা যায় ঈদ উৎসব ও ঈদ মেলার নামে অশ্লীলতা-বেহায়াপনার মেলা বসে। তরুণ-তরুণীরা নানারকম আপত্তিকর পোষাকে চলাফেরা করে। একশ্রেণীর উদ্ভট যুবক বাড়িতে, রাস্তার ধারে ও বিভিন্ন ক্লাবে বড় বড় ডেকসেটে অডিও সিডি চালু করে উচ্চ আওয়াজে গান বাজাতে থাকে। সরকারী-বেসরকারি বিভিন্ন টিভি চ্যানেলগুলোতে ঈদ উপলক্ষে বিশেষ বিশেষ অশ্লীল ফিল্ম সম্প্রচার করে। সিনেমা হলগুলোতে নতুন নতুন ছবি জাকজমকভাবে প্রদর্শিত হয়। মনে হয় এরা যেন এ ধরণের একটি সময়েরই প্রতীক্ষায় ছিল এত দিন!দীর্ঘ একমাস সিয়াম সাধনা করার পর যে একটা ঈমানী পরিবেশ তৈরি হয়ে ছিল, কুরবানী করার মাধ্যমে যে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের প্রতিযোগিতার লিপ্ত হয়েছিল মুসলিম সমাজ তারা কি এসব ক্রিয়া-কাণ্ডের মাধ্যমে তার চিহ্ন মুছে ফেলতে চায়? এসব অপসংস্কৃতিকে পরিত্যাগ করে আমরা যদি ইসলামী সংস্কৃতি ও সভ্যতাকে ধারণ করতে পারি তাহলে আমাদের সার্বিক জীবন সুন্দর ও পবিত্রতার আলোক রশ্মিতে ভাস্বর হয়ে উঠবে। পরিশেষে, কামনা করি ঈদ আমাদের জীবনে রংধনুর মত রং ছড়িয়ে বার বার ফিরে আসুক। আর সে রঙ্গে রঙ্গিন হয়ে উঠুক আমাদের জীবনের প্রতিটি মূহুর্ত। ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার হয়ে যাক সকল পাপ ও পঙ্কিলতা।

এসব কি গিবত হবে?

MdNahidHosenMitulrand1
May 24, 10:31 AM
হ্যা,অবশ্যই গিবত হবে।গিবত হলো অগোচরে কারো দোষ অন্যকে বলা।আপনি আপনার ভাবির দোষ তার অগোচরে আপনার মা কে বলেছেন।তাই আপনার গিবত হবে। ইসলামে একে সাধারণভাবে বড় পাপ হিসেবে ধরা হয়েছে এবং কুরআনে একে মৃত ভাইয়ের মাংস খাওয়ার মত ঘৃণিত কাজের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।গীবত বিষয়ে কুরআনে দুটি আয়াত রয়েছে। কুরআনের সূরা আহজাবের ১২ নং আয়াতে বলা হয়েছেঃ মুমিনগণ, তোমরা অনেক ধারণা থেকে বেঁচে থাক। নিশ্চয় কতক ধারণা গোনাহ। এবং গোপনীয় বিষয় সন্ধান করো না। তোমাদের কেউ যেন কারও পশ্চাতে নিন্দা না করে। তোমাদের কেউ কি তারা মৃত ভ্রাতার মাংস ভক্ষণ করা পছন্দ করবে? বস্তুতঃ তোমরা তো একে ঘৃণাই কর। আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ তওবা কবুলকারী, পরম দয়ালু। — সূরা আহজাব (৪৯)ঃ আয়াতঃ ১২ সূরা নিসার ১৪৮ আয়াতে বলা হয়েছেঃ মন্দ কথার প্রচার আল্লাহ পছন্দ করেন না, তবে কারো উপর যুলম করা হলে ভিন্ন কথা। আর আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞানী। — সূরা নিসা (৪)ঃ আয়াতঃ ১৪৮ উল্লেখিত দ্বিতীয় আয়াত ও কিছু নির্ভরযোগ্য হাদীসের ভিত্তিতে ইসলামী আইনবিদগণ ৬ টি বিষয়ে পরনিন্দা বা গীবতকে বৈধ বলেছেন- অত্যাচারী শাসকের বিরুদ্ধে মজলুম ও বিচার চাওয়া বা নির্ভরযোগ্য কারও কাছে সমস্যার সমাধান চাওয়া, ইসলামের ও ধর্মীয় ভূল প্রচারকারী, অব্যাহত কবীরাহ গুনাহে লিপ্ত ব্যক্তি, বিবাহ, ব্যাবসা ও চুক্তি, কাওকে বিপদ ও ক্ষতি হতে সাবধান করা, ও কারও পরিচয়বাচক সুবিদিত বৈশিষ্ট্য। আপনি তাড়াতাড়ি তওবা করুন।আল্লাহকে প্রতিশ্রুতি দিন যে আপনি এই ধরণের কাজ আর করবেন না।আল্লাহ আপনাকে মাফ করবেন।ইনশাআল্লাহ।
জ্ঞান প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে যে কোনো পণ্যকে অন্য পণ্যে রূপান্তর এবং সংরক্ষণের ব্যবস্থা করার প্রক্রিয়াকে প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প বলা হয়। প্রক্রিজাতকরণ শিল্পের সমস্যাঃ 1. পুঁজির সমস্যা; 2. জ্ঞান বিজ্ঞান ও গবেষণার সমস্যা; 3. দক্ষ উদ্যোক্তা ও শ্রমিকের সমস্যা; 4. পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় ত্রুটি; 5. ব্যবস্থাপনা দক্ষতার অভাব; 6. কৃষিজ পণ্য সংরক্ষণের সুযোগ কম ।

করোনাভাইরাস কী?
করোনাভাইরাস এমন এক ভাইরাস, যা সাধারণ ফ্লু বা ঠাণ্ডা লাগার মতোই প্রথমে আক্রমণ করে ফুসফুসে। এই ভাইরাস থেকে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা দেখা দেয়। ধীরে ধীরে তা মারাত্মক আকার ধারণ করে। যার থেকে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।


করোনাভাইরাসের লক্ষণ
করোনাভাইরাসের কিছু প্রাথমিক লক্ষণ রয়েছে। তবে এই লক্ষণগুলো খুবই সাধারণ। সর্দি-কাশি, মাথাব্যথা, নাক দিয়ে পানি পড়া, গলা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট ও জ্বর হয়ে থাকে।


কীভাবে ছড়ায়?
১. এই ভাইরাস একজনের থেকে আরেকজনের মধ্যে ছড়ায়।
২. শারীরিক ঘনিষ্ঠতা এমনকি করমর্দন থেকেও এই রোগ ছড়াতে পারে।
৩. রোগী জিনিস ধরার পর ভালো করে হাত না ধুয়ে চোখ, মুখ, ও নাকে হাত দিলে এই রোগ ছড়াতে পারে।
৪. হাঁচি-কাশি থেকেও এই রোগ ছড়াতে পারে।


কীভাবে প্রতিরোধ করবেন?
১. রোগী কাছ থেকে আসার পর ভালো করে হাত ধুতে হবে।
২. নাক-মুখ ঢেকে হাঁচুন, কাশুন।
৩. ডিম, মাংস ভালো করে রান্না করুন। রোগীর থেকে দূরে থাকুন।
৪. নিয়মিত হাত ধুয়ে পরিচ্ছন্ন রাখুন
আশা করি আপনি বুঝতে পেরেছেন।স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন।এই ভাইরাস থেকে বাচুন।

ICC এর পূর্ণাঙ্গ রূপ কী?

MdNahidHosenMitulrand1
Jul 13, 05:43 AM

Condenser কী?

MdNahidHosenMitulrand1
Jul 5, 11:30 AM