2 Answers



৪ জন ফেরেস্তা মৃত্যুর পূর্বে যেভাবে জানিয়ে দেয় মৃত্যুর আগাম সংবাদ!

ত্যুর পূর্বে যেভাবে- হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে, যখন মানুষের অন্তিমকাল উপস্থিত হয় এবং রূহ বের হবার সময় ঘনিয়ে আসে, তখন চারজন ফেরেশতা তার কাছে উপস্থিত হয়। সর্বপ্রথম এক ফেরেশতা উপস্থিত হয়ে বলবেন “আসসালামু আলাইকুম” হে অমুক! আমি তোমার খাদ্য সংস্থানের কাজে নিযুক্ত ছিলাম।কিন্তু এখন পৃথিবীর পূর্ব থেক পশ্চিম প্রান্ত পর্যন্ত অন্বেষণ করেও তোমার জন্য এক দানা খাদ্য সংগ্রহ করতে পারলাম না। সুতরাং বুঝলাম তোমার মৃত্যু ঘনিয়ে এসেছে হয়ত এখনই তোমাকে মরণ সুধা পান করতে হবে।পৃথিবীতে তুমি আর বেশীক্ষণ থাকবে না। অত:পর দ্বিতীয় ফেরেশতা এসে সালাম করে বলবেন হে আল্লাহর বান্দা! আমি তোমার পানীয় সরবরাহের জন্য নিযুক্ত ছিলাম, কিন্তু এখন তোমার জন্য পৃথিবীর সবৃত্র অন্বেষণ করেও এক ফোঁটা পানি সংগ্রহ করতে পারলাম না। সুতরাং আমি বিদায় হলাম।

অত:পর তৃতীয় ফেরেশতা এসে সালাম করে বলবেন হে আল্লাহর বান্দা! আমি তোমার পদযুগলের তত্ত্বাবধানে নিযুক্ত ছিলাম, কিন্তু পৃথিবীর সর্বত্র ঘুরেও তোমার জন্য একটি মাত্র পদক্ষেপের স্থান পেলাম না। সুতরাং আমি বিদায় নিচ্ছি।চতুর্থ ফেরেশতা এসে সালাম করে বলবেন হে আল্লাহ বান্দা! আমি তোমার শ্বাস- প্রস্বাস চালু রাখার কাজে নিযুক্ত ছিলাম। কিন্তু আজ পৃথিবীর এমন কোন জায়গা খুঁজে পেলাম না যেখানে গিয়ে তুমি মাত্র এক পলকের জন্য শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ করতে পার। সুতরাং আমি বিদায় নিচ্ছি।অত:পর কেরামান কাতেবীন ফেরশতাদ্বয় এসে সালাম করে বলবেন, হে আল্লাহর বান্দা! আমরা তোমার পাপ-পূণ্য লেখার কাজে নিযুক্ত ছিলাম। কিন্তু এখন দুনিয়ার সব জায়গা সন্ধান করেও আর কোন পাপ-পূণ্য খুঁজে পেলাম না। সুতরাং আমরা বিদায় নিচ্ছি। এই বলে তারা এক টুকরা কালো লিপি বের করে দিয়ে বলবেন হে আল্লাহর বান্দা!এর দিকে লক্ষ্য কর। সে দিকে লক্ষ্য করামাত্র তার সর্বাঙ্গে ঘর্মস্রোত প্রবাহিত হবে এবং কেউ যেন ঐ লিপি পড়তে না পারে এজন্য সে ডানে বামে বার বার দেখতে থাকবে। অত:পর কেরাম কাতেবীন প্রস্থান করবেন। তখনই মালাকুল মউত তার ডান পাশে রহমতের ফেরেশতা এবং বাম পাশে আযাবের ফেরেশতা নিয়ে আগমন করবেন।

তাদের মধ্যে কেউ আত্মাকে খুব জোরে টানাটানি করবেন, আবার কেউ অতি শান্তির সাথে আত্মা বের করে আনবেন। কন্ঠ পর্যন্ত আত্মা পৌঁছলে স্বয়ং যমদূত তা কবজ করবেন। হে আল্লাহ তুমি রাহমানের রহিম, তুমি দয়ালু, তুমি আমাদের সবাইকে খাটি মুসলমান না বানিয়ে কবরে নিও না।যেদিন চার রাকাত নফল নামাজ পড়লে সমুদ্রের ফেনা সমান গুনাহ মাফ হয় এমন কিছু নফল নামাজ আছে যা পড়লে উভয় জাহানে ব্যাপক কল্যাণ অর্জন করা যায়। রাসূল (সা.) বলেছেন, ‌‘রমজান মাসের নফল নামাজ অন্য মাসের ফরজের সমতুল্য। সপ্তাহের সাতদিনেও ইচ্ছে হলে আমরা বিভিন্ন ধরনের নফল নামাজ আদায় করতে পারি। শনিবারের নফল নামাজ : হজরত আবু হুরায়রা (রা.) ও হজরত মুআজ ইবনে জাবাল (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, ‘শনিবার রাতে চার রাকাত নফল নামাজ রয়েছে।হজরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি শনিবার দিন চার রাকাত নফল নামাজ আদায় করবে, আল্লাহ তা’য়ালা তার জন্য ৭০ হাজার ফেরেশতা পাঠাবেন, যারা কিয়ামত পর্যন্ত তার জন্য দোয়া করতে থাকবে এবং কিরামান কাতেবিন তার জন্য শহীদের সওয়াব লিখতে থাকবে; সমুদ্রের ফেনা ও আকাশের তারকা সমান তার গোনাহ থাকলেও তা মাফ করে দেয়া হবে। (ত্রুটি মার্জনীয়) কোরান-হাদিসের আলোকে জেনে নিন, গোনাহ মাফের বিশেষ নামাজ!!আল্লাহর নৈকট্যলাভের অন্যতম মাধ্যম নামাজ। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ তো বটেই ওয়াজিব, সুন্নত ও নফলের গুরুত্বও অনেক। হাদিসে শরিফে বলা হয়েছে, নামাজ বেহেশতির চাবি। -সহিহ বোখারি শরিফ আমরা সবাই জানি ইহকালীন নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত প্রভৃতি ইবাদাত- বন্দেগি পরকালে জান্নাতে যাওয়ার সহায়ক।কিন্তু আল্লাহতায়ালা কি এসব ইবাদত-বন্দেগির প্রতিদান শুধু পরকালেই দেবেন? দুনিয়াতে তিনি কিছুই দেবেন না? অবশ্যই দেবেন। যে সমাজের মানুষ আল্লাহতায়ালার বিধি-বিধান মেনে চলে সে সমাজে বিশৃংখলা, অরাজকতা, হানাহানি প্রভৃতি হয় না।

5769 views

.............





  

5769 views

Related Questions