সপ্নে আমি অন্ধ হয়ে জাই খুব চেস্টা করি চোখ খোলার,কিছুতেই পারিনা,দোয়া পরলেও ভুলে ভুলে জাই,একদম অচেতন হয়ে জাই,একদিন তো মরেই জেতাম ভাগ্য ভালো  আযান দিয়েছিলো,
3000 views

4 Answers

আপনি ঘুমানোর আগে আয়াতুল কুরসি পাঠ করবেন। এবং বিসমিল্লাহ ২১ বার পড়বেন। এবং সূরা  এখলাস তিন বার পড়ে ঘুমাবেন। ইনশাআল্লাহ আর কোন অসুবিধা হবে না।

3000 views

নিদ্রা বিশেষজ্ঞদের মতে, বোবায় ধরা তেমন গুরুতর কোনো অস্বাভাবিকতা নয়। তাই ঐ অর্থে কোনো রোগ বা রোগের আলামত বলতেও তারা চান না। তাদের মতে, বোবায় ধরা হচ্ছে একটি অন্তর্বর্তীকালীন অবস্থা, যেখানে আমরা ঘুম ও জাগরণের একটি মাঝামাঝি দশায় অবস্থান করি। ঘুমোনোর সময় আমাদের মস্তিষ্ক কথা বলা সহ চলনক্ষমতা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখে, যাতে আমরা ঘুমের মাঝে চলতে গিয়ে আঘাত না পাই। কিন্তু এমন স্থিতাবস্থার মাঝেই অনেক সময় আমরা জেগে উঠি। অর্থাৎ কখনো কখনো মস্তিষ্কের চেতন অংশের পুরোটা একত্রে কার্যকর হয় না। তখন অন্য অনুভবশক্তি সচল থাকলেও চলন ও বাকশক্তি ফিরতে একটু সময় নেয়। এর মাঝেই তৈরি হয় সাময়িক পক্ষাঘাত বা বোবায় ধরা। Source: sciencedaily.com ঘুম ও জাগরণের মধ্যবর্তী এ অবস্থার প্রকরণ হলো দুটি। একটি হতে পারে, যখন আপনি জাগ্রত অবস্থা থেকে ঘুমাচ্ছেন বা ঘুমাবো ঘুমাবো করছেন। অন্যটি হতে পারে যখন আপনি ঘুমন্ত অবস্থা থেকে জেগে উঠছেন বা উঠবেন। প্রথমটিকে বলা হয় প্রিডরমিটাল স্লিপ প্যারালাইসিস এবং দ্বিতীয়টিকে পোস্টডরমিটাল স্লিপ প্যারালাইসিস। প্রিডরমিটাল স্লিপ প্যারালাইসিস আপনি যখন ঘুমাতে যান তখন অনুভূতিগুলো হালকা হয়ে আসতে থাকে। সে অবস্থায় আপনি শরীরের ঘটমান ও আসন্ন পরিবর্তনগুলো টের পান না বা অচেতন হতে থাকেন। কিন্তু কোনোভাবে যদি চেতনা পান, তবে দেখতে পাবেন যে আপনি কথা বলতে বা নড়তে পারছেন না। পোস্টডরমিটাল স্লিপ প্যারালাইসিস REM (Rapid Eye Movement) ও NREM (Non-Rapid Eye Movement) নামে দুটো পরিভাষা রয়েছে। ৩টি NREM ও একটি REM দ্বারা ঘুমের একটি চক্র আবর্তিত হয়, যা ৯০ মিনিট ব্যাপী স্থায়ী হয়। NREM আগে সংঘটিত হয় এবং তা মোট নিদ্রিত অবস্থার ৭৫ ভাগ। এ সময় শরীর নিজেকে পুরোপুরি ছেড়ে দেয় ও দেহজ ক্ষয়পূরণ করে। দ্বিতীয় ভাগ অর্থাৎ REM এ চোখের বিক্ষিপ্ত পরিচলন শুরু হয় এবং মানুষ স্বপ্ন দেখতে থাকে। এ সময়ে চোখ ব্যতীত পুরো দেহ থাকে স্থিতাবস্থায়, পেশীগুলোর কার্যকারিতাও বন্ধ থাকে। এই REM চক্র শেষ হবার আগে আপনি জেগে গেলে তখন আপনি আবিষ্কার করবেন যে আপনি কথা বলতে বা নড়তে পারছেন না। বোবায় ধরার কারণসমূহ মায়ো ক্লিনিকের গবেষণা অনুযায়ী, ১০-২৫ বছর বয়সীদের ভেতর বেশি দেখা যায় সমস্যাটি। স্লিপ অ্যাপ্নি কিংবা নার্কোলেপ্সি ধরনের নিদ্রাজনিত রোগে আক্রান্তদের বেলায় বোবায় ধরার হার বেশি বলে নিউ ইয়র্কের মন্টেফিওর হেলথ সিস্টেমের স্লিপ -ওয়েক ডিজঅর্ডার সেন্টারের চিকিৎসক ডা. শেলবি হ্যারিস উল্লেখ করেছেন। যুক্তরাজ্যের শেফিল্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ড্যানিয়েল ডেনিস ৮৬২ জন ভাই-বোনের মধ্যে চালানো গবেষণার মাধ্যমে এ সিদ্ধান্তে আসেন যে, বোবায় ধরা বা স্লিপ প্যারালাইসিসে বংশগতি বা জিনগত যোগ রয়েছে। ২০১১ সালে পেনসিলভানিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটিতে চালানো এক গবেষণায় দেখা যায়, বিশ্বের ৭.৬ ভাগ মানুষ এ সমস্যায় ভোগেন। বিষণ্ণতা বা উদ্বিগ্নতার রোগীদের শতকরা প্রায় ৩২ ভাগের ভেতরেই বোবায় ধরার সমস্যাটি দেখা যায়। মানসিক অস্থিরতাও ‘বোবায় ধরা’র একটি কারণ; Source: boldsky.com

3000 views

বোবা জিন নামে কোন আলাদা জিন নেই।বোবা এটি একটি অধিকশ্রুত কল্পিত চরিত্র। আমরা জানি ঘুমের সময় আমাদের মস্তিষ্ক অচেতন হয়ে পড়ে এরই সাথে আমাদের শরীরের কাজও বন্ধ হয়ে যায়।আমরা যেটাকে বোবাধরা বলি সেটা হচ্ছে, কখনো আমাদের নার্ভ বা স্নায়ু ঘুম থেকে জাগ্রত হয়ে যায় কিন্তু তার কমান্ড শরীরের অন্যান্য অংশ তাৎক্ষণিক মানতে পারে না ফলে কথা বলতে চেয়েও বলা যায় না, কিছু করতে চেয়েও করা যায় না। এই অবস্থাটিকেই আমরা বোবাধরা বলে থাকি। এছাড়াও কখনো স্বপ্নের কারণেও আমরা এমন অনুভব করি। আর যদি জিনের আছর কারো উপর থাকে বা যাদু টোনা থাকে তাহলেও এমন হয় তবে তা বোবাধরা বা বোবাজিন নয়।

3000 views

বোবায় ধরা (ইংরেজি: Sleep paralysis) হচ্ছে এমন একটি অবস্থা যখন একজন ব্যক্তি ঘুমিয়ে পড়া বা ঘুম থেকে জেগে উঠার সময়ে শরীরের কোন অঙ্গ-প্রত্যংগ নাড়াতে না পারার একটি অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে যায়। অন্যভাবে, যখন কাউকে বোবায় ধরে, তখন সে তার শরীরের কোন অঙ্গ-প্রত্যংগ নাড়াতে পারে না, অসাড়তা অনুভব করে। এটি ঘটে একজন ব্যক্তির ঘুমিয়ে পড়া বা জেগে উঠার আগমুহূর্তে।

বোবায় ধরা হচ্ছে ঘুমন্ত অবস্থা এবং জাগরণের মধ্যবর্তী একটি অবস্থান। এটি ঘুমোনর মুহূর্তে অথবা ঘুম থেকে জেগে উঠার আগমুহূর্তে হতে পারে। বোবায় ধরা ব্যক্তিটি প্রায়ই একটি ভয়ের অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে যায়, ভয়ের কোন দৃশ্য দেখতে পারে (যেমন, ঘরের ভেতরে কারো অনাকাঙ্ক্ষিত উপস্থিতি)।এবং সেই মুহূর্তে বোবায় ধরা ব্যক্তিটি নড়তে পারে না।

ধরে নেওয়া হয় REM sleep এ বিঘ্ন ঘটার কারণে বোবায় ধরা ব্যপারটি ঘটে। বোবায় ধরার সাথে কিছু মানসিক রোগ যেমন narcolepsy, migraine, anxiety disorder, এবং obstructive sleep apneaএর যোগসুত্র আছে বলে ধরা হয়। তবে, এসব মানসিক রোগ না থাকলেও একজন ব্যক্তি বোবায় ধরা এ আক্রান্ত হতে পারে।যখন অন্য কোন রোগের সাথে যোগসূত্র থাকে, বোবায় ধরা সাধারণত স্নায়বিক ব্যাধি narcolepsy এর কারণে হতে পারে।সুত্র -উইকিপিডিয়া 

তবে, যতই বোবায় ধরুক না কেন কিছু নিয়ম মেনে চললে এই বিদঘুটে অবস্থা থেকে রেহাই পেতে পারেন। যা কিছু করনীয়-

সঠিক সময় খাবার গ্রহণ :

ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত দুই ঘণ্টা পূর্বে খাবার গ্রহণ করতে হবে আপনাকে। এ নিয়ম ব্যাহত হলে শারীরবৃত্তীয় সমস্যা হতে পারে যার বিরূপ প্রভাব পড়বে মনের ওপর। এর ফলে স্লিপ প্যারালাইসিস বা বোবা-য় ধরা-এ আক্রান্ত হতে পারেন আপনি।

ঘুমের অনিয়ম পরিহার :

ঘুমের অনিয়ম হলে কিংবা নিয়মিত ঘুমানোর অভ্যাস না থাকলে স্লিপ প্যারালাইসিস-র সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। তাই, অনিদ্রা পরিহার করতে হবে। চিত কিংবা উপুড় হয়ে না শুয়ে কাত হয়ে শোওয়া উত্তম।

মানসিক চাপ বর্জন :

মানসিক চাপজনিত কারণে এই সমস্যা হতে পারে। তাই, অবশ্যই দুশ্চিন্তা পরিহার করতে হবে। এর ফলে, শুধু স্লিপ প্যারালাইসিস নয় আরো অনেক জটিল সমস্যা থেকে রেহাই পাবেন আপনি।

স্লিপিং পিল পরিহার :

স্লিপিং পিল বা ঘুমের ওষুধ বোবায় ধরা’র অন্যতম কারণ। তাই স্লিপিং পিল পরিহার করতে হবে। আর ঘন-ঘন বোবায় ধরা’য় আক্রান্ত হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে ভুলবেন না যেন।

সর্বোপরি-সুন্নাত তরিকায় ঘুমান৷   

3000 views

Related Questions