user-avatar

HMMOBAROKBD

HMMOBAROKBD

HMMOBAROKBD এর সম্পর্কে
যোগ্যতা ও হাইলাইট
কক্সবাজার,ঈদগাঁও, বার আউলিয়া আব্দুর রহমান জামী রহঃ মাদ্রাসা এবং নোন ই কমার্স কোং জিদ্দ, সৌদি আরব!মাদ্রাসার পরিচালক, বর্তমান নোন এর সাধারণ কর্মকর্তা! 2019–বর্তমান
পুরুষ
Unspecified
Unspecified
প্রশ্ন-উত্তর সমূহ 471.67k বার দেখা হয়েছে এই মাসে 37.46k বার
জিজ্ঞাসিত 105 টি প্রশ্ন দেখা হয়েছে 32.49k বার
দিয়েছেন 1146 টি উত্তর দেখা হয়েছে 439.18k বার
0 টি ব্লগ
0 টি মন্তব্য
মানে খুৎবা চলাকালীন নামাজ ইত্যাদি পড়া জায়েজ কি না??অথবা থাকলে ইমামদের মত কি???  

নারী-পুরুষের নাভীর নিচের/ বগলের লোম উপড়িয়ে/ মুন্ডিয়ে পরিষ্কার করা সুন্নাতে আম্বিয়া।এ প্রসঙ্গে হাদীসে পাকের বর্ণনা নিম্নরূপ-

عن انس بن مالك قال وقت لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم حَلْقَ العَانَةِ وتقلِيمَ الاظفار وقَصَّ الشارب ونتف الاِبطِ أربعين يومًا مرّةً- (رواه مسلم-২৫৮)

অর্থাৎ- হযরত আনাস ইবনে মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন প্রিয়নবী রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু তা’আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম আমাদের জন্য ৪০ দিনে কমপক্ষে একবার নাভীর নিচের লোম/চুল পরিষ্কার করার, নখ কাটার, গোঁফ ছাঁটার এবং বগলের নিচের পশম মুন্ডানোর সময়-সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছেন। [সহীহ মুসলিম শরীফ: হাদীস নম্বর ২৫৮] 

কোনো কোনো বর্ণনায় নাভির নিচের লোশ মুণ্ডন করার কথা আবার কোনো কোনো বর্ণনায় লোহার তৈরি ধারলো কোন যন্ত্র দিয়ে পরিষ্কার করার কথা উদ্ধৃত হয়েছে। আর এটাই মুস্তাহাব। এতে উম্মতের কারও কোনো দ্বিমত নেই। (আল ইতহাফ)।

মূল উদ্দেশ্য হলো পরিচ্ছন্নতা- সেটা ক্ষুর দিয়ে হোক বা অন্য কিছু দিয়ে। (ফতওয়ায়ে আলমগিরী)

সুতরাং -আলোচনার সারমর্ম এটাই যে,নাভির নিচের লোম কাটলে যে গরীব হয়ে যাবে/গোনাহ হবে, এমন কোন কথা হাদিসে উল্লেখ নেই! 

সুতরাং -আপনার শোনা বিষয়টি একটি কুসংস্কার মাত্র৷ 

উত্তম হলো মুন্ডিয়ে ফেলা,তবে কোন ধারালো কাঁচি দিয়ে কাটাও জায়েজ!মূল উদ্দেশ্য হলো- পরিষ্কার করা! 


মানুষ চলার পথে এমন কিছু পাপ করে যা তাওবা না করলে মহান আল্লাহ তা’য়ালা ক্ষমা করবেন না। মূলত তাওবা না করে ক্ষমা পাওয়া যায় না এমন পাপগুলোকে কবিরা গুনাহ বলে।


কবিরাহ গোনাহের সংক্ষিপ্ত একটা তালিকা! 

১. আল্লাহর সাথে শিরক করা

২. নামায পরিত্যাগ করা

৩. পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া

৪. অন্যায়ভাবে মানুষ হত্যা করা

৬. পিতা-মাতাকে অভিসম্পাত করা

৭. যাদু-টোনা করা

৮. এতীমের সম্পদ আত্মসাৎ করা

৯. জিহাদের ময়দান থেকে থেকে পলায়ন

১০. সতী-সাধ্বী মু‘মিন নারীর প্রতি অপবাদ

১১. রোযা না রাখা ও যাকাত আদায় না করা

১২. ক্ষমতা থাকা সত্যেও হজ্জ আদায় না করা

১৩. যাদুর বৈধতায় বিশ্বাস করা

১৪. প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয়া

১৫. অহংকার করা

১৬. চুগলখোরি করা (ঝগড়া লাগানোর উদ্দেশ্যে একজনের কথা আরেকজনের নিকট লাগোনো)

১৭. আত্মহত্যা করা

১৮. আত্মীয়তা সম্পর্ক ছিন্ন করা

১৯. অবৈধ পথে উপার্জিত অর্থ ভক্ষণ করা

২০. উপকার করে খোটা দান করা

২১. মদ বা নেশা দ্রব্য গ্রহণ করা

২২. মদ প্রস্তুত ও প্রচারে অংশ গ্রহণ করা

২৩. জুয়া খেলা

২৪. তকদীর অস্বীকার করা

২৫. অদৃশ্যের খবর জানার দাবী করা

২৬. গণকের কাছে ধর্না দেয়া বা গণকের কাছে অদৃশ্যের খবর জানতে চাওয়া

২৭. পেশাব থেকে পবিত্র না থাকা

২৮. রাসূল (সা:)এর নামে মিথ্যা হাদীস বর্ণনা করা

২৯. মিথ্যা স্বপ্ন বর্ণনা করা

৩০. মিথ্যা কথা বলা

৩১. মিথ্যা কসমের মাধ্যমে পণ্য বিক্রয় করা

৩২. জিনা-ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়া

৩৩. সমকামিতায় লিপ্ত হওয়া

৩৪. মিথ্যা কসম খাওয়া

৩৫. মানুষের গোপন কথা চুপিসারে শোনার চেষ্টা করা

৩৬. হিল্লা তথা চুক্তি ভিত্তিক বিয়ে করা।

৩৭. যার জন্যে হিলা করা হয়

৩৮. মানুষের বংশ মর্যাদায় আঘাত হানা

৩৯. মৃতের উদ্দেশ্যে উচ্চস্বরে ক্রন্দন করা

৪০. মুসলিম সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন থাকা

৪১. মুসলিমকে গালি দেয়া অথবা তার সাথে লড়ায়ে লিপ্ত হওয়া

৪২. খেলার ছলে কোন প্রাণীকে নিক্ষেপ যোগ্য অস্ত্রের লক্ষ্য বস্তু বানানো

৪৩. কোন অপরাধীকে আশ্রয় দান করা

৪৪. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে পশু জবেহ করা

৪৫. ওজনে কম দেয়া

৪৬. ঝগড়া-বিবাদে অশ্লীল ভাষা প্রয়োগ করা

৪৭. ইসলামী আইনানুসারে বিচার বা শাসনকার্য পরিচালনা না করা

৪৮. জমিনের সীমানা পরিবর্তন করা বা পরের জমি জবর দখল করা

৪৯. গীবত তথা অসাক্ষাতে কারো দোষ চর্চা করা

৫০. দাঁত চিকন করা

৫১. সৌন্দর্যের উদ্দেশ্যে মুখ মণ্ডলের চুল তুলে ফেলা বা চুল উঠিয়ে ভ্রু চিকন করা

৫২. অতিরিক্ত চুল সংযোগ করা

৫৩. পুরুষের নারী বেশ ধারণ করা

৫৪. নারীর পুরুষ বেশ ধারণ করা

৫৫. বিপরীত লিঙ্গের প্রতি কামনার দৃষ্টিতে তাকানো

৫৬. কবরকে মসজিদ হিসেবে গ্রহণ করা

৫৭. পথিককে নিজের কাছে অতিরিক্ত পানি থাকার পরেও না দেয়া

৫৮. পুরুষের টাখনুর নিচে ঝুলিয়ে পোশাক পরিধান করা

৫৯. মুসলিম শাসকের সাথে কৃত বাইআত বা আনুগত্যের শপথ ভঙ্গ করা

৬০. ডাকাতি করা

৬১. চুরি করা

৬২. সুদ লেন-দেন করা, সুদ লেখা বা তাতে সাক্ষী থাকা

৬৩. ঘুষ লেন-দেন করা

৬৪. গনিমত তথা জিহাদের মাধ্যমে কাফেরদের নিকট থেকে প্রাপ্ত সম্পদ বণ্টনের পূর্বে আত্মসাৎ করা

৬৫. স্ত্রীর পায়ু পথে যৌন ক্রিয়া করা

৬৬. জুলুম-অত্যাচার করা

৬৭. অস্ত্র দ্বারা ভয় দেখানো বা তা দ্বারা কাউকে ইঙ্গিত করা

৬৮. প্রতারণা বা ঠগ বাজী করা

৬৯. রিয়া বা লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে সৎ আমল করা

৭০. স্বর্ণ বা রৌপ্যের তৈরি পাত্র ব্যবহার করা

৭১. পুরুষের রেশমি পোশাক এবং স্বর্ণ ও রৌপ্য পরিধান করা

৭২. সাহাবীদের গালি দেয়া

৭৩. নামাযরত অবস্থায় মুসল্লির সামনে দিয়ে গমন করা

৭৪. মনিবের নিকট থেকে কৃতদাসের পলায়ন

৭৫. ভ্রান্ত মতবাদ জাহেলী রীতিনীতি অথবা বিদআতের প্রতি আহবান করা

৭৬. পবিত্র মক্কা ও মদীনায় কোন অপকর্ম বা দুষ্কৃতি করা

৭৭. কোন দুষ্কৃতিকারীকে প্রশ্রয় দেয়া

৭৮. আল্লাহর ব্যাপারে অনধিকার চর্চা করা

৭৯. বিনা প্রয়োজনে তালাক চাওয়া

৮০. যে নারীর প্রতি তার স্বামী অসন্তুষ্ট

৮১. স্বামীর অবাধ্য হওয়া

৮২. স্ত্রী কর্তৃক স্বামীর অবদান অস্বীকার করা

৮৩. স্বামী-স্ত্রীর মিলনের কথা জনসম্মুখে প্রকাশ করা

৮৪. স্বামী-স্ত্রীর মাঝে বিবাদ সৃষ্টি করা

৮৫. বেশী বেশী অভিশাপ দেয়া

৮৬. বিশ্বাস ঘাতকতা করা

৮৭. অঙ্গীকার পূরণ না করা

৮৮. আমানতের খিয়ানত করা

৮৯. প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয়া

৯০. ঋণ পরিশোধ না করা

৯১. বদ মেজাজি ও এমন অহংকারী যে উপদেশ গ্রহণ করে না

৯২. তাবিজ-কবজ, রিং, সুতা ইত্যাদি ঝুলানো

৯৩. পরীক্ষায় নকল করা

৯৪. ভেজাল পণ্য বিক্রয় করা

৯৫. ইচ্ছাকৃত ভাবে জেনে শুনে অন্যায় বিচার করা

৯৬. আল্লাহ বিধান ব্যতিরেকে বিচার- ফয়সালা করা

৯৭. দুনিয়া কামানোর উদ্দেশ্যে দীনী ইলম অর্জন করা

৯৮. কোন ইলম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে জানা সত্যেও তা গোপন করা

৯৯. নিজের পিতা ছাড়া অন্যকে পিতা বলে দাবী করা

১০০. আল্লাহর রাস্তায় বাধা দেয়া


আপনি প্রশ্ন করার জন্য "প্রশ্ন করুন" অপশনে প্রবেশ করলে দুটি বক্স দেখতে পাবেন৷ 

এক বাক্যে প্রশ্নটি ঃ 

এই প্রশ্নটির ব্যাখ্যামূলক তথ্য ঃ   

আপনার সমাধান হলো ঃ -  আপনি ১৪০ বর্ণের কম লিখায় প্রশ্নটির মূলভাব উপরের বক্সে লিখুন৷ তারপর দ্বিতীয় বক্সে বিস্তারিত লিখতে পারবেন, সমস্যা হবে না!     image

প্রিয় প্রশ্নকর্তা ভাই!! এসব ভিত্তিহীন ও কুসংস্কার মাত্র।ইসলামে এসবের কোন স্থান নেই!

আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে,কুসংস্কার কি?/কাকে বলে?কুসংস্কার বলে নিছক ধারণা ও কল্পনা ভিত্তিক প্রমাণহীন বিশ্বাস এবং সেই বিশ্বাস-প্রসূত ভিত্তিহীন প্রথা ও কর্ম।অনুরূপ আপনার এই কথাটিও ইসলামের কোন দলিল ভিত্তিক নয়!এটা একটা ভিত্তিহীন কথা৷ 

যে হৃদয় ও মস্তিস্ক কুরআন-সুন্নাহর আলো থেকে বঞ্চিত তা-ই নানাবিধ বিভ্রান্তি ও কুসংস্কারের প্রজননক্ষেত্রে পরিণত হয়। একারণে দেখা যায়, পার্থিব শিক্ষা দীক্ষায় অগ্রসর হওয়ার পরও আজব আজব বিভ্রান্তি ও কুসংস্কারে মানুষ লিপ্ত থাকে। এমনকি ঐসবকেই গৌরবের বিষয় মনে করে।

আরব জাহেলিয়াতের মতো এখনও অনেক নারী-পুরুষ কুলক্ষণে বিশ্বাস করে। জপতপ, তন্ত্রমন্ত্রে আস্থা রাখে। জটাধারী ফকিরের   পিছনে পিছনে ঘোরে। মূর্খ বে-শরা লোকদের অশ্লীল কথাবার্তাকে শিল্প-সংস্কৃতি গণ্য করে, এদের ‘জীবন’ ও ‘আদর্শ’ উদঘাটনের পিছনে লেগে থাকে!! 

আলোকিত ধর্ম-ইসলামের প্রধান শিক্ষা ঈমান। ঈমানের বিপরীত হচ্ছে কুফর। ঈমান হচ্ছে আলো আর কুফর হচ্ছে অন্ধকার। সুতরাং কুফরের অন্ধকার থেকে মুক্তি পেতে হলে ঈমানের দিকে আসতে হবে।

ঈমানের অন্যতম প্রধান বিষয় ‘তাওহীদ’। তাওহীদের বিপরীত বিষয়টি শিরক। তাওহীদ হচ্ছে আলো আর শিরক হচ্ছে অন্ধকার। সুতরাং অন্ধকার থেকে মুক্তি পেতে হলে তাওহীদের আলোই গ্রহণ করতে হবে।

ইসলামের আরেক প্রধান শিক্ষা ‘সুন্নাহ’। সুন্নাহ হচ্ছে বিদআ’র বিপরীত। সুন্নাহ হচ্ছে আলো আর বিদআ হচ্ছে অন্ধকার। সুতরাং বিদআর অন্ধকার থেকে মুক্তি পেতে হলে সুন্নাহর দিকে আসতে হবে।

ইসলামের অন্যতম প্রধান শিক্ষা ‘আদাবে হাসান’ অর্থাৎ সুরুচি ও সুনীতি। এর বিপরীতে আছে ‘ফাওয়াহিশ’ অর্থাৎ অনাচার ও অশ্লীলতা,কুসংস্কার । ‘আদাবে হাসান’ হচ্ছে আলো আর ‘ফাওয়াহিশ’ হচ্ছে অন্ধকার। সুতরাং ‘ফাওয়াহিশ’কুসংস্কারের অন্ধকার থেকে মুক্তি পেতে হলে ‘আদাবে হাসানে’র দিকেই আসতে হবে।

মানবজাতির সর্ববিধ অন্ধকার থেকে মুক্ত করার জন্যই কুরআনের আগমন। মহান আল্লাহ কত দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলেছেন-(তরজমা) এটি সেই কিতাব যা আমি তোমার প্রতি নাযিল করেছি যেন তুমি মানুষকে বের করে আন অনেক অন্ধকার থেকে এক আলোর দিকে।-সূরা ইবরাহীম (১৪) : ০১

আলোর স্রষ্টা মহান আল্লাহ যেন আমাদের সকল অন্ধকার থেকে মুক্তি দান করেন-এই প্রার্থনা।


উত্তর হবে- বুড়ো আঙুল! 

ব্যাখ্যাঃ- হাতের পাঁচটি আঙুল সবগুলোই সমবয়সী, তার মধ্যে বৃদ্ধাঙ্গুলটি / বুড়ো আঙুলটি সবগুলো আঙুলের সাথে হলে বাটি/ছোট মনে হয়,কিন্তু লোকে এটাকে বুড়ো বা বৃদ্ধাঙ্গুল বলে!! 

কটু হলেও সত্য এটাই যে,প্রায় ছেলেরাই সুন্দরী মেয়েদের প্রতি দূর্বল! সৌন্দর্য বা সুন্দরীদের প্রতি সকলের মতো আমিও আকৃষ্ট! 

তবে....এর বাইরেও আমাকে মেয়েদের আরও কিছু গুণ আকৃষ্ট করে!

সুন্দর মিষ্টি হাসি: একটি মেয়ের মিষ্টি হাসি যে কোন ছেলেকে ঘায়েল করতে পারে।যে মেয়েগুলো হাসিমুখে কথা বলে,যাদের হাসি মিষ্টি, তারা আমাকেও আকৃষ্ট করে৷ 

কেয়ারিং স্বভাব!!কথা শুরুতেই খেয়েছি কি না?/কেমন আছি?/শারীরিক-মানসিক কি অবস্থা?ইত্যাদি মেয়েদের জিজ্ঞেস করার স্বভাব আমাকে আকৃষ্ট করে৷ 

আমার সাথে অন্য কাওকে ঘনিষ্ঠ হতে দেখে ঈর্ষান্বিত হওয়ার স্বভাবটাও আমাকে আকৃষ্ট করে৷ 

হালাল উপার্জন দিয়ে কিস্তিতে কোনো বস্তু কেনা, এটি সম্পূর্ণরূপে হালাল। এটি বৈধ, এর মধ্যে হারামের কিছুই নেই। এটা সুদের সাথে সম্পৃক্ত মাসয়ালা নয়। এ ধরনের কেনাবেচা ইসলামের শরীয়তের মধ্যে জায়েজ রয়েছে।

সুতরাং --আপনি কিস্তিতে বাইক নিতে পারেন!! 

বিস্ময়ে কিছুদিন আগেও প্রশ্নের অনুমোদন এর জন্য ১০০+ পয়েন্টের প্রয়োজন হতো, কিন্তু এখন(বর্তমানে)  এই নিয়মটি নেই৷এখন যে কোন পয়েন্টধারী সদস্যদের প্রশ্ন অটো অনুমোদন হয়৷ তাই... আপনার প্রশ্নও অনুমোদন পেয়েছে৷            

সূরা আন-নাস ( سورة الناس‎‎ ) আমাদের ধর্মীয় গ্রন্থ পবিত্র কুরআনের ১১৪ তম এবং সর্বশেষ সূরা।এটির মাধ্যমে'ই কোরানের সমাপ্তি করা হয়েছে৷