user-avatar

HMMOBAROKBD

◯ HMMOBAROKBD

মানে খুৎবা চলাকালীন নামাজ ইত্যাদি পড়া জায়েজ কি না??অথবা থাকলে ইমামদের মত কি???  

নারী-পুরুষের নাভীর নিচের/ বগলের লোম উপড়িয়ে/ মুন্ডিয়ে পরিষ্কার করা সুন্নাতে আম্বিয়া।এ প্রসঙ্গে হাদীসে পাকের বর্ণনা নিম্নরূপ-

عن انس بن مالك قال وقت لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم حَلْقَ العَانَةِ وتقلِيمَ الاظفار وقَصَّ الشارب ونتف الاِبطِ أربعين يومًا مرّةً- (رواه مسلم-২৫৮)

অর্থাৎ- হযরত আনাস ইবনে মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন প্রিয়নবী রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু তা’আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম আমাদের জন্য ৪০ দিনে কমপক্ষে একবার নাভীর নিচের লোম/চুল পরিষ্কার করার, নখ কাটার, গোঁফ ছাঁটার এবং বগলের নিচের পশম মুন্ডানোর সময়-সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছেন। [সহীহ মুসলিম শরীফ: হাদীস নম্বর ২৫৮] 

কোনো কোনো বর্ণনায় নাভির নিচের লোশ মুণ্ডন করার কথা আবার কোনো কোনো বর্ণনায় লোহার তৈরি ধারলো কোন যন্ত্র দিয়ে পরিষ্কার করার কথা উদ্ধৃত হয়েছে। আর এটাই মুস্তাহাব। এতে উম্মতের কারও কোনো দ্বিমত নেই। (আল ইতহাফ)।

মূল উদ্দেশ্য হলো পরিচ্ছন্নতা- সেটা ক্ষুর দিয়ে হোক বা অন্য কিছু দিয়ে। (ফতওয়ায়ে আলমগিরী)

সুতরাং -আলোচনার সারমর্ম এটাই যে,নাভির নিচের লোম কাটলে যে গরীব হয়ে যাবে/গোনাহ হবে, এমন কোন কথা হাদিসে উল্লেখ নেই! 

সুতরাং -আপনার শোনা বিষয়টি একটি কুসংস্কার মাত্র৷ 

উত্তম হলো মুন্ডিয়ে ফেলা,তবে কোন ধারালো কাঁচি দিয়ে কাটাও জায়েজ!মূল উদ্দেশ্য হলো- পরিষ্কার করা! 


মানুষ চলার পথে এমন কিছু পাপ করে যা তাওবা না করলে মহান আল্লাহ তা’য়ালা ক্ষমা করবেন না। মূলত তাওবা না করে ক্ষমা পাওয়া যায় না এমন পাপগুলোকে কবিরা গুনাহ বলে।


কবিরাহ গোনাহের সংক্ষিপ্ত একটা তালিকা! 

১. আল্লাহর সাথে শিরক করা

২. নামায পরিত্যাগ করা

৩. পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া

৪. অন্যায়ভাবে মানুষ হত্যা করা

৬. পিতা-মাতাকে অভিসম্পাত করা

৭. যাদু-টোনা করা

৮. এতীমের সম্পদ আত্মসাৎ করা

৯. জিহাদের ময়দান থেকে থেকে পলায়ন

১০. সতী-সাধ্বী মু‘মিন নারীর প্রতি অপবাদ

১১. রোযা না রাখা ও যাকাত আদায় না করা

১২. ক্ষমতা থাকা সত্যেও হজ্জ আদায় না করা

১৩. যাদুর বৈধতায় বিশ্বাস করা

১৪. প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয়া

১৫. অহংকার করা

১৬. চুগলখোরি করা (ঝগড়া লাগানোর উদ্দেশ্যে একজনের কথা আরেকজনের নিকট লাগোনো)

১৭. আত্মহত্যা করা

১৮. আত্মীয়তা সম্পর্ক ছিন্ন করা

১৯. অবৈধ পথে উপার্জিত অর্থ ভক্ষণ করা

২০. উপকার করে খোটা দান করা

২১. মদ বা নেশা দ্রব্য গ্রহণ করা

২২. মদ প্রস্তুত ও প্রচারে অংশ গ্রহণ করা

২৩. জুয়া খেলা

২৪. তকদীর অস্বীকার করা

২৫. অদৃশ্যের খবর জানার দাবী করা

২৬. গণকের কাছে ধর্না দেয়া বা গণকের কাছে অদৃশ্যের খবর জানতে চাওয়া

২৭. পেশাব থেকে পবিত্র না থাকা

২৮. রাসূল (সা:)এর নামে মিথ্যা হাদীস বর্ণনা করা

২৯. মিথ্যা স্বপ্ন বর্ণনা করা

৩০. মিথ্যা কথা বলা

৩১. মিথ্যা কসমের মাধ্যমে পণ্য বিক্রয় করা

৩২. জিনা-ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়া

৩৩. সমকামিতায় লিপ্ত হওয়া

৩৪. মিথ্যা কসম খাওয়া

৩৫. মানুষের গোপন কথা চুপিসারে শোনার চেষ্টা করা

৩৬. হিল্লা তথা চুক্তি ভিত্তিক বিয়ে করা।

৩৭. যার জন্যে হিলা করা হয়

৩৮. মানুষের বংশ মর্যাদায় আঘাত হানা

৩৯. মৃতের উদ্দেশ্যে উচ্চস্বরে ক্রন্দন করা

৪০. মুসলিম সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন থাকা

৪১. মুসলিমকে গালি দেয়া অথবা তার সাথে লড়ায়ে লিপ্ত হওয়া

৪২. খেলার ছলে কোন প্রাণীকে নিক্ষেপ যোগ্য অস্ত্রের লক্ষ্য বস্তু বানানো

৪৩. কোন অপরাধীকে আশ্রয় দান করা

৪৪. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে পশু জবেহ করা

৪৫. ওজনে কম দেয়া

৪৬. ঝগড়া-বিবাদে অশ্লীল ভাষা প্রয়োগ করা

৪৭. ইসলামী আইনানুসারে বিচার বা শাসনকার্য পরিচালনা না করা

৪৮. জমিনের সীমানা পরিবর্তন করা বা পরের জমি জবর দখল করা

৪৯. গীবত তথা অসাক্ষাতে কারো দোষ চর্চা করা

৫০. দাঁত চিকন করা

৫১. সৌন্দর্যের উদ্দেশ্যে মুখ মণ্ডলের চুল তুলে ফেলা বা চুল উঠিয়ে ভ্রু চিকন করা

৫২. অতিরিক্ত চুল সংযোগ করা

৫৩. পুরুষের নারী বেশ ধারণ করা

৫৪. নারীর পুরুষ বেশ ধারণ করা

৫৫. বিপরীত লিঙ্গের প্রতি কামনার দৃষ্টিতে তাকানো

৫৬. কবরকে মসজিদ হিসেবে গ্রহণ করা

৫৭. পথিককে নিজের কাছে অতিরিক্ত পানি থাকার পরেও না দেয়া

৫৮. পুরুষের টাখনুর নিচে ঝুলিয়ে পোশাক পরিধান করা

৫৯. মুসলিম শাসকের সাথে কৃত বাইআত বা আনুগত্যের শপথ ভঙ্গ করা

৬০. ডাকাতি করা

৬১. চুরি করা

৬২. সুদ লেন-দেন করা, সুদ লেখা বা তাতে সাক্ষী থাকা

৬৩. ঘুষ লেন-দেন করা

৬৪. গনিমত তথা জিহাদের মাধ্যমে কাফেরদের নিকট থেকে প্রাপ্ত সম্পদ বণ্টনের পূর্বে আত্মসাৎ করা

৬৫. স্ত্রীর পায়ু পথে যৌন ক্রিয়া করা

৬৬. জুলুম-অত্যাচার করা

৬৭. অস্ত্র দ্বারা ভয় দেখানো বা তা দ্বারা কাউকে ইঙ্গিত করা

৬৮. প্রতারণা বা ঠগ বাজী করা

৬৯. রিয়া বা লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে সৎ আমল করা

৭০. স্বর্ণ বা রৌপ্যের তৈরি পাত্র ব্যবহার করা

৭১. পুরুষের রেশমি পোশাক এবং স্বর্ণ ও রৌপ্য পরিধান করা

৭২. সাহাবীদের গালি দেয়া

৭৩. নামাযরত অবস্থায় মুসল্লির সামনে দিয়ে গমন করা

৭৪. মনিবের নিকট থেকে কৃতদাসের পলায়ন

৭৫. ভ্রান্ত মতবাদ জাহেলী রীতিনীতি অথবা বিদআতের প্রতি আহবান করা

৭৬. পবিত্র মক্কা ও মদীনায় কোন অপকর্ম বা দুষ্কৃতি করা

৭৭. কোন দুষ্কৃতিকারীকে প্রশ্রয় দেয়া

৭৮. আল্লাহর ব্যাপারে অনধিকার চর্চা করা

৭৯. বিনা প্রয়োজনে তালাক চাওয়া

৮০. যে নারীর প্রতি তার স্বামী অসন্তুষ্ট

৮১. স্বামীর অবাধ্য হওয়া

৮২. স্ত্রী কর্তৃক স্বামীর অবদান অস্বীকার করা

৮৩. স্বামী-স্ত্রীর মিলনের কথা জনসম্মুখে প্রকাশ করা

৮৪. স্বামী-স্ত্রীর মাঝে বিবাদ সৃষ্টি করা

৮৫. বেশী বেশী অভিশাপ দেয়া

৮৬. বিশ্বাস ঘাতকতা করা

৮৭. অঙ্গীকার পূরণ না করা

৮৮. আমানতের খিয়ানত করা

৮৯. প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয়া

৯০. ঋণ পরিশোধ না করা

৯১. বদ মেজাজি ও এমন অহংকারী যে উপদেশ গ্রহণ করে না

৯২. তাবিজ-কবজ, রিং, সুতা ইত্যাদি ঝুলানো

৯৩. পরীক্ষায় নকল করা

৯৪. ভেজাল পণ্য বিক্রয় করা

৯৫. ইচ্ছাকৃত ভাবে জেনে শুনে অন্যায় বিচার করা

৯৬. আল্লাহ বিধান ব্যতিরেকে বিচার- ফয়সালা করা

৯৭. দুনিয়া কামানোর উদ্দেশ্যে দীনী ইলম অর্জন করা

৯৮. কোন ইলম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে জানা সত্যেও তা গোপন করা

৯৯. নিজের পিতা ছাড়া অন্যকে পিতা বলে দাবী করা

১০০. আল্লাহর রাস্তায় বাধা দেয়া


আপনি প্রশ্ন করার জন্য "প্রশ্ন করুন" অপশনে প্রবেশ করলে দুটি বক্স দেখতে পাবেন৷ 

এক বাক্যে প্রশ্নটি ঃ 

এই প্রশ্নটির ব্যাখ্যামূলক তথ্য ঃ   

আপনার সমাধান হলো ঃ -  আপনি ১৪০ বর্ণের কম লিখায় প্রশ্নটির মূলভাব উপরের বক্সে লিখুন৷ তারপর দ্বিতীয় বক্সে বিস্তারিত লিখতে পারবেন, সমস্যা হবে না!     image

প্রিয় প্রশ্নকর্তা ভাই!! এসব ভিত্তিহীন ও কুসংস্কার মাত্র।ইসলামে এসবের কোন স্থান নেই!

আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে,কুসংস্কার কি?/কাকে বলে?কুসংস্কার বলে নিছক ধারণা ও কল্পনা ভিত্তিক প্রমাণহীন বিশ্বাস এবং সেই বিশ্বাস-প্রসূত ভিত্তিহীন প্রথা ও কর্ম।অনুরূপ আপনার এই কথাটিও ইসলামের কোন দলিল ভিত্তিক নয়!এটা একটা ভিত্তিহীন কথা৷ 

যে হৃদয় ও মস্তিস্ক কুরআন-সুন্নাহর আলো থেকে বঞ্চিত তা-ই নানাবিধ বিভ্রান্তি ও কুসংস্কারের প্রজননক্ষেত্রে পরিণত হয়। একারণে দেখা যায়, পার্থিব শিক্ষা দীক্ষায় অগ্রসর হওয়ার পরও আজব আজব বিভ্রান্তি ও কুসংস্কারে মানুষ লিপ্ত থাকে। এমনকি ঐসবকেই গৌরবের বিষয় মনে করে।

আরব জাহেলিয়াতের মতো এখনও অনেক নারী-পুরুষ কুলক্ষণে বিশ্বাস করে। জপতপ, তন্ত্রমন্ত্রে আস্থা রাখে। জটাধারী ফকিরের   পিছনে পিছনে ঘোরে। মূর্খ বে-শরা লোকদের অশ্লীল কথাবার্তাকে শিল্প-সংস্কৃতি গণ্য করে, এদের ‘জীবন’ ও ‘আদর্শ’ উদঘাটনের পিছনে লেগে থাকে!! 

আলোকিত ধর্ম-ইসলামের প্রধান শিক্ষা ঈমান। ঈমানের বিপরীত হচ্ছে কুফর। ঈমান হচ্ছে আলো আর কুফর হচ্ছে অন্ধকার। সুতরাং কুফরের অন্ধকার থেকে মুক্তি পেতে হলে ঈমানের দিকে আসতে হবে।

ঈমানের অন্যতম প্রধান বিষয় ‘তাওহীদ’। তাওহীদের বিপরীত বিষয়টি শিরক। তাওহীদ হচ্ছে আলো আর শিরক হচ্ছে অন্ধকার। সুতরাং অন্ধকার থেকে মুক্তি পেতে হলে তাওহীদের আলোই গ্রহণ করতে হবে।

ইসলামের আরেক প্রধান শিক্ষা ‘সুন্নাহ’। সুন্নাহ হচ্ছে বিদআ’র বিপরীত। সুন্নাহ হচ্ছে আলো আর বিদআ হচ্ছে অন্ধকার। সুতরাং বিদআর অন্ধকার থেকে মুক্তি পেতে হলে সুন্নাহর দিকে আসতে হবে।

ইসলামের অন্যতম প্রধান শিক্ষা ‘আদাবে হাসান’ অর্থাৎ সুরুচি ও সুনীতি। এর বিপরীতে আছে ‘ফাওয়াহিশ’ অর্থাৎ অনাচার ও অশ্লীলতা,কুসংস্কার । ‘আদাবে হাসান’ হচ্ছে আলো আর ‘ফাওয়াহিশ’ হচ্ছে অন্ধকার। সুতরাং ‘ফাওয়াহিশ’কুসংস্কারের অন্ধকার থেকে মুক্তি পেতে হলে ‘আদাবে হাসানে’র দিকেই আসতে হবে।

মানবজাতির সর্ববিধ অন্ধকার থেকে মুক্ত করার জন্যই কুরআনের আগমন। মহান আল্লাহ কত দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলেছেন-(তরজমা) এটি সেই কিতাব যা আমি তোমার প্রতি নাযিল করেছি যেন তুমি মানুষকে বের করে আন অনেক অন্ধকার থেকে এক আলোর দিকে।-সূরা ইবরাহীম (১৪) : ০১

আলোর স্রষ্টা মহান আল্লাহ যেন আমাদের সকল অন্ধকার থেকে মুক্তি দান করেন-এই প্রার্থনা।


উত্তর হবে- বুড়ো আঙুল! 

ব্যাখ্যাঃ- হাতের পাঁচটি আঙুল সবগুলোই সমবয়সী, তার মধ্যে বৃদ্ধাঙ্গুলটি / বুড়ো আঙুলটি সবগুলো আঙুলের সাথে হলে বাটি/ছোট মনে হয়,কিন্তু লোকে এটাকে বুড়ো বা বৃদ্ধাঙ্গুল বলে!! 

কটু হলেও সত্য এটাই যে,প্রায় ছেলেরাই সুন্দরী মেয়েদের প্রতি দূর্বল! সৌন্দর্য বা সুন্দরীদের প্রতি সকলের মতো আমিও আকৃষ্ট! 

তবে....এর বাইরেও আমাকে মেয়েদের আরও কিছু গুণ আকৃষ্ট করে!

সুন্দর মিষ্টি হাসি: একটি মেয়ের মিষ্টি হাসি যে কোন ছেলেকে ঘায়েল করতে পারে।যে মেয়েগুলো হাসিমুখে কথা বলে,যাদের হাসি মিষ্টি, তারা আমাকেও আকৃষ্ট করে৷ 

কেয়ারিং স্বভাব!!কথা শুরুতেই খেয়েছি কি না?/কেমন আছি?/শারীরিক-মানসিক কি অবস্থা?ইত্যাদি মেয়েদের জিজ্ঞেস করার স্বভাব আমাকে আকৃষ্ট করে৷ 

আমার সাথে অন্য কাওকে ঘনিষ্ঠ হতে দেখে ঈর্ষান্বিত হওয়ার স্বভাবটাও আমাকে আকৃষ্ট করে৷ 

হালাল উপার্জন দিয়ে কিস্তিতে কোনো বস্তু কেনা, এটি সম্পূর্ণরূপে হালাল। এটি বৈধ, এর মধ্যে হারামের কিছুই নেই। এটা সুদের সাথে সম্পৃক্ত মাসয়ালা নয়। এ ধরনের কেনাবেচা ইসলামের শরীয়তের মধ্যে জায়েজ রয়েছে।

সুতরাং --আপনি কিস্তিতে বাইক নিতে পারেন!! 

বিস্ময়ে কিছুদিন আগেও প্রশ্নের অনুমোদন এর জন্য ১০০+ পয়েন্টের প্রয়োজন হতো, কিন্তু এখন(বর্তমানে)  এই নিয়মটি নেই৷এখন যে কোন পয়েন্টধারী সদস্যদের প্রশ্ন অটো অনুমোদন হয়৷ তাই... আপনার প্রশ্নও অনুমোদন পেয়েছে৷            

সূরা আন-নাস ( سورة الناس‎‎ ) আমাদের ধর্মীয় গ্রন্থ পবিত্র কুরআনের ১১৪ তম এবং সর্বশেষ সূরা।এটির মাধ্যমে'ই কোরানের সমাপ্তি করা হয়েছে৷ 

মানুষ মাত্রই ভালোবাসার কাঙাল। আমরা সবার কাছে ভালোবাসা আশা করি।আমরা চাই আমাদের ভালোবাসার মানুষগুলো আমাদেরও ভালোবাসুক,পাশে থাকুক৷ 

আমাদের ভালোবাসার মানুষগুলো আমাদের চারপাশেই থাকে।অনেক সময় তাদের আমরা দেখেও দেখতে পাই না। ফলে মনে হয়, কেউ আমাকে একটুও ভালোবাসে না,আমাকে এভয়েড করে, ইত্যাদি, ইত্যাদি,মনে প্রশ্ন জাগে!বেঁচে থেকে আমি কী করবো?

কথা হলো--আত্মবিশ্বাস কখনো হারাবেন না!যেভাবে আপনি বলছেন যে,আপনি ছেলে হিসেবে ততটা খারাপ না!হ্যা!!আমিও বলছি,সবসময় এটাই বিশ্বাস করুন৷ আপনি কারো থেকে কম না৷আপনাকে সবাই ভালোবাসে, কিন্তু সবাই আবার এভয়েডও করে! এই যে,কিন্তুর পরের কথাটা ভুলে যান৷আপনাকে সবাই এভয়েড করে এটা কখনো সত্য নয়,সত্য এটাই যে,কেউ কেউ আপনাকে এভয়েড করে৷ এই কেউ কেউটা সবার জীবনেই আছে৷এটা নিয়ে টেনশন করবেন না৷

মনে রাখবেন --আমাদের জন্মের পর থেকেই শুরু হয় ভালোবাসার উৎসব। আস্তে আস্তে আমরা যখন বড় হতে থাকি পরিবার, মা বাবার শাসনের পেছনে লুকিয়ে যায় ভালোবাসা। আসলে আমরা চিন্তাও করতে পারি না পরিবারের এই মানুষগুলো আমাদের কতটা ভালোবাসেন।

একটা উদাহরণ দিই-আমাদের মা-বাবা, ভাই-বোন, দাদা-দাদীর শাসনকেই শুধু দেখি। অনেকটা এরকম, একটা ছেলে তার বাবা-মাকে বলছে সাইকেল কিনে দিতে। বাবা মা না দিলেই দেখা যাবে ছেলেটির তখন মনে হবে তার মা-বাবা তাকে আদর করেন না, ভালোবাসেন না। আসলে মা বাবা দুর্ঘটনার ভয়েই তার সন্তানকে সাইকেল কিনে দিতে চান না। এই ভয়টার মধ্যেই যে কতটা স্নেহ, মমতা ভালোবাসা লুকিয়ে আছে তা আমরা অনেক সময় বুঝতে পারি না।

তবে....তবুও জীবনে চলার পথে অনেক দক্ষতার প্রয়োজন হয়। তার মধ্যে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি দক্ষতা হচ্ছে মানুষের সঙ্গে ভাবের আদান-প্রদানের দক্ষতা। এটি শৈশব থেকেই তৈরি হতে থাকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিজেকে প্রকাশ করার মাধ্যমে। এ ক্ষেত্রে বড়দের দায়িত্ব হচ্ছে শিশুদের আবেগ, চাহিদা, মনোভাব, চিন্তাধারাগুলো বুঝে তাকে সুন্দরভাবে নিজেকে প্রকাশ করার সুযোগ দেওয়া। শুধু তা–ই নয়, তার ঔৎসুক্য, আগ্রহগুলো খেয়াল করে ধৈর্য ধরে ওর প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়া এবং তাকে গুরুত্ব দেওয়া। এ ছাড়া সব সময় ছোট ছোট অর্জনের জন্য উৎসাহ দেওয়া ও প্রশংসা করা।

এখন থেকে আত্মবিশ্বাস এর সাথে মানুষের সাথে মিশুন,আপনি চেষ্টা করবেন অন্তত প্রথমে মানুষের চোখে চোখ রেখে কথা বলতে এবং গুছিয়ে কথাগুলো না বলতে পারলেও নিজেকে এর জন্য মোটেও ছোট মনে করবে না।মানুষের অবস্থা বুঝে কথা বলতে চেষ্টা করুন,মানুষের মন জয় করতে চেষ্টা করুন৷ নিজেকে কখনো কারও সঙ্গে একবারের জন্যও তুলনা করবেন না৷ নিজে নিজের মতো মানুষের সাথে মিশুন৷

আমাদের শরীর সারা দিনের কাজকর্মের পর ছন্দগতভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তখন ঘুমের প্রয়োজন পড়ে। একজন স্বাভাবিক মানুষ দৈনিক ছয় থেকে আট ঘণ্টা, অথবা সব মিলিয়ে প্রায় সাত ঘণ্টা ঘুমায়। এই ঘুম যখন কম হয়, তাকে অনিদ্রা বলা হয়।

কিন্তু সেটি কীভাবে হয়? ঘুম আসতে দেরি হলে অনিদ্রা হতে পারে। অথবা ঘুম এলে বারবার ভেঙে যায়। অথবা একবার ঘুম ভাঙলে পরবর্তী সময়ে ঘুম আসতে চায় না। খুব সকালবেলা ঘুম ভেঙে যায়। এই সবগুলোকে বলা হয় অনিদ্রা বা ইনসোমনিয়া।

এই অনিদ্রা দুই রকমের হতে পারে। একটি হলো একিউট ইনসোমনিয়া বা হঠাৎ করে অনিদ্রা। আরেকটি হচ্ছে ক্রনিক বা দীর্ঘমেয়াদি অনিদ্রা।কেউ একজন হয়তো পৃথিবীর এক জায়গায় থাকতেন, বাংলাদেশে এসেছেন। তখন সময়ের তারতম্যের কারণে ঘুমের অসুবিধা হলো, এটি একিউট ইনসোমনিয়া। বা কোনো একটি কারণে কোনো দুঃখজনক ঘটনা শুনল সেদিন আর ঘুম হলো না, এটি একিউট। এটি খুব অল্প সময় স্থায়ী থাকে। একদিন, দুদিন বা এক সপ্তাহ, দুই সপ্তাহ হয়ে থাকে।

আরেকটি হলো ক্রনিক ইনসোমনিয়া। এটি তিন মাসের বেশি সপ্তাহে অন্তত দু-তিনদিন হতে পারে।

কিছু রয়েছে প্রাইমারি ইনসোমনিয়া,যেমন- কোনো কারণ ছাড়াই তার ঘুম আসে না। 

আর একটি হলো নির্দিষ্ট কিছু কারণের জন্য অনিদ্রা। এ ক্ষেত্রে অনেকগুলো কারণ হতে পারে। প্রধান কারণ, এখন কারণ আমাদের যান্ত্রিক যুগের মানসিক চাপ।যেমন-কারো হয়তো চাকরি চলে গেছে, দিনের পর দিন চাকরি নেই, তার একটু মন খারাপ হতে পারে। মেয়ে বড় হয়েছে, বিয়ে হচ্ছে না সেটার জন্য বাবার মানসিক চাপ হতে পারে। এই মানসিক চাপ সবচেয়ে বড় কারণ।এর মধ্যে শারীরিক অসুস্থতা এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। ঘুমাতে পারছে না, এর কারণ হয়তো তার অন্য অসুখ রয়েছে। যেমন, অ্যাজমা রোগী। সারা দিন ধরে কাশছে, সারা রাত ধরে কাশছে, তো ঘুমাবে কী করে?শারীরিক অস্বস্তি বোধের কারণেও এ রকম হতে পারে। তবে বেশির ভাগ সময় কোনো কারণ ছাড়াই অনেকের ক্ষেত্রে ঘুম আসে না।অনেক সময় ঘুম হয় না এটিও বলে সরাসরি। আবার অনেকে বলে সারা দিন ঘুম ঘুম লাগে। যেহেতু রাতে তার ঘুম হয় না। অনেকে মনোযোগ দিতে পারে না। বিরক্ত হয়ে থাকে। কারো কথাবার্তা সহ্য হয় না। কোনো কাজে মনোযোগ দিতে পারে না।টেনশনে থাকে৷ 

কোন কারণ ছাড়ায় যদি এমন হয়, তবে...তার পিছনে সম্পূর্ণ ইতিহাস নিয়ে জানতে হবে আসলেই সে কতক্ষণ ঘুমায়? যদি দেখা যায়, সে দুপুরে ভাত খেয়ে দুই ঘণ্টা ঘুমিয়ে গেল, তাহলে তো তার চাহিদা পূরণ হয়ে থাকছে। কাজেই ইতিহাস ভালোভাবে নিতে হবে। জীবনযাত্রার ধরন জানতে হবে। কোনো ওষুধ খাচ্ছে কি না জানতে হবে। যদি সে সারা রাত বা ১২টা, ১টার সময় গিয়ে বসে যায় টেলিভিশন দেখতে বা একটি সিনেমা দেখতে বা ল্যাপটপ নিয়ে বসল তা হলো তো ঘুম হবে না।সকালবেলা কলেজ থাকে, স্কুল থাকে, রান্না থাকে, সংসারের কাজকর্ম থাকে। তাই উঠতে তো হবেই। কাজেই ঘুমের সময়টা ফুরিয়ে যাচ্ছে।তাই আগে পুরো কারণ জানা প্রয়োজন ঘুম কেন আসছে না। যদি কোনো নির্দিষ্ট কারণ না থাকে। তাহলে কার আচরণগত পরিবর্তন পারিপার্শ্বিক পরিবর্তন করতে হবে। এই জিনিসটি খুব জরুরি।এবং এর জন্য পরিবারের সহযোগিতা ও সহপাঠীদের সহযোগিতা খুব জরুরি।

আপনিও আপনার সমস্যাটি ঘাঁটিয়ে দেখুন৷ আপনি কোন পর্যায়ে পরেছেন৷যদি আপনার সমস্যাটি স্থায়ী হয় তবে....আপনি আপনার অভ্যাসে পরিবর্তন আনুন,প্রয়োজনে পরিবেশ পরিবর্তন করুন৷তাতেও সমস্যা সমাধান না হলে,ডাঃ দেখান৷ 



জান্নাত অর্থ "বাগান/উদ্যান"৷ আর....আরবী ভাষার অভিধান অনুযায়ী “ইসলাম” শব্দটির অর্থ হল “আত্মসমর্পণ করা”।কিন্তু এখানে ইসলাম অর্থ " শান্তি "৷

অতএব "জান্নাতুল ইসলাম "পুরো নামের অর্থ দাড়ায়- " শান্তির  বাগান"৷ 

অবশ্যই এ নাম রাখতে পারেন,ইসলামে এর কোন বাঁধা নেই৷ 

কোন এক বিশেষ সদস্য (প্রশাসক/ সমন্বয়ক /বিশেষজ্ঞ) আপনার উত্তরটি সম্পাদনা  করেছে৷ 

মনে করেন,আপনি সঠিক উত্তর প্রদান করেছেন, কিন্তু যথাযথ তথ্যবহুল নয় / আরো কিছু সংযুক্ত করলে সুন্দর হয়! এমত অবস্থায় বিশেষ সদস্যরা চাইলে আপনার উত্তরটি সম্পাদনা করতে পারে! ধন্যবাদ            

    

গোসলের সকল নিয়ম মেনে গোসল করলে সেখানে অযু ও পবিত্রতার সকল শর্তও পূরণ হয় বিধায় আলাদাভাবে অযু করার প্রয়োজন পড়ে না । عَنْ عَائِشَةَ، – رضى الله عنها – قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ لاَ يَتَوَضَّأُ بَعْدَ الْغُسْلِ আয়েশা রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসুলুল্লাহ ﷺ গোসলের পর অযু করতেন না।(সূনান নাসাঈ: ২৫৩)
আয়তনে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম দেশ কাজাকিস্তান।এটি ইউরোপের পাশ্ববর্তী একটি রাস্ট্র। যার আয়তন হচ্ছে ২,৭২৪,৯০০ বর্গকিলোমিটার। যা পৃথিবীর আয়তনের ১.৮%।

আ খ ম হাসান আমারও খুব প্রিয় অভিনেতা! 

তার অনেক হাসির নাটক রয়েছে, তার মধ্যে যেমন-★নসিমন সুন্দরী৷ ★নুরা পাগলা ১-২৷ ★আমার সবছেয়ে ভালো লেগেছে, কাক্কু নাটকটি৷      

এখানে বিস্ময়  বলতে কিছু বুঝানো হয়নি সত্য! কিন্তু......মাশাল্লাহ! বিস্ময় এই প্রশ্নোত্তর সাইটটি বিস্ময়কর ভাবে অল্প সময়ে খুবই জনপ্রিয়তা পেলো৷          

image


এটি একটি বিস্ময়ের মতো প্রশ্নোত্তর ওয়েবসাইট!হয়তো এই ব্যাক্তিটি এই ওয়েবসাইটের একজন বিশেষ সদস্য! ইনি সবাইকে ইনবাইট করছে৷       

তাহলে আসুন জেনে নিন! প্রিয় মানুষটির কোন আচরণ গুলো দেখে বুঝতে পারবেন সে আপনাকে ভালোবাসে না টাইম পাস করে।

সে আপনাকে সত্যি ভালোবাসলে আপনার জীবন সম্পর্কে আগ্রহ দেখাবে। আপনার পরিবার, বন্ধু-বান্ধব এবং কর্মক্ষেত্র সম্পর্কে জানতে চাইবে আপনি তাকে যা যা বলেছেন সেগুলো মনে রাখবে,সাথে কাটানো সুন্দর মুহুর্তগুলো,আপনার জন্মদিন ইত্যাদি সে খুবই ভালোভাবে মনে রাখবে।

যে আপনাকে ভালোবাসে সে জানে কিভাবে আপনাকে হাসাতে হয় এবং কিভাবে মূহূর্তেই মন ভালো করে দিতে হয়। সে সব সময়েই আপনার মন ভালো করে দেয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাবে।

আপনার ব্যাপারে সে খুবই যত্নশীল থাকবে। আপনি কি খেতে চাইছেন, কি করতে চাইছেন, কোথায় যেতে আপনার ভালো লাগে এসব বিষয় সে মাথায় রাখবে সব সময়।

সে আপনার সাথে এমন অনেক কিছুই শেয়ার করবে যা সে সবার সাথে করে না। এবং অনেক ক্ষেত্রে আপনাকে সে বলে নিবে যে এই কথাটি সে শুধু মাত্র আপনার সাথেই শেয়ার করছে কারণ সে আপনাকে বিশ্বাস করে।

সে আপনার সাথে সময় কাটাতে ভালোবাসবে,কথার ফাঁকে,হাঁটার সময় আপনার ভালো লাগা, খারাপ লাগার বিষয়গুলো কৌশলে জেনে নেয়ার চেষ্টা করবে। খুব মন দিয়ে শুনবে সে আপনার কথা।

আপনার ভবিষ্যত পরিকল্পনা সম্পর্কে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে জানতে চাইবে সে। কারণ সে আপনার সাথে ভবিষ্যত জীবনের স্বপ্ন দেখতে চায়।

বিভিন্ন সময়ে ইশারা ইঙ্গিতে সে আপনাকে বুঝিয়ে দিবে আপনাকে তার পছন্দ। আপনাদের বন্ধু মহলে সে আপনার সুনামে পঞ্চমুখ থাকবে। আপনার সব গুণই তাকে মুগ্ধ করবে এবং সে আপনাকে এটা বিভিন্ন সময়ে ইশারায় বুঝিয়ে দিবে।

হ্যা!সাধারণত এসব আচরণ বলে যে,সে আপনাকে ভালোবাসে!তবে........

সবছেয়ে বড় কথা হলো- তাকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে ফেলুন সে আপনাকে ভালোবাসে কিনা। কারণ কাউকে ভালোবাসা কোনো অপরাধ নয়। হতে পারে আপনার ধারণা ভুল। কিন্তু যদি দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে সময় থাকতেই ভালোবাসার কথা না বলতে পারেন তাহলে পরে আফসোস করা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না।



বিস্ময়ে পয়েন্ট বাড়ানোর দুটি মাত্র উপায়! ১-আপনার করা প্রতিটি প্রশ্নের জন্য আপনি পাবেন এক পয়েন্ট! ২- প্রতিটি উত্তর এর জন্য পাবেন তিন পয়েন্ট  করে৷কিন্তু......

আপনার অবশ্যই জেনে রাখা দরকার যে,আপনার সঠিক বা অযৌক্তিক উত্তরগুলো বিশেষ সদস্যকর্তৃক লুকিয়ে ফেলার ক্ষমতা রাখে, এতে আপনার অর্জিত পয়েন্ট (-)  বা কাটা যাবে৷

পয়েন্ট (-) হওয়ার আরও একটি কারণ রয়েছে, তা হলো- যদি আপনি কোন পুরাতন প্রশ্নে "বাম্প" করেন,তবে আপনার এক পয়েন্ট করে মাইনেজ হবে৷"বাম্প" সম্পর্কে বিস্তারিত অন্যান্য প্রশ্নোত্তরে জানতে পারবেন৷ 

বি.দ্র.- শুধু মাত্র পয়েন্ট বাড়ার উপর ভিত্তি করে আপনি বিস্ময়ে অতিরিক্ত সুবিধা ভুগ করতে পারবেন না,হ্যা!সাধারণ কিছু সুবিধা অবশ্যই আছে!তবে...আপনি কিছু অতিরিক্ত সুবিধা ভুগ করতে চাইলে,নিয়মিত বিস্ময়ে সময় দিন ও সাধ্যমতো তথ্যবহুল উত্তর দিন!

এর মাধ্যমে আপনি বিশেষজ্ঞ হয়ে অনেক সুবিধা ভুগ করতে পারবেন!


পড়া জোরে পড়া,আস্তে পড়া এটা নিজের অভ্যাসের উপর নির্ভর করে!!যেভাবে যার সুবিধা হয়,যেভাবে পড়া বোধগম্য মনে করে, সে সেভাবে পড়া ভালো৷

যেমন-আমি আস্তে পড়ে পড়া বেশি আয়ত্ত করতে পারি!

তবে....বেশির ভাগ লোক এর উল্টো!!ছোট থাকতে জোরে জোরে পড়ার একটি অভ্যাস ছিলো সবার, বড় হতে হতে সেই অভ্যাসটি বেশিরভাগ মানুষের আর থাকে না। তুমি শেষ কবে জোরে জোরে পড়েছ মনে করতে পারো? ব্যাপারটি শুনতে অবাক লাগে- জোরে জোরে পড়া কিন্তু পড়া মনে রাখার জন্য চমৎকার একটি কৌশল! মনে মনে পড়লে অনেককিছু ভাসাভাসা ভাবে দেখে যাওয়া হয় মাথার ভেতর তেমনভাবে গেঁথে যায় না তথ্যগুলো, হঠাৎ গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো জোরে জোরে পড়লে তখন বেশ ম্যাজিকের মতো কাজ করে সেটি!


কালের কন্ঠের এক প্রতিবেদনে দেখলাম- মনে মনে পড়ার চেয়ে জোরে উচ্চারণ করে পড়লে মনে থাকে বেশি।

গবেষণার জন্য ৭৫ জন ছাত্রকে বেছে নেন গবেষকরা। তাদের ১৬০টি শব্দ জোরে উচ্চারণ করে পড়তে বলা হয় এবং তা রেকর্ড করা হয়। এরপর মনে মনে পড়তে বলা হয়। পড়ার পর ছাত্রদের কিছু শব্দ জিজ্ঞেস করে দেখা হয় তারা কতটা মনে রাখতে পেরেছে। দেখা যায়, ৭৭ শতাংশ ক্ষেত্রেই ছাত্ররা সেই শব্দগুলোই মনে রাখতে পেরেছে যেগুলো তারা উচ্চারণ করে পড়েছে।

গবেষকদের দাবি, জোরে পড়লে এবং নিজের কানে তা শুনলে আমাদের মস্তিষ্ক সহজে সেই বিষয় মনে রাখতে পারে। তাই ছাত্রদের মনে মনে নয়, উচ্চারণ করে পড়ারই পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

ইসলাম একজন নারীকে একসাথে দু'জন বা তার বেশি স্বামী গ্রহণ করার অধিকার দেয় না!!এটা সম্পূর্ণ নাজায়েজ!!!  কারণ কি??কারণ-একজন নারীকে একাধিক স্বামী বিয়ে করার অধিকার প্রদানের কোন কারণই নেই। বরং এটি তার মর্যাদার পরিপন্থী এবং এভাবে সে কখনোই তার সন্তানদের বংশসূত্র নির্ধারণ করতে পারবে না। কেননা শুধুমাত্র সে-ই সন্তান জন্মদান করে এবং এটি জায়েজ নয় যে, সন্তান একাধিক পুরুষের শুক্রাণু দ্বারা গঠিত হবে, যার ফলে সন্তানের বংশসূত্র হারিয়ে যাবে এবং কেউ জানতে পারবে না যে, এ সন্তান জন্মদানের ক্ষেত্রে কার দায়ভার রয়েছে। যার ফলে পারিবারিক ভাঙ্গন, পিতা ও সন্তানের মধ্যকার বন্ধন ছিন্ন হবে, যা ইসলামে অনুমোদিত নয়। কেননা এটি নারী, শিশু বা সমাজের স্বার্থ রক্ষাকারী পন্থা নয়। [আল মুফাসসাল ফি আহকাম আল মার’আ, খন্ড ৬, পৃষ্ঠা ২৯০]

আপনার কথা শুনে "অস্কার ওয়াইল্ড"এর একটি কথা মনে পড়ে গেলো-

জীবনের নিগূঢ় সত্যটি হচ্ছে, "কখনো এমন কোন আবেগকে প্রশ্রয় না দেওয়া যা অশোভন"!! 

আবেগের তাড়নায় কত বড় কথা বলে ফেললেন জানেন?

সঙ্গী না হওয়ায়,সঙ্গী না থাকায়,আত্মহত্যা!!! এসব ভীত ও কায়েরদের কথা,প্রকৃত পুরুষদের নয়৷ 

আপনি পৃথিবীকে ভালোভাবে জানলে জানতে পারবেন, শুধু মাত্র সঙ্গীর কারণেও হাজার হাজার নারী-পুরুষ জীবনে অতিষ্ঠ হয়ে গেছে৷ 

আপনার জীবনে সঙ্গী হয়নি এটা খারাপ দিক নয়,বরং খারাপ কোন সঙ্গী আপনার জীবনে আসেনি এখনো এটা আপনার জন্য শ্রেয়,ভালো দিক!

মন দিয়ে ভালোবাসুন,অবশ্যই মনের মতো কাওকে পাবেন৷ 

আর আত্মহত্যা!!! জগন্য ধরনের অপরাধ, ও কাপুরুষের কাজ৷এবং বড় গোনাহের৷ 

আত্মহত্যা মানে নিজকে নিজে ধ্বংস করা। নিজ আত্মাকে চরম কষ্ট ও যন্ত্রণা দেয়া। নিজ হাতে নিজের জীবনের যাবতীয় কর্মকাণ্ডের পরিসমাপ্তি ঘটানো। আমাদের বাংলাদেশে অনেক নারী-পুরুষ বিশেষত যুবতী ভাই-বোনেরা জীবন সংগ্রামের পরিবর্তে জীবন থেকে পালিয়ে যাবার জন্য আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছেন। তুচ্ছ পারিবারিক কলহ, বিদ্যালয়ের গমনাগন পথে বখাটেদের উৎপাত, ভালোবাসায় ব্যর্থতা ও প্রতারণা ইত্যাদিকে কেন্দ্র করে তরুণীরা এবং স্বামীর নির্যাতন-অত্যাচার, যৌতুক সমস্যা, স্বামীর অর্থনৈতিক অক্ষমতা, পারিবারিক অশান্তি থেকে বাঁচার পথ হিসেবে অনেক মহিলা আত্মহত্যাকে বেছে নিচ্ছে। এসবই বড় ভুল, এসব সমস্যা সব দেশে, সব জাতিতে আছে।

আত্মহত্যা এসবের কোনো সুষ্ঠু সমাধান বা সঠিক প্রতিকার নয়।

ইসলামে আত্মহত্যাকে মহাপাপ বলে গণ্য করা হয়েছে। এ কাজ থেকে বিরত থাকতে মহান আল্লাহ বিশেষভাবে নির্দেশ দান করেছেন এবং এর পরিণামের কথা ভাববার জন্য কঠোর ও যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির বর্ণনা দিয়ে মহা পবিত্র আল কুরআনে আয়াত অবতীর্ণ করেছেন। আল্লাহ রাববুল আলামীন বলেন: ‘আর তোমরা নিজেদের হত্যা করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের প্রতি দয়ালু। এবং যে কেউ জুলুম করে, অন্যায়ভাবে তা (আত্মহত্যা) করবে, অবশ্যই আমি তাকে অগ্নিদগ্ধ করবো, আল্লাহর পক্ষে তা  সহজসাধ্য।’ [সূরা আন-নিসা, আয়াত : ২৯-৩০]

সুতরাং --ভাবনার দরজা খুলে চিন্তা করুন!এসব খারাপ চিন্তা ঝেড়ে ফেলুন৷ ভালো থাকুন!!আল্লাহ আপনার সহায় হোন!!(আমিন)

ইসলাম মনে করে, এই পৃথিবীতে মানুষের পরই প্রাণিজগতের স্থান। প্রাণিজগেক পৃথক জাতি-সত্তার স্বীকৃতি দিয়ে কোরআন বলছে : ‘পৃথিবীতে বিচরণশীল যত প্রাণী আছে আর যত পাখি দুই ডানা মেলে উড়ে বেড়ায়, তারা সবাই তোমাদের মতো একেক জাতি। ’ (সুরা : আনআম, আয়াত : ৩৮) সে হিসেবে বলা যায়, কুকুর আল্লাহর বিশেষ সৃষ্টি।

প্রশ্ন হলো কুকুর পালন সম্পর্কে ইসলামের নির্দেশনা কি?

উত্তর -এক. শিকারের উদ্দেশ্যে, ফসল হেফাজতের উদ্দেশ্যে, পাহারাদারির জন্য, ছাগল-ভেড়া ইত্যাদির হেফাজতের লক্ষ্যে, ঘরবাড়ি, দোকান ও অফিস পাহারার জন্য, অপরাধের উৎস সন্ধান ও অপরাধীকে চিহ্নিত করার উদ্দেশ্যে কুকুর লালন-পালন করা বৈধ।

(ফতোয়াতে মাহমুদিয়া : খ. ১৮, পৃ. ২৬৪/ ফতোয়ায়ে আলমগিরি : খ. ৪, পৃ. ২৪২)


দুই. শখ করে ঘরে কুকুর রাখা, মানুষের চেয়ে কুকুরের যত্ন বেশি নেওয়া, কুকুরের সঙ্গে মানবীয় সম্পর্ক স্থাপন করা ইসলামে নিষিদ্ধ। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি শিকার করা বা গবাদি পশু পাহারা অথবা শস্যক্ষেত পাহারা দেওয়ার উদ্দেশ্য ছাড়া কুকুর লালন-পালন করে, প্রতিদিন ওই ব্যক্তির দুই কিরাত পরিমাণ নেকি হ্রাস পায়। ’ (মুসলিম : হাদিস ১৫৭৫; তিরমিজি : হাদিস ১৪৮৭)

অন্য হাদিসে আছে, ‘এক কিরাত হলো, উহুদ পাহাড় সমপরিমাণ। ’ (মুসনাদে আহমদ : হা. ৪৬৫০)

সুতরাং-শরীয়ত মতো বৈধ উদ্দেশ্যে কুকুর পালন বৈধ,কিন্তু শুধু  শখের  জন্য পালন বৈধ নয়!       

রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “প্রতিটি নবজাতক তার স্বাভাবিক প্রবৃত্তির উপর জন্মগ্রহণ করে। অতঃপর তার পিতা-মাতা তাকে ইহুদী বানায়, খ্রিস্টান বানায় বা অগ্নিপূজক বানায়।”[বুখারী, ১৩৫৮ ও মুসলিম, ২৬৫৮]

বিবেকবান মাত্রই বুঝতে পারে যে, পৃথিবীর আদি থেকে অন্ত পর্যন্ত যত মাখলুকাত অতিবাহিত হয়েছে বা হবে এদের একজন স্রষ্টা থাকতেই হবে। না থেকে কোন উপায় নেই। কেননা, কোন সৃষ্টি যেমন নিজে নিজেকে অস্তিত্ব দিতে পারে না, তেমনি দৈবক্রমে অস্তিত্বে আসাও সম্ভব নয়। সে নিজে নিজেকে অস্তিত্ব দিতে পারবে না। কারণ কোন বস্তুই আপনাকে সৃষ্টি করার ক্ষমতা রাখে না। অস্তিত্বে আসার আগে যে নিজে অস্তিত্বহীন ছিল,(মূর্তি ইত্যাদি)  সে কিভাবে স্রষ্টা হবে? অনুরূপভাবে দৈবক্রমে হয়ে যাওয়াও সম্ভব নয়। কেননা প্রতিটি ঘটনার, প্রতিটি কর্মের পেছনে একজন কর্মকার থাকে। 

যারা সঠিক অর্থে সনাতন ধর্মাবলম্বী বা অন্য যে কোন ধর্মে বিশ্বাসী, সত্যকে খুঁজে, তারা একত্ববাদে বিশ্বাসী! আল্লাহ একও অদ্বিতীয়৷ 

সনাতন ধর্মাবলম্বীরাও অনেকে এটা বিশ্বাস করে যে,আল্লাহ বা ইশ্বর এক,মূর্তি হলো এক ইশ্বরের অনেক রূপ!কিন্তু এদের এধারণাও ভুল৷ এদের এবিশ্বাস এদের মুক্তির উপায় নয়৷ (স্রষ্টার কোন রূপ নেই,তিনি শিরক থেকে মুক্ত!) 

সৃষ্টির শুরু লগ্ন থেকে মানুষ জাতির হেদায়াতের জন্য মহান রাব্বুল ‘আলামীন পৃথিবীর বুকে প্রেরণ করেছেন অসংখ্য নবী-রাসূল (‘‘আলাইহিমুস সালাম)। নাযিল করেছেন বহু আসমনী কিতাব ও সহীফা। তাঁরা যুগে যুগে তাওহীদের বাণী প্রচার করে গেছেন মানুষের দ্বারে দ্বারে। নবীর অবর্তমানে মানুষ যে বাতিল ও মিথ্যাকে সত্য মনে করে গ্রহণ করেছিল নবীগণ এসে মানুষের সামনে সে বাতিল ও মিথ্যার অসারতা বর্ণনা করেছেন এবং সত্যের পরিচয় তুলে ধরেছেন। বহু ঈশ্বরের বাণীর পরিবর্তে মহান আল্লাহ তা‘আলার তাওহীদের বাণী শুনিয়েছেন।

সর্বশেষ আল্লাহ তা‘আলা হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সাইয়িদুল মুরসালিন, খাতামুন্নাবিয়্যিন হিসেবে কিয়ামত পর্যন্ত মানব ও জিন জাতির হেদায়াতের জন্য নবী হিসেবে পাঠিয়েছেন। সেই সাথে তার উপর নাযিল করেছেন সর্বশেষ মহাগ্রন্থ পবিত্র কুরআনে কারীম। অতএব কুরআন নাযিল হওয়ার পর যেমন অপরাপর সকল ধর্মের কিতাব রহিত হয়ে যায়। তেমনি শেষ নবীর আবির্ভাবের মাধ্যমে পূর্ববর্তী সকল নবীর আনীত ধর্মও নিষিদ্ধ হয়ে যায়। এবং মুক্তির একমাত্র পথ হিসেবে ইসলাম ধর্মকেই মনোনীত করা হয়। পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ তা‘আলা ঘোষণা করেন, إِنَّ الدِّينَ عِنْدَ اللَّهِ الْإِسْلَامُ

অর্থ: ‘আল্লাহর নিকট মনোনিত ধর্ম একমাত্র ইসলাম’। (সূরা আলে ইমরান: ১৯)

উক্ত আয়াতের তাফসীরে হযরত ইবনে কাসীর রহ. লেখেন,

এই আয়াত দ্বারা এই সংবাদ দেয়া উদ্দেশ্য যে, আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য দীন কেবল ইসলাম। আর সর্বযুগে আল্লাহ তা‘আলার প্রেরিত নবীদের ওহীর অনুসরণ করার নাম ইসলাম। সর্বশেষ  এবং সকল নবীর সমাপ্তকারী হচ্ছেন হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম। তার নবুয়তের পর পূর্বের সকল পথ রুদ্ধ করে দিয়েছেন। এখন যে কেউ হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রেরিত হওয়ার পর তার শরী‘আত ব্যতীত অন্য কোন শরী‘আত গ্রহণ করে মৃত্যু বরণ করবে তা আল্লাহ তা‘আলার নিকট গ্রহণযোগ্য হবে না। যেমন আল্লাহ তা‘আলা অপর আয়াতে বলেন,  وَمَنْ يَبْتَغِ غَيْرَ الْإِسْلَامِ دِينًا فَلَنْ يُقْبَلَ مِنْهُ وَهُوَ فِي الْآخِرَةِ مِنَ الْخَاسِرِينَ

যে ব্যক্তি ইসলাম ভিন্ন অন্য কোন ধর্ম তালাশ করবে কখনো তা গ্রহণ করা হবে না এবং আখেরাতে সে হবে ক্ষতিগ্রস্ত। (সূরা আলে ইমরান: ৮৫)।


হযরত মাওলানা মুফতী মুহাম্মাদ শফী রহ. إِنَّ الدِّينَ عِنْدَ اللَّهِ الْإِسْلَامُ এই আয়াতের অধিনে লেখেন, এই আয়াতে নাস্তিক্য চিন্তাধারার মূলৎপাটন করা হয়েছে। যাতে উদারতার নামে কুফর ও ইসলামকে এক করার চেষ্টা করা হচ্ছে এবং একথা প্রচার করা হচ্ছে যে, ভাল কাজ করলে ও উত্তম চরিত্রের অধিকারী হলে যে কোন ধর্মাবলম্বীই মুক্তি পাবে- সে ইহুদী, খ্রীষ্টান অথবা মূর্তিপূজারী যেই ধর্মেরই অনুসারী হোক না কেন। শর্ত হল ভাল কাজ ও উত্তম চরিত্রের পাবন্দী থাকতে হবে। এটা মূলত ইসলামী নীতিমালাকে মূলৎপাটন করারই নামান্তর। কারণ, এর সারমর্ম দাঁড়ায় এই যে, ইসলামের কোন ভিত্তি নেই। এটা একটা কাল্পনিক বিষয়, যা কুফরের পোষাকেও পাওয়া যেতে পারে।  পবিত্র কুরআনের এই আয়াত এবং এজাতীয় অসংখ্য আয়াত দ্ব্যার্থহীনভাবে ঘোষণা করেছে, যেমনিভাবে অন্ধকার ও আলো একত্র হতে পারে না অনুরুপভাবে এটা একেবারেই অযৌক্তিক ও অসম্ভব বিষয় যে, ইবাদত ও আনুগত্য যেমন আল্লাহর নিকট পছন্দনীয় তদ্রুপ অবাধ্যতা ও বিদ্রোহও আল্লাহর নিকট পছন্দনীয় হবে। যে ব্যক্তি ইসলামের কোন একটি মূলনীতি অস্বীকার করবে সে নি:সন্দেহে আল্লাহ তা‘আলার প্রতি বিদ্রাহী ও রাসূলগণের শত্রু। চাই সে ব্যক্তি শাখাগত আমল ও প্রথাগত চরিত্র মাধুর্যে যতই সুন্দর দৃষ্টিগোচর হোক না কেন, পরকালের মুক্তির উপায় সর্বপ্রথম আল্লাহ ও তার রাসূলের অনুগত্যের মাঝে নির্ভরশীল। যে ব্যক্তি এ থেকে বঞ্চিত তার কোন কর্ম ধতব্য নয়।

পবিত্র কুরআন এমন লোকদের সম্পর্কেই বলা হয়েছে, فَلَا نُقِيمُ لَهُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَزْنًا  অর্থ: ‘কিয়ামতের দিন আমি তাদের কোন {আমল} ওজন করার ব্যবস্থা রাখব না’। (সূরা কাহ্ফ: ১০৫)


ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ ধর্ম বিধান। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্র সম্পর্কে তাতে দিক নির্দেশনা রয়েছে। এই আধুনিক যুগেও কুরআনের বিধান যুগোপযোগী। পক্ষান্তরে অন্যান্য ধর্মে জীবনের অনেক বিষয়ের সমাধান নেই। আর আধুনিক বিষয়ের তো আলোচনাই নেই। এই বিষয়েও ইসলামের সত্যতা ফুটে উঠে। নতুন করে ইসলামে কোন বিধানের সংযোজনের প্রয়োজন নেই। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তা‘আলা বলেন,  الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ وَأَتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِي وَرَضِيتُ لَكُمُ الْإِسْلَامَ دِينًا

অর্থ: আজ আমি তোমাদের জন্য আমার দীনকে পূর্ণাঙ্গ করে দিলাম এবং আমার নিয়ামতকে তোমাদের উপর পরিপূর্ণ করে দিলাম এবং ইসলামকে তোমাদের দীন {ধর্ম} মনোনীত করলাম। (সূরা মায়িদা: ৩)

পৃথিবীতে ইসলামের পূর্বে অনেক ধর্ম ছিল এবং এখনও আছে। ইসলামের পূর্বে আসমানী কিতাব অবতীর্ণ হয়েছে এমন যেসব ধর্ম ইসলাম আবির্ভাব কালে ছিল সেগুলোর মধ্যে ইয়াহুদী ও খ্রিষ্ট ধর্ম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। অন্যান্য ধর্ম যেমন বৌদ্ধ ধর্ম এবং হিন্দু ধর্ম ইত্যাদি ধর্ম যেহেতু আসমানী কিতাব নাযিলকৃত ধর্ম নয় এবং তৎকালিন সময়ে ইয়াহুদী ও খ্রিষ্ট ধর্মই বিস্তৃত পরিমন্ডলে বিরাজমান ছিল। বিধায় পবিত্র কুরআনে অসংখ্য আয়াতে উক্ত দুই ধর্মের আলোচনা করা হয়েছে। উক্ত দুই ধর্মের অনুসারীরা তাদের আসমানী কিতাবের বিভিন্ন বিধানকে পরিবর্তন করে ফেলেছে পবিত্র কুরআনের অসংখ্য আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা সেই কথা বলেছেন। অন্যান্য ধর্ম অক্ষত থাকেনি। বরং তাতে পরিবর্তন হয়েগেছে। সেই ব্যাপারে আল্লাহ তা‘আলা পবিত্র কুরআনে বলেন,

َإِنَّ مِنْهُمْ لَفَرِيقًا يَلْوُونَ أَلْسِنَتَهُمْ بِالْكِتَابِ لِتَحْسَبُوهُ مِنَ الْكِتَابِ وَمَا هُوَ مِنَ الْكِتَابِ وَيَقُولُونَ هُوَ مِنْ عِنْدِ اللَّهِ وَمَا هُوَ مِنْ عِنْدِ اللَّهِ وَيَقُولُونَ عَلَى اللَّهِ الْكَذِبَ وَهُمْ يَعْلَمُونَ

অর্থ: আর তাদের মধ্যে একদল রয়েছে যারা বিকৃত উচ্চারণে মুখ বাকিয়ে কিতাব পাঠ করে যাতে তোমরা মনে কর তারা কিতাব থেকেই পাঠ করছে। অথছ তারা যা আবৃত্তি করছে তা আদৌ কিতাব নয় এবং তারা বলে যে, এসব কথা আল্লাহর তরফ থেকে আগত। অথচ এসব আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত নয়। তারা বলে যে, এটি আল্লাহর কথা অথচ এসব আল্লাহর কথা নয়। আর তারা জেনে শুনে আল্লাহর প্রতি মিথ্যারোপ করে। (সূরা আলে ইমরান: ৭৮)

সুতরাং -মুল কথা হলো,ইসলাম আসার আগে যে সমস্ত ধর্ম ছিলো,ইসলাম আসার পর সব রহিত হয়ে গেছে৷এক আল্লাহ'র বাণী এটাই যে,মুক্তির উপায় একমাত্র ইসলাম!

যে ব্যাক্তি যতই ভদ্র আর সুন্দর হওক না কেন,ইসলাম ছাড়া অন্য কোন ধর্মকে নিজের বিশ্বাসে পরিনত করলে,আখেরাতের অফুরন্ত কঠিন শাস্তি ভোগ করতেই হবে৷ইসলাম ছাড়া আল্লাহর কাছে বিকল্প কোন পদ্ধতি নেই৷ 

প্রিয় বোন!এ ব্যাপারে আরো অনেক বিস্তৃত বক্তব্যের প্রয়োজন,আপনি এসব কথার মুল কথাগুলো ওনাকে বুঝিয়ে বলুন৷ 

হেদায়েতের মালিক একমাত্র আল্লাহ, আপনি /আমার কাজ শুধু বুঝানো৷       

যে যে দেশে জন্মগ্রহণ করেছেন তার সেই দেশ। 

যেমন-বাঙ্গালীদের বাংলাদেশ আর সৌদিদের সৌদি-আরব!

 

স্ত্রী তালাকপ্রাপ্ত হবে না! 

ব্যাখ্যাঃ-আল্লাহর এক নিপুণ সৃষ্টি মানুষ।তিনি মানুষকে উত্তম আকৃতি দিয়ে বানিয়েছেন। অতঃপর তিনি তাতে রূহ ফুঁৎকার করেছেন, ফলে সুন্দর অবয়বে মানুষ সৃষ্টি হলো। সে শোনতে পায়, , দেখতে পায়, নড়াচড়া করতে পারে ও কথা বলতে পারে।আল্লাহ তায়া’লা বলেনঃ নিপুণতম সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ কত কল্যাণময়। (মু’মিনুনঃ ১৪)

শরয়ী দৃষ্টিতে স্ত্রী তালাক হবেনা এর সবছেয়ে বড় দলিল,আল্লাহ তায়ালার ভাষায়-আল্লাহ তায়া’লা মানুষকে সৃষ্টি করেছেন সুন্দরতর অবয়বে। আল্লাহ তায়া’লা বলেনঃ

আমি সৃষ্টি করেছি মানুষকে সুন্দরতর অবয়বে। ( ত্বীনঃ ৭) 

শুধু সুন্দরই নয়,সবার ছেয়ে সুন্দর! তিনি আরো বলেনঃ-তিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলকে যথাযথভাবে সৃষ্টি করেছেন এবং তোমাদেরকে আকৃতি দান করেছেন, অতঃপর সুন্দর করেছেন তোমাদের আকৃতি। তাঁরই কাছে প্রত্যাবর্তন (তাগাবুনঃ ৩)

সুতরাং -বুঝা গেলো,চাঁদকে আল্লাহ তায়ালা যথাযথভাবে সৃষ্টি করেছেন, কিন্তু মানুষকে আল্লাহর ভাষায় তার ছেয়েও সুন্দর করে সৃষ্টি করেছেন৷ যে কোন শ্রেণির বা বর্ণের  মানুষই হওক না কেন!আল্লাহর কাছে সবছেয়ে সুন্দর৷ 


নাজমুল হাসান পাপন, কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরবে জন্মগ্রহণকারী বাংলাদেশের একজন  রাজনীতিবিদ। একাধারে তিনি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের বর্তমান সংসদ সদস্যও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের বর্তমান সভাপতি।

নাজমুল হোসেন শান্ত, হলেন একজন বাংলাদেশী প্রথম-শ্রেণী এবং লিস্টের ক্রিকেটার। নাজমুল বা-হাতি ব্যাটসম্যান এবং ডান-হাতি ফাস্ট বোলার হিসেবে বর্তমানে যুব ক্রিকেটে প্রতিনিধিত্ব করছেন।

করিম, নাজমুল। শিক্ষাবিদ, সমাজবিজ্ঞানী। তাঁর পূর্ণনাম আবুল খায়ের নাজমুল করিম। তিনি অবিভক্ত বাংলার নোয়াখালী জেলার লক্ষ্মীপুর থানা সদরে ১৯২২ সালের ১ আগস্ট এক শিক্ষিত মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। 

নাজমুস সাকিব বা( নাজমুল সাকিব) আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী বাংলাদেশি কুরআন মুখস্তকারী। তিনি ২০১৩ সালে সর্বোচ্চ সুন্দর কোরআন তেলাওয়াতকারী হিসেবে দুবাইতে আন্তর্জাতিক পবিত্র কোরআন পদক প্রাপ্ত হাফেজ।