user-avatar

Mostahid Abrar

◯ Mahi4370

লেখা ‘সুন্দর’ বা ভালোাতের করা মোটেও কোন কঠিন কাজ নয়। হাতের লেখা ‘সুন্দর’ করতে মূলতঃ যে তিনটি বিষয় প্রয়োজন সেগুলো হলো: ১.‘সুন্দর’ করে লেখার বিষয়ে নিজের আগ্রহ বা ইচ্ছে থাকা, ২. হাতের লেখা ‘সুন্দর’ করার সঠিক ও সহজ কৌশল বা উপায় জানা, ও ৩. নিয়মিত হাতের লেখার চর্চা করা। হাতের লেখার মাধ্যমে বোঝা যায়, মানুষের মনোযোগ, স্থিরতা ও চিন্তা করার ক্ষমতা। ‘সুন্দর’ হাতের লেখার প্রশংসা সবাই করে। আর হাতের লেখা ‘সুন্দর’ হলে পরীক্ষায়ও ভালো নম্বর পাওয়া যায়। নীচের পরামর্শগুলো অনুসরণ করলে হাতের লেখা অবশ্যই ‘সুন্দর’ হবে। ± প্রতিটি অক্ষর বা বর্ণ স্পস্ট হতে হবে, যাতে আলাদা-আলাদা ভাবে বোঝা যায় যে, ঠিক কোন অক্ষর লেখা হয়েছে। বাংলা লেখার ক্ষেত্রে, মাত্রার সঠিক ব্যবহার করতে হবে। ইংরেজির ক্ষেত্রে ‘ক্যপিটাল’ ও ‘স্মল’ লেটার সঠিকভাবে লিখতে হবে। ± লেখার স্টাইল বা ধরণ (যেমন, সোজা/খাড়া বা বাঁকা/কাত) যে রকমই হোক না কেন, অক্ষরগুলোর আকার ও আকৃতি একই রকম হতে হবে। অক্ষর ছোট-বড় বা মোটা- চিকন করা যাবে না। ±এমন কিছু অক্ষর আছে যেগুলো সঠিকভাবে লিখতে পারলে অন্য অনেক অক্ষরও ভালোভাবে লেখা যায়। যেমন, ‘ব’ সুন্দর করে লিখতে পারলে আরো লেখা যায় ‘ক’ ‘র’ ‘ধ’ ‘ঝ’ বা ‘ঋ’। আবার কিছু অক্ষর-এর অংশ বিশেষ ব্যবহার করা যায় অন্য অক্ষর-এর মধ্যে।
প্রতিরোধের সঠিক উপায়গুলো জানা থাকলে আমরা সহজেই চুল পড়া রোধ করতে পারি। এতে কাজ না হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। প্রতিরোধ * পুষ্টিকর খাবার ও পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খেতে হবে। প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজ গ্রহণ করুন। * চুল খুশকিমুক্ত ও পরিষ্কার রাখুন। * দুশ্চিন্তামুক্ত জীবন যাপন করতে হবে। * বয়সের সঙ্গে চুলের রং পরিবর্তন হয়, এটা মেনে নিতে হবে। কলপ, কৃত্রিম রং যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন। * কোঁকড়া চুল সোজা করার চেষ্টা না করাই ভালো। প্রয়োজনে রাসায়নিকের পরিবর্তে রোলার ব্যবহার করুন। * টেনে চুল বাঁধা ঠিক নয়। আস্তে চুল আঁচড়াবেন এবং ভেজা চুল বেশি আঁচড়াবেন না। নরম থাকতে চুল ঠিক করুন। ব্রাশের চেয়ে দাঁতওয়ালা চিরুনি ব্যবহার করা ভালো। * চুলের ধরন বুঝে শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন। * যেকোনো ওষুধ গ্রহণের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। চিকিৎসা বেশির ভাগ চিকিৎসায় কিছুটা উন্নতি হলেও একেবারে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। ২-৫ শতাংশ মিনস্কিডিল ব্যবহার করে বেশ উপকার পাওয়া যায়। ইদানীং চুল প্রতিস্থাপন করা হয়, কিন্তু এটি ব্যয়বহুল।
চোখ-মুখ ফ্যাকাশে মনে হওয়া, দুর্বলতা, ক্লান্তি, অবসাদ, মাথা ঘোরা, মাথাব্যথা, চোখে ঝাপসা দেখা, মুখে-ঠোঁটে ঘা ইত্যাদি রক্তশূন্যতার সাধারণ লক্ষণ। রক্তশূন্যতার মাত্রা তীব্র হলে শ্বাসকষ্ট, বুকে চাপ লাগা এমনকি হার্ট ফেইলিউরও হতে পারে।
একটি শীতল অনুভূতি প্রদান করে থাকে। ১ টেবিল চামচ আদার রস, ১ টেবিল চামচ লেবুর রস এবং ১/৪ টেবিল চাচম বেকিং সোডা মিশিয়ে খান এটিও বমি বমিভাব দূর করতে সাহায্য করবে। দ্রুত বমি বমি ভাব দূর করতে আদা বেশ কার্যকরী উপাদান। এক টুকরা আদা আপনি আপনার চায়ের সাথে খান, এটি দ্রুত বমি বমি ভাব দূর করে দেবে।
খাদি জ্যাসমিন অ্যান্ড গ্রিন টি হারবাল ফুট ক্র্যাক ক্রিম,৫০ গ্রাম। খাদির এই ক্রিমটা আপনি নিয়ম করে ব্যবহার করলে কিন্তু পা ফাটার সমস্যা অনেকটাই কমবে। আর যারা হারবাল প্রোডাক্ট ব্যবহার করতে চান,তাঁদের জন্য এই ক্রিমটা কিন্তু বেস্ট অপশন। দাম ১৪০/-
স্বপ্নে কারও সঙ্গে যৌনতা বা ঘনিষ্ঠতা দেখলে বুঝবেন আপনি নিঃসঙ্গ বোধ করছেন। পরিচিত কেউ স্বপ্নে এলে বুঝবেন তাড়াতাড়ি সঙ্গী স্বপ্নে পাওয়া দরকার।
লিঙ্গ অর্থ চিহ্ন,ধরণ বা লক্ষণ।
ভাল মানের একটি এন্টেনা কিনুন। দাম ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা পড়বে।তারপর এন্টেনার সাথে টিভির সংযোগ দিয়ে এন্টনাটি পাশের বাড়িটির আশেপাশে করে রাখুন।
গলায় মাছের কাটা ফুটলে ঘরোয়া পদ্ধতি তে কাটা নিরসন করার অনেক উপায় আছে,অনেক সময় পানি খেলে কাটা নিজে থেকেই চলে যায়,তবে যদি না যায় সেক্ষেত্রে,প্রথমত ভাতের দলা করে সেটা না চিবিয়ে একবারে খেয়ে ফেললে অনেক সময় এর সাথে কাটাটা চলে যায়,এছাড়া আধা কাপ লেবুর রস একদম পানি ছাড়া খেলেও অনেক সময় কাটা নরম হয়ে চলে যায়,তবে সবকিছু নির্ভর করছে কাটা কি অবস্থায় আছে,আমার দুবার কাটা ফুটেছে প্রথমবার ভাতের দলা মুখে দিয়ে গিলে ফেলতেই কাটা চলে গিয়েছিল...কিন্তু শেষবার ঢুকেছিল কৈ মাছের কাটা,কি যে ভয়ংকর কষ্ট পেয়েছিলাম,পুরো দু দিন কাটা নিয়ে কষ্ট পেয়েছি,পরে ওটা নিজে থেকেই চলে গিয়ে ছিল,ধন্যবাদ
সিভিটে ভিটামিন সি থাকে।অতিরিক্ত ভিটামিন সি’র কারণে ডায়রিয়া, বমিভাব ও বমি, মাথাব্যথা, বৃক্কে পাথর, অনিদ্রা, বুক জ্বালাপোড়া ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিতে পারে।
ব্যক্তিবাদ বা ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদ (ইংরেজি: Individualism) প্রত্যয়টির মর্মার্থ হলো হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত অবাধ ব্যক্তিসত্তা।[১] রাষ্ট্রচিন্তার ইতিহাসে ইউরোপে মধ্যযুগের পরবর্তীকালে নিরঙ্কুশ শক্তিসম্পন্ন রাজা বা সরকারকে রাষ্ট্রের প্রতিভূ বিবেচনা করে রাষ্ট্র বনাম ব্যক্তি হিসাবে ব্যক্তির স্বাধীনতা, অধিকার প্রভৃতির পক্ষে যুক্তিমূলক তত্ত্বকে ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদ বলে অভিহিত করা হয়।
আসল নাম ছিল আনিয়েজ গঞ্জে। আগস্ট ২৫, ১৯১০ সালে জন্ম নেন। ছিলেন একজন আলবেনীয়- বংশোদ্ভূত ভারতীয় ক্যাথলিক সন্ন্যাসিনী। ১৯৫০ সালে কলকাতায় তিনি মিশনারিজ অব চ্যারিটি নামে একটি সেবাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। সুদীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে তিনি দরিদ্র, অসুস্থ, অনাথ ও মৃত্যুপথযাত্রীষের সেবা করেছেন। সেই সঙ্গে মিশনারিজ অব চ্যারিটির বিকাশ ও উন্নয়নেও অকান্ত পরিশ্রম করেছেন। প্রথমে ভারতে ও পরে সারা বিশ্বে তার এ মিশনারি কার্যক্রম ছড়িয়ে পড়ে। তার মৃত্যুর পর পোপ দ্বিতীয় জন পল তাকে স্বর্গীয় আখ্যা দেন এবং তিনি কলকাতার স্বর্গীয় তেরেসা (Blessed Teresa of Calcutta) নামে পরিচিত হন। ম্যালকম মাগারিজের বই ও প্রামাণ্য তথ্যচিত্র ‘সামথিং বিউটিফুল ফর গড’ তার সেবাকার্যের প্রচারের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করেছিল। ১৯৭৯ সালের ১৭ অক্টোবর তিনি তার সেবাকার্যের জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার ও ১৯৮০ সালে ভারতের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরতœ লাভ করেন।
বোলারের বল ছোড়ার ভঙ্গির ওপর নির্ভর করে পেস সুইংয়ের ধরন বদলে যায়। বাতাস কেটে দ্রুতগতিতে বেরিয়ে যাওয়ার সময় বায়ুর এক পাতলা স্তর বলকে ঘিরে ধরে। বলের অপ্রতিসমতার কারণে এক পাশের তুলনায় অপর পাশের বায়ুস্তর আগে সরে যায়। যে পাশে বাতাসের ধাক্কা বেশি থাকে বল সেদিকেই বাঁক নেয়। প্রচলিত সুইংয়ের জন্য বোলার যখন বলের সেলাই অংশটি স্লিপের দিকে হেলিয়ে ছুড়ে মারেন তখন আউট সুইং আর যখন ফাইন লেগের দিকে হেলিয়ে রাখেন তখন ইন সুইং হয়। সেই সঙ্গে বায়ুচাপের তারতম্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক। বলের মসৃণ পাশ বাতাস কেটে দ্রুত ছুটে যায় আর খসখসে পাশ কাজ করে ব্রেক হিসেবে, সহজে সামনে যেতে চায় না। বলের দুই বিপরীত পাশে উচ্চ ও নিম্ন চাপের এলাকা সৃষ্টি করে বোলার বলকে বাঁক খাওয়াতে পারেন। প্রবাহী ধর্ম অনুযায়ী বাতাস বেশি চাপের এলাকা থেকে কম চাপের এলাকার দিকে ছুটে যায়। ফলে বলটিও বাতাসে ভেসে সোজা চলে যাওয়ার বদলে বেঁকে যায়। নতুন বলের জন্য সেলাইয়ের খসখসে ভাব ও বলের পিঠে মসৃণতা বৈপরীত্য হিসেবে কাজ করে।।20 ওভার পরই রিভার্স সুইংয়ের জন্য প্রস্তুত হয়ে যায় বল। তবে এখানে ফিল্ডিং দলের সবাই কিছু না কিছু অবদান রাখে। বলের দুই পাশে অসামঞ্জস্যতা ধরে রাখতে যেকোনো এক পাশ ক্রমাগত ঘষা হয় জামা বা রুমাল দিয়ে। বারবার ঘষার ফলে একটি পাশ মসৃণ থেকে যায়। অপর পাশটি ক্ষয়ে যায়। ঘষার সময় কোনো না কোনো তরল পদার্থ ব্যবহার করা হয়। ফিল্ডারের ঘাম, থুথু, সানস্ক্রিন, হেয়ারজেল মাঠের মধ্যে সহজেই চাইলে যা পাওয়া যায়। চামড়ার বলের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ছিদ্রের মধ্যে দিয়ে এগুলো ভেতরে চলে যায়। ধুমধাড়াক্কা মার আর মাঠে গড়ানোর ফলে এসব ফাঁক বেড়ে যেতে থাকে। একসময় গলফের মতো ক্রিকেট বলটির একপাশ ছেয়ে যায় ছোট ছোট ছিদ্রে। ওই পাশটি সহজে বাতাস ধরে রাখতে পারে। আর তাতেই উল্টোপাল্টা আচরণ করতে শুরু করে বল। তবে খেলার মাঠে কেউ কেউ আবার অসদুপায় অবলম্বন করতেও ছাড়েন না। তাড়াতাড়ি বলের চকচকে ভাব নষ্ট করতে বল ছোড়ার বদলে গড়িয়ে মারা, বোলিংয়ের সময় হাত মোছার ছলে বালিতে ঘষে সেই বালি বলে ঘষা, পকেটে বোতলের ছিপি রেখে তার ওপর ঘষা-এগুলো তো মামুলি কৌশল।
(১) প্রতিবেলা খাবারে আগের চাইতে একটু বেশি খান। (২) খাবারে প্রাণিজ আমিষের পরিমান বাড়ান। (৩) প্রতিদিন মিষ্টি বা মিষ্টিজাতীয় খাবার খান, এবং অবশ্যই (৪) পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন। আশা করি ১/২ মাসের মধ্যেই আপনার সাস্থ্যের যথেষ্ট উন্নতি হবে, ইনশাআল্লাহ।
*** দশটি মজার ধাঁধাঁ এবং উত্তর*** ১. কোন জিনিসের একটা মুখ আছে, দুটো হাত আছে কিন্তু কোনো পা নেই? ২. তোমার টাকা দ্বিগুণ করার সহজ উপায় কী? ৩. কোন জিনিসের বুড়ো আঙুল আছে, সাথে চারটা আঙুলও আছে; কিন্তু জিনিসটা জীবিত নয়। ৪. ব্যবহার করার জন্য কোন জিনিসটাকে ভাঙতেই হবে? ৫. কোন জিনিসের ঘাড় আছে কিন্তু মাথা নাই? ৬. কোন জিনিস শুকায় আবার ভেজার জন্য? ৭. কোনটা চলে যায় কিন্তু আর ফিরে আসে না? ৮. কোন জিনিসটা তোমার কিন্তু তোমার চেয়ে অন্য মানুষেই বেশি ব্যবহার করে? ৯. সবারই এটা আছে আর কারোই এটা হারানোর উপায় নেই। কী সেটা? ১০. লক্ষ বছর ধরে থাকলেও এটিকে একটানা এক মাসের বেশি দেখি যায় না। কী নাম তার? উত্তর ১. ঘড়ি। ২. আয়নার সামনে ধরো, তাহলেই দ্বিগুণ দেখাবে! ৩. দস্তানা/হাতমোজা। ৪. ডিম। ৫. বোতল। ৬. তোয়ালে। ৭. তোমার বয়স। ৮. তোমার নাম। ৯. নিজের ছায়া। ১০. চাঁদ।
ঘরোয়া উপায়ে সহজেই দাঁত ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। ১. পেঁয়াজ পেঁয়াজের অ্যান্টিসেপ্টিক উপাদান দাঁতের জীবাণু নষ্ট করে দাঁতের ব্যথা উপসম করে। প্রথমে দাঁতের ব্যথার জায়গাটা খুঁজে বের করুন। এবার একটি পেঁয়াজ আক্রান্ত জায়গার কাছাকাছি নিয়ে চাবান। আর যদি চিবোতে না পারেন এক টুকরা পেঁয়াজ কেটে নিয়ে আক্রান্ত জায়গায় রাখুন, দেখবেন ব্যথা কমে যাবে। ২. পেয়ারা পাতা দাঁতের ব্যথায় আরাম পেতে পেয়ারা পাতা আরো একটি উপকারী উপাদানের নাম। দুই থেকে তিনটা কচি পেয়ারা পাতা মুখে নিয়ে পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে চিবোতে থাকুন যতক্ষণ না সেটি দাঁতের ব্যথায় কাজ শুরু না করে। আবার কয়েকটা পেয়ারা পাতা নিয়ে খানিকটা পানি দিয়ে তা সিদ্ধ করুন। এরপর পানি ঠাণ্ডা করে ওই পানি দিয়ে কুলকুঁচি করুন। ৩. রসুন রসুনের এন্টিবায়োটিক উপাদান ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকরি উপাদান দাঁতের সংক্রমণ জনিত ব্যথায় দারুন কাজে দেয়। একটি রসুন ভেঙ্গে তাতে কিছুটা লবণ মাখিয়ে আপনার আক্রান্ত দাঁতের গোঁড়ায় লাগিয়ে দেখুন দাঁতের ব্যথায় আরাম পাবেন। ৪. উষ্ণ লবণ পানি একগ্লাস বেশ গরম পানিতে খানিকটা লবণ মিশিয়ে কুলকুচি করুন। দেখবেন দাঁতের শিরশির ভাব ও ব্যথা কমে যাবে। কেননা গরম পানি আর লবণের কার্যকারিতায় দাঁতের টিস্যুগুলো সচল হয়ে উঠে আর সব জীবাণু তাদের কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। ৫. মরিচ ও লবণ দাঁতে যখন খুব বেশী স্পর্শকাতরতা আর টনটনে ব্যথা হয় তখন লবন আর মরিচ আপনাকে আরাম প্রদান করতে পারে। সমপরিমাণ লবণ আর মরিচ নিয়ে তাতে কয়েক ফোঁটা পানি দিয়ে একটি পেস্ট বানিয়ে নিন। এবার এই পেস্ট আপনার দাঁতে সরাসরি লাগান। পরপর কয়েকদিন এভাবে লাগালে দাঁতের ব্যথা কমে যাবে।
আপনি nokia 2690 টি নিন।দাম ৩০০০ টাকার মধ্যে হবে।সব ধরণের ভিডিও সাপোর্ট করবে।
উপকরণ : শুকনো বরই- ১ কেজি, চিনি- ৩৫০ গ্রাম, লবণ- স্বাদমতো, সরিষার তেল- ৫০০ মিলিলিটার, আদা বাটা- ১ টেবিল চামচ রসুন কুচি- ২ টেবিল চামচ, শুকনা মরিচ- ৮টি, মরিচ গুঁড়া- ১ টেবিল চামচ, পাঁচফোড়ন গুঁড়া- ১ টেবিল চামচ, জিরা ভেজে গুঁড়া করা- ১ টেবিল চামচ, ভিনেগার- ২৫০ মিলিলিটার প্রস্তুত প্রণালী : -শুকনো বরইগুলো আচার বানানোর আগের রাতে বোঁটা ফেলে দিয়ে ভালো করে ধুয়ে পানিতে ভিজিয়ে রাখুন সারারাত। -পরদিন বরইগুলো থেকে পানি ভালোভাবে ঝরিয়ে ফেলুন। -শুকনো মরিচ ছাড়া বাকি সব মশলা একটি পাত্রে নিয়ে তাতে ভিনেগারটুকু ঢেলে ভালো করে মিশিয়ে নিন। -একটি পাত্রে তেল নিয়ে চুলোয় বসান। তেল গরম হয়ে এলে এতে সবটুকু মশলা দিয়ে দিন। -এরপর এতে চিনি ও লবণ দিয়ে ভালো করে কষান। -কিছুক্ষণ পর এতে শুকনো মরিচ ও বরইগুলো দিয়ে জ্বাল দিতে থাকুন। -থকথকে হয়ে এলে নামিয়ে ফেলুন। -আচার ঠাণ্ডা হলে বয়ামে তুলে ফেলুন। এই আচার বয়ামে সারা বছর সংরক্ষণ করে খাওয়া যাবে। চিনির পরিবর্তে গুড় দিয়েও এই আচার করা যায়। সেক্ষেত্রে গুড় আগেই গলিয়ে নেবেন।
মরীচিকা তৈরি হয় উত্তপ্ত মরুভূমিতে। সূর্যে্র প্রচন্ড তাপে বালি উত্তপ্ত হয়ে তাপমাত্রা বেড়ে যায় এবং এর ফলে সংলগ্ন বায়ু হালকা হয়। উপরের দিকে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা কমায় বাযুও ধীরে ধীরে ঘনতর হতে থাকে। মরুভূমিতে চলন্ত কোন ব্যক্তি দূরে q বিন্দুতে কোন একটি গাছ দেখার সময় আলোকরশ্মি ঘনতর মাধ্যম থেকে লঘুতর মাধ্যমে প্রবেশ করে। ফলে প্রতিসরিত রশ্মি m বিন্দুর অভিলম্ব থেকে দূরে সরে যেতে থাকে। এভাবে বাঁকতে বাঁকতে একসময় কোন একটি স্তরে আপতন কোণ ক্রান্তি কোণের চেয়ে বড় হয়অ এ সময় আলোকরশ্মির প্রতিসরিণ না হয়ে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন হয়। ফলে আলোকরশ্মি উপরে উঠে বাঁকা পথে পথিকের চোখে পৌঁছায়। ফলে পথিক মনে করে বসেন এ রশ্মি q বিন্দুর সরাসরি নিচের q' বিন্দু থেকে আসছে। এভাবে পথিক মনে করে পানির ভূ-সমতলের নিচে যেহেতু গাছের উল্টো ছবি দেখা যাচ্ছে তাই নিশ্চয়ই ওখানে পানিও আছে। এছাড়াও বৃষ্টির পরপরই রাজপথ ভিজে গিয়েও সেখানে আকাশের বিম্ব তৈরি হয়। ফলে তৈরি হয় মরীচিকা।
কোন কিছু পাওয়ার জন্য যে পরিশ্রম করতে হয় তাতে রয়েছে আনন্দ।কোন কিছু চাওয়ার আগেই যদি পেয়ে যায় তাতে গুরুত্ব থাকে না,সেটি ভালো লাগেনা।বেহেশতেও কোন কিছু চাইবার আগেই তা আমাদের কাছে চলে আসবে।চাওয়ার আগেই খাবার চলে আসবে,নারী চলে আসবে।তাহলে সেগুলো কি আর ভালো লাগবে?
টেলোফেজ -এ ধাপে ক্রোমাটিডগুলো মেরুতে পৌঁছে যায়। -নিউক্লিয়ার মেমব্রেন তৈরি হয়। ফলে নতুন দুইটি নিউক্লিয়াস তৈরি হয়। -স্পিন্ডল যন্ত্র অদৃশ্য হয়ে যায় কিন্তু সেন্ট্রিওল রয়ে যায়। -সাইটোপ্লাজমের ঘনত্ব কমে যায়। -ক্রোমোসোম আগের মত সুতার আকৃতি নেয়। -RNA তৈরির ফলে নিউক্লিওলাস পুনরায় দেখা যায়।
১ মাইল=১.৬১ কি.মি
মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব মহাবিশ্বের উৎপত্তি সম্পর্কে প্রদত্ত একটি বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব। এই তত্ত্বের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো কোন ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার পরিবর্তে একটি বিশেষ মুহূর্তে মহাবিশ্বের উদ্ভব। এই তত্ত্ব বলে আজ থেকে প্রায় ১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর পূর্বে এই মহাবিশ্ব একটি অতি ঘন এবং উত্তপ্ত অবস্থা থেকে সৃষ্টি হয়েছিল। বিজ্ঞানী এডুইন হাবল প্রথম বলেন, দূরবর্তী ছায়াপথসমূহের বেগ সামগ্রিকভাবে পর্যালোচনা করলে দেখা যায় এরা পরষ্পর দূরে সরে যাচ্ছে অর্থাৎ মহাবিশ্ব ক্রমশ সম্প্রসারিত হচ্ছে। আপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্বের ফ্রিদমান-ল্যমেত্র্-রবার্টসন- ওয়াকার মেট্রিক অনুসারে এটি ব্যাখ্যা করা হয়েছে। এই তত্ত্বসমূহের সাহায্যে অতীত বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সমগ্র মহাবিশ্ব একটি সুপ্রাচীন বিন্দু অবস্থা থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। এই অবস্থায় সকল পদার্থ এবং শক্তি অতি উত্তপ্ত এবং ঘন অবস্থায় ছিল।
দুধ মেশানো চা কিংবা কফিতে সাধারণত প্রচুর ক্যাফেইন থাকে, যা পরিমিত উপায়ে গ্রহণ করলে শরীরে শক্তি জোগায়। কিন্তু খালি পেটে এ ধরনের পানীয় একদমই স্বাস্থ্যকর নয়। এ ছাড়া যাঁরা পেটের অসুখে ভুগছেন, তাঁদের জন্যও বেড টি অত্যন্ত ক্ষতিকর। খালি পেটে চা পান করলে রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা বেড়ে যায়, যা কিডনি রোগীদের জন্য বিশেষভাবে ক্ষতিকর। সুস্থ-স্বাভাবিক মানুষের ক্ষেত্রেও খালি পেটে চা পানের অভ্যাস ত্যাগ করা উচিত। কারণ, এটি ক্ষুধামান্দ্য তৈরি করে।তবে আপনি যদি একান্তই অভ্যস্ত হয়ে পড়েন, তবে তা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া কষ্টকর। তাই স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে চিনি-দুধ ছাড়া লিকার চা পান করুন। গ্রিন টি হলে সবচেয়ে ভালো হয়। কারণ, এতে আছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। আর বিশেষভাবে যাঁরা অনিদ্রায় ভুগছেন, তাঁদের এ অভ্যাস জরুরি ভিত্তিতে পরিত্যাগ করা উচিত। খালি পেটে কফি পান করার অভ্যাসও স্বাস্থ্যের জন্য খুব খারাপ। সবচেয়ে ভালো হয়, যদি আমরা সবাই এই বেড টি থেকে দূরে থাকতে পারি।