5 Answers
বাবা-মা কোনো ভালো বা খারাপ যে উদ্দেশ্যেই করুকনা কেনো..!! তা যদি মোন থেকে করেন তবে অবশ্যই কবুল হবে.. তবে দোয়া করতে দুই রাকাত নফল নামাজ পড়ে করলে সবচেয়ে ভালো হয়... (ভালো দিক) আর খারাপ দোয়া করতে হয়না... মনে কষ্ট পেলেই আল্লাহ্ কবুল করে নেন।
জ্বি সব মা বাবার দোয়াই আল্লাহ কবুল করেন, তবে যে পাগল সে তো ঞান বিহীন, সে ভালো মধ্যে কিছু বুঝে না, আর যদি কোন সন্তানের করে নে ,মা বাবা পাগল হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই সেই মা বাবার বদ দোয়া আল্লাহ কবুল করেন।
সন্তানের জন্য পিতামাতার দোয়ার চেয়ে মূল্যবান আর কিছু নেই। সন্তানের জন্য পিতামাতার দোয়া কতটা কার্যকরী তার প্রমাণ দিয়েছেন প্রিয়নবি। হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, বলেছেন, কোনো সন্তান যদি পিতা-মাতার প্রতি ভালোবাসার দৃষ্টিতে তাকায়, তাহলে আল্লাহ তাআলা সে সন্তানকে সাদকার সাওয়াব দান করেন।
মুসলিম জাতির পিতা হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালাম যখন প্রাণপ্রিয় সন্তান ও স্ত্রীকে জনমানবহীন মরুভূমি মক্কার সাফা-মারওয়া পাহাড়ের উপত্যকায় রেখে যান। তখন তাদের জন্য কল্যাণের দোয়া করেছিলেন। দোয়াটি মহান আল্লাহ কবুল করেন ।
আল্লাহ পাক আদেশ করেন তোমরা বাবা-মাকে কষ্ট দিওনা, যদিও তারা মুশরিক হয়।সন্তানের জন্য উচিৎ হলো সর্বাবস্থায় বাবা-মাকে কষ্ট না দেওয়া এবং তাদের সাথে রূঢ় আচরণ না করা।আপনি যদি অন্যায়ভাবে আপনার মা-বাবাকে কষ্ট দেন যদিও তারা মুশরিক তবুও আপনার জন্য বদ-দোয়া করলে কবুল হবে।তবে হ্যা!তাদের আনুগত্য করা যাবেনা।(যদি তারা মুশরিক হয়।) ঠিক তেমনি ভাবে যদি আপনার বাবা-মা পাগল হয়,সাধ্য অনুযায়ী তাদের সেবা করা আপনার কর্তব্য। তাদের অন্যায় ভাবে কষ্ট দেওয়া গোনাহের কাজ।মা-বাবা পাগল হলেও সন্তানকে চিনে তাই তাদের বদ-দোয়াও না নেওয়া উচিত। (ইসলামের হুকুম আহকাম পাগলের জন্য নয়)তবে আপনি যদি অন্যায় ভাবে কষ্ট দেন,আর তারা যদি বদ দোয়া করে, অবশ্যই কবুল হবে।কারণ আল্লাহ সর্ববিষয়ে জ্ঞাত। আর সন্তানের জন্য মা-বাবার নেক দোয়া সবসময় কবুল হয়।
হ্যাঁ, সন্তানের জন্য সব মা-বাবার দোয়াই মহান আল্লাহ তায়ালা কবুল করেন। মা-বাবা মুসলিম হোক বা অমুসলিম হোক, জ্ঞানী হোক বা মূর্খ হোক, পাগল হোক বা বৃদ্ধ হোক, সব মা-বাবার দোয়াই মহান আল্লাহ তায়ালা কবুল করেন। যেহেতু মা-বাবার পায়ের নিচে সন্তানের জান্নাত, সেহেতু মা-বাবাকে খুশি করতে পারলে এই দুনিয়ায় যেমন ভালো থাকা যায়, তেমনি ঐ দুনিয়ায়ও মহান আল্লাহর রহমত লাভ সম্ভব হয়। জর্জ ওয়াশিংটন মায়ের দোয়ার বরকতেই আমেরিকার প্রথম প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মায়ের দোয়ার বরকতেই 'বিদ্যাসাগর' উপাধি লাভ করেছিলেন। বায়েজিদ বোস্তামী (রহঃ) মায়ের দোয়ার বরকতেই অনেক বড় বূযুর্গি লাভ করেছিলেন। যারা সৎ, তারা মা-বাবার খেদমত করার মাধ্যমে তাদের নেক দোয়া লাভ করে। সন্তানের জন্য মা-বাবার দোয়া আসে হৃদয়ের গভীর থেকে। প্রত্যেক মা অনেক কষ্ট সহ্য করে সন্তানকে বড় করে তুলেন। নিজে হাজারো কষ্ট পেলেও সন্তানের সামান্যতম ক্ষতি হতে দেন না। তেমনি বাবা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে পরিশ্রম করে সন্তানের জন্য অর্থ উপার্জন করেন। মা-বাবা নিজেদের চাহিদা বিসর্জন দিয়ে সন্তানের সকল চাওয়া মেটানোর চেষ্টা করেন। তাই মা-বাবাকে কোনো অবস্থাতেই কখনো কষ্ট দেয়া যাবে না। কোনো কারণে মা-বাবাকে কষ্ট দিয়ে ফেললে তাদের কাছে কান্নাজড়িত কন্ঠে ক্ষমা চেয়ে নিতে হবে। মা-বাবাকে বেশি বেশি ভালোবাসতে হবে, আদর-যত্ন করতে হবে, খেদমত করতে হবে। তাহলেই প্রত্যেক সন্তান তাদের মা-বাবার দোয়ার বরকতে ইহকাল ও পরকাল উভয় জায়গাতেই আল্লাহর রহমতপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে। মহান আল্লাহ প্রত্যেক সন্তানকে তাদের মা-বাবার নেক দোয়া অর্জন করার তাওফীক দান করুন। আমিন। ধন্যবাদ।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy