সিগারেট পান করা নাকি মাকরূহ।এটা নাকি হারাম নয়?
5 Answers
যে কোনো নেশা জাতীয় খাবার হারাম ইসলামের নিষিদ্ধ করেছে মদ পান সিগারেট অন্য নেশা জিনিস
আল্লাহ্ তায়ালা বলেছেন দোজগে এক প্রকার আজাবি ব্যাক্তিরা থাকবেন তাদের নাক , মুখ দিয়ে ধোয়া বের হবে আর বর্তমানে পৃথিবীতেই মানুষ তার নাক মুখ দিয়ে ধোয়া বের করতেছে।যেটা কিয়ামতের আলামত নামে রুপ ধারণ করেছে ইসলাম সমাজে তবে এটা অবস্যই হারাম হিসেবেই বিবেচিত হবে ।
বিড়ি, সিগারেট ও তামাক জাতীয় সব বস্তু হারাম। আর তাতে রয়েছে উৎকৃষ্ট দুৰ্গন্ধ- যা পরিত্যাগ করা প্রত্যেক মানুষের জন্য অত্যাবশ্যক। সিগারেট নেশাজাতীয় জিনিস। রাসূল (সাঃ) বলেছেন, প্রত্যেক নেশার বস্তুই মাদক আর প্রত্যেক নেশার জিনিসই হারাম। (মুসলিমঃ ২০০৩) রাসূল (সাঃ) বলেছেন, যা অধিক সেবন করলে নেশার সৃষ্টি হয় তা কম সেবন করাও হারাম। (তিরমিযিঃ ১৮৬৫, আবু দাঊদঃ ৩৬৮১) সিগারেট অপবিত্র জিনিস এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তায়ালা বলেন, তোমাদের জন্য পবিত্র বস্তু হালাল ও অপবিত্র বস্তু হারাম করা হয়েছে। (আল আরাফঃ ১৫৭) শরীয়তের বিধানের সকল কিছুর স্পষ্ট দলীল নেই। আর না থাকলে কোন জিনিস যে হালাল, তা নয়। শরীয়তের স্পষ্ট উক্তিসমুহ থেকে ফকীহগন এমন কিছু নীতি নির্ণয় করেন, যার দ্বারা বলা যায় কোনটা হালাল, আর কোনটা হারাম, কোনটা মাকরুহ। যে সকল নীতির মাধ্যমে বিড়ি-সিগারেটকে হারাম করা হয়, তার কিছু নিম্নরুপঃ- (ক) এতে রয়েছে অনর্থক অর্থ অপচয়। আর ইসলামে অপচয় হারাম। (খ) এতে রয়েছে স্বাস্থ্যগত ক্ষতি। আর যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, ইসলামে তা হারাম। (গ) বেশি পরিমাণ পান করলে, তাতে জ্ঞানশূন্যতা আসতে পারে। আর যাতে নেশা, মাদকতা ও জ্ঞানশূন্যতা আসে, ইসলামে তা হারাম। (ঘ) এতে দুর্গন্ধ আছে। এর দুর্গন্ধে অধূমপায়ীরা কষ্ট পায়। সুতরাং তা পবিত্র জিনিস নয়। আর ইসলাম পবিত্র জিনিস খাওয়াকে হালাল এবং অপবিত্র জিনিস খাওয়াকে হারাম ঘোষণা করেছে।
বিড়ি, সিগারেট সহ সকল প্রকার তামাক জাতীয় দ্রব্য
সিগারেট খাওয়া মাকরুহে তানজী কবীরা গুনাহের কাছাকাছি। সুতরাং এটি গ্রহনের মাধ্যমের মারাত্মক গুনাহ হয়।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy