আমি আমার শরীরের তুলনায় কম পানি পান করি। শীত + গ্রীষ্ম দুই সময়েই ৬গ্লাস পানি পান করি। এজন্য কি শরীরে অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে?
আমি আমার শরীরের তুলনায় কম পানি পান করি। শীত +গ্রীষ্ম দুই সময়েই ৬গ্লাস পানি পান করি। এর বেশি পানি পান করিনা। ২৫০গ্রাম গ্লাস। এজন্য কি শরীরে অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে? কম পানি পান করলে অতিরিক্ত ঘাম কেন হয়? একটু বিস্তারিত পুরোটা বুঝিয়ে লিখে দিবেন।
2532 views
1 Answers
সাধারণত মানুষের শরীরে অ্যাক্রিন ও অ্যাপোক্রিন গ্ল্যান্ড নামক দুইধরনের ঘামগ্রন্থি থাকে। রোদের কারণে শরীরের তামপাত্রা বেড়ে যায়। তাই তাপমাত্রা স্বাভাবিক করে আনার জন্য আমাদের দেহে ঘাম উৎপন্ন হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন বিষাক্ত উপাদান বের করে দেওয়ার মাধ্যমে শরীরের প্রটেকটিভ মেকানিজম হিসেবেও কাজ করে ঘাম। কম পানি পান করলে দেহের ঘর্মগ্রন্থি গুলি পানির অভাবে পড়ে এবং শরীরের থাইরয়েড গ্রন্থি কিংবা বিভিন্ন হরমোন গ্রন্থিকে উত্তেজিত করে ফলে দেহে অতিরিক্ত ঘাম হয়। আর নিয়ন্ত্রণ করার জন্য প্রতিদিন কমপক্ষে ৮ গ্লাস জল পান করা উচিৎ। কারণ অতিরিক্ত ঘামের কারণে শরীর থেকে প্রচুর পানি বেরিয়ে যায়, ফলে পানিশূন্যতায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
2532 views
Answered
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy