রোযা হালকা আর মাকরূহ হওয়া?
1 Answers
রোযা হালকা হয়না! রোযাদার হালকা তথা দূর্বল হয়ে যায়। আর যে কারণে মাকরূহ হয় এব্যারে উলামাগণ কিছু এমন বৈধ কর্ম করাকে রোযাদারের জন্য অপছন্দনীয় মনে করেন, যা করার ফলে তার রোযা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। আর তা নিম্নরূপঃ- মুখে থুথু জমা করে গিলে নেওয়া। দাঁতের ফাঁকে লেগে থাকা খাবার পরিকার না করা। অপ্রয়োজনে খাবার চেখে দেখা। কারণ, তা গলার নিচে নেমে যাওয়ার আশঙ্কা আছে। এমন জিনিস নাকে নিয়ে ঘ্রাণ নেওয়া। যা রোযাদারের নিঃশবাসের সাথে গলার ভিতরে যেতে পারে। স্ত্রীর সাথে এমন আচরণ করা, যা রোযাদারের যৌনক্ষুধা জাগ্রত করে। যেমন চুম্বন, কোলাকুলি, গলাগলি প্রভৃতি। এমন কিছু করা, যাতে তার শরীর দুর্বল হয়ে যাবে এবং রোযা চালিয়ে যেতে কষ্ট হবে। যেমন দূষিত রক্ত বহিষ্করণ ও অধিক রক্তদান। অজুর সময় গড়গড়া করে কুলি করা ও নাকে পানি নেওয়াতে অতিরঞ্জন করা। মাজন বা টুথ পেষ্ট দিয়ে দাঁত মাজা। এ ছাড়া এমন কিছু কর্ম রয়েছে, যা করলে রোযাদারের রোযা অসম্পূর্ণ থেকে যায় এবং তার সওয়াবও কম হয়ে যায়। যেমনঃ মিথ্যা কথা বলা! মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া। গীবত করা! চুগলী করা! কুদৃষ্টি দেওয়া। অনুরূপ প্রত্যেক সেই কথা বলা, যা শরীয়তঃ বলা নিষিদ্ধ। কারণ, প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি রোযা রেখে মিথ্যা কথা ও তার উপর আমল ত্যাগ করতে পারল না, সে ব্যক্তির পানাহার ত্যাগ করার মাঝে আল্লাহর কোন প্রয়োজন নেই। (রেফারেন্সঃ আহকামুস সাওমি অল-ইতিকাফ, আবূ সারী মঃ আব্দুল হাদী ১৬২-১৬৩পৃঃ, তাযকীরু ইবাদির রাহমান, ফীমা অরাদা বিসিয়ামি শাহরি রামাযান ১৬-১৭পৃঃ) (বুখারীঃ ৬০৫৭, ইবনে মাজাহঃ ১৬৮৯, আহমাদ, মুসনাদঃ ২/৪৫২, ৫০৫)