3 Answers
বিতর নামাযে দুআয়ে কুনুত পড়া ওয়াজিব। এটি তৃতীয় রাকাতে সূরা ফাতিহা ও সাথে সূরা মিলিয়ে তাকবীর বলে হাত বেঁধে পড়তে হয়।দুআয়ে কুনুত হল,
اللهُمَّ إِنَّا نَسْتَعِينُكَ وَنَسْتَغْفِرُكَ , وَنُثْنِي عَلَيْكَ الْخَيْرَ كُلَّهُ وَنَشْكُرُكَ وَلَا نَكْفُرُكَ وَنَخْلَعُ وَنَتْرُكُ مَنْ يَفْجُرُكَ اللهُمَّ إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَلَكَ نُصَلِّي , وَنَسْجُدُ وَإِلَيْكَ نَسْعَى وَنَحْفِدُ نَرْجُو رَحْمَتَكَ وَنَخْشَى عَذَابَكَ إِنَّ عَذَابَكَ بِالْكُفَّارِ مُلْحِقٌ
(শরহু মাআনিল আছার, হাদীস নং-১৪৭৫)
সুতরাং আপনি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব দুআ কুনূত মুখস্থ করে নিন। আর দুআ কুনূত মুখস্থ করার আগ পর্যন্ত নিম্নোক্ত দুআটি পড়তে পারেন-
رَبَّنَاۤ اٰتِنَا فِی الدُّنْیَا حَسَنَةً وَّ فِی الْاٰخِرَةِ حَسَنَةً وَّ قِنَا عَذَابَ النَّارِ
অথবা কয়েকবার أَللّهُمَّ اغْفِرْ لَنَا বা أَسْتَغْفِرُ اللهَ পড়বেন।
(ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/১৭০; আলমুহীতুল বুরহানী ২/২৭০; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ২/৩৪৪; আলবাহরুর রায়েক ২/৪২-৪৩; রদ্দুল মুহতার ২/৭)
ইমাম নববী বলেন, জেনে রাখুন, অগ্রগণ্য মাযহাব মতে, কুনূতের জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো দুআ নেই। তাই যে কোনো দুআ পড়লে এর দ্বারা কুনূত (আদায়) হয়ে যাবে; এমনকি দুআসম্বলিত এক বা একাধিক কুরআনের আয়াত পড়লেও কুনূতের উদ্দেশ্য হাছিল হয়ে যাবে। তবে, হাদিসে যে দুআ এসেছে সেটা পড়া উত্তম।(ইমাম নববীর ‘আল-আযকার, পৃষ্ঠা-৫০)
বিতরের নামাজে দোআয়ে কুনুত পড়া ওয়াজিব, তাই কোন ব্যক্তি যদি নামাজে থাকা অবস্থায় ইচ্ছাকৃতভাবে দোআয়ে কুনুত ছেড়ে দেয়, তাহলে তার নামাজ হবে না। আর যদি অনিচ্ছাকৃত ভাবে ছেড়ে দেয়, তাহলে সাহু সেজদার মাধ্যমে নামাজ কে সঠিক করে নিতে হবে । আর যদি কোন ব্যক্তি দোয়ায়ে কুনুত পড়তে না পারে তাহলে কয়েকবার أَللّهُمَّ اغْفِرْ لَنَا বা أَسْتَغْفِرُ اللهَ পড়তে পারে। আর যথা সম্ভব অতি তাড়াতাড়ি দোয়ায়ে কুনুত শিখে নিতে হবে
তিন রাকাত বা এক রাকাত বিতর ওয়া'জীব নামাযের তৃতীয় রাকাতে বা এক রাকাতের ক্ষেত্রে ঐ রাকাত নামাজে রুকুতে যাওয়ার আগে সুরা ফাতিহার সাথে অন্য সুরা পাঠের পরে পড়তে হয়। তারপর রুকুতে যেতে হয়। যদি কেউ দোয়া কুনুত না জানে তবে রাব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসনাতাও ওয়া ফিল আখিরাতি হাসনাতাও ওয়াকিনা আযাবাননারি। এই দোয়া পড়বে। তৃতীয় রাক্বাতে সূরা পাঠ শেষে কানের লতি অবধি হাতে উঠিয়ে তাকবির দিয়ে পুনরায় পেটের ওপর হাত বাঁধতে হয় এবং অনুচ্চ স্বরে দোয়া কুনুত পাঠ করতে হয়। দোয়া কুনুত পড়ার পর তাকবির অর্থাৎ ‘আল্লাহু আকবার’ বলে রুকুতে যেতে হয়। দোয়া কুনুতের উচ্চারণঃ- আল্লাহুম্মা ইন্না নাস্তায়ীনুকা, ওয়া নাস্তাগফিরুকা, ওয়া নু'মিনু বিকা, ওয়া নাতাওয়াক্কালু 'আলাইকা, ওয়া নুছনী আলাইকাল খাইর, ওয়া নাশ কুরুকা, ওয়ালা নাকফুরুকা, ওয়া নাখলাউ, ওয়া নাতরুকু মাঁই ইয়াফজুরুকা আল্লাহুম্মা ইয়্যাকা না'বুদু ওয়া লাকানুসল্লী, ওয়া নাসজুদু, ওয়া ইলাইকা নাস'আ, ওয়া নাহফিদু, ওয়া নারজু রাহমাতাকা, ওয়া নাখশা আযাবাকা, ইন্না আযাবাকা বিল কুফ্ফারি মুলহিক।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy