এক্ষেত্রে ইমামের সাথে জামাতে শরীক হওয়া কি ঠিক হবে?
2 Answers
কথা হল - তিন সময়ে নামায আদায় করা মাকরূহে তাহরিমী, সূর্যোদয়, সূর্যাস্ত ও দ্বিপ্রহর। আসরের পর নফল নামায আদায় করা সঠিক নয়, তবে সূর্যাস্তে র আগে কাযা নামায আদায় করা যাবে, আসরের পর আস্তে আস্তে সূর্যাস্ত শুরু হয়, তাই এই সময়ে নামায কাযা কিংবা নফল না পড়াই ভাল।
কাযা নামাযের বিধান হলোঃ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ অনিচ্ছাকৃত ভাবে নির্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে কেউ যদি নামায কাযা করে তবে তা অন্যায় নহে। অবশ্য জাগ্রত থাকাবস্হায় ইচ্ছাকৃতভাবে নামায কাযা করলে অন্যায় হবে। অতএব তোমাদের কেউ যখন নামায আদায়ের কথা ভুলে যায় সে যেন স্মরণ হওয়া মাত্রই তা আদায় করে এবং পরবর্তী দিন উক্ত সময়ের নামাযটি তার নির্ধারিত সময়ে যেন আদায় করে। (মুসলিম, নাসাঈ, ইবনু মাজাহ, তিরমিযী)। কেউ যখন নামায আদায়ের কথা ভুলে যায় সে যেন স্মরণ হওয়া মাত্রই তা আদায় করে নেয় এটাই হচ্ছে মুল কথা। এই কাযা নামায আদায়ের জন্য আছরে ওয়াক্ত পর্যন্ত বিলম্ব করা মোটেই উচিত নয়। কেউ যদি যোহরের নামায পড়তে না পারে তবে সে যদি আসরের জামাতের সময় মসজিদে আসে আর তখন যদি কাযা নামাযের কথা স্মরণ হয় তবে সে আগে যোহরের নামাজের নিয়ত করে দাঁড়াবে এবং পড়ে আসরের নামায পড়ে নেবে। কথাটি এভাবে বললে সঠিক। আবার আসর নামাযের পর কোনো নামায পড়ার নিয়ম নাই। এ কথাটি ও সঠিক। কেননা, আসর ও ফজরের পর সালাত আদায় করা মাকরূহ। আহমদ ইবনু মানী (রহঃ) ইবনু আব্বাস (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, একাধিক সাহাবী যাদের মধ্যে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু অন্যতম, আর তিনি ছিলেন আমার নিকট তাঁদের সবার চাইতে প্রিয় এর নিকট থেকে শুনেছি যে, ফজরের পর সূর্য না উঠা পর্যন্ত এবং আসরের পর সূর্য অস্ত না যাওয়া পর্যন্ত সালাত আদায় করতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন। (সূনান তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৮৩ হাদিসের মানঃ সহিহ)। [ইচ্ছাকৃতভাবে এক ওয়াক্তের কাযা নামায আদায়ের জন্য আছরে ওয়াক্ত পর্যন্ত বিলম্ব করা মোটেই উচিত নয়।]