3 Answers
ছয়টি শর্ত 1) মুসলিম হওয়া 2) প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়া 3) বুদ্ধিসমপন্ন হওয়া 4) পুরুষ হওয়া 5) কোরআন পাঠের যোগ্যতা থাকা 6) ওযর থেকে মুক্ত হওয়া (যেমন সর্বদা নাক দিয়ে রক্ত ঝরা,,অতি বৃদ্ধ হওয়ায় পস্রাব ঝরা ইত্যাদি৷
রাসূল (সা.)-এর উত্তরাধিকারী যিনি দ্বীনের অব্যাহত ধারার কর্ণধর, মানুষের সমস্যার সমাধানকারী, এক ব্যাতিক্রমধর্মী ব্যাক্তিত্ব এবং মহান ইমাম ও নেতা হিসাবে নিঃসন্দেহে তিনি বহুমূখী গুণাবলীর অধিকারী৷ এখানে ইমামের উল্লেখযোগ্য কিছু গুণাবলী আপনাদের সামনে তুলে ধরা হল৷ তাকওয়া, পরহেজগারি এবং এমন নিঃস্কলুষ যে তাঁর দ্বারা সামান্যতম কোন গোনাহ সংঘটিত হয় নি৷ তাঁর জ্ঞানের উৎস হচেছ রাসূল (সা.) এবং তা ঐশী জ্ঞানের সাথে সম্পৃক্ত৷ অতএব তিনি সকলের পার্থিব, আধ্যাত্মিক, দ্বীন এবং দুনিয়ার সকল ধরনের (প্রশ্নের) সমাধানকারী৷ তিনি ফযিলত এবং শ্রেষ্টতম চারিত্রিক গুনাবলিতে সু-সজ্জিত৷ তিনি মানবজাতিকে ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী পরিচালনা এবং নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম৷
ইমাম হওয়ার জন্য বা ইমামের ইমামতি করার জন্য অনেক শর্ত-শারায়িত উল্লেখ রয়েছে। তবে যেসব শর্ত না হলে কারো জন্য মসজিদের ইমাম হওয়া কিংবা ইমাম নিয়োগ দেয়া উচিত নয় তা হচ্ছে- (১) ক্বিরায়াত বিশুদ্ধ হওয়া, (২) ইমাম হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় মাসয়ালা-মাসায়িল জানা এবং ক্বলবী ইলম তথা ইলমে তাছাওউফ অর্জনের উদ্দেশ্যে কোশেশে নিয়োজিত থাকা, (৩) সম্মানিত সুন্নত উনার পাবন্দ হওয়া, (৪) ফরয, ওয়াজিব ও সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ তরক না করা, (৫) বেপর্দা না হওয়া, (৬) হালাল-হারাম তমিজকারী হওয়া, (৭) আক্বীদা আহলে সুন্নত ওয়াল জামাআত উনাদের অনুযায়ী হওয়া ইত্যাদি।
সুত্র:এখানে